১
আল আকসা মসজিদের ইতিকথা
লেখকঃ এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
৪. ইউশা’ বিন নূন (আঃ) এর যুগ
হযরত মূসা ও হারুন (আঃ)-এর পরবর্তী নবী হলেন ইউশা’ বিন নূন। সূরা কাহাফে যে যুবকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে তিনি হচ্ছেন, হযরত ইউশা’ (আঃ)। সহীহ হাদীসের মাধ্যমেও তা প্রতিষ্ঠিত। তিনি তীহ ময়দানের অবশিষ্ট বনি ইসরাইলকে জেরুসালেম যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং বলেন, সেটি হচ্ছে, ঈমানদারদের স্থান, কাফির-মুশরিকের স্থান নয়। তিনি বনি ইসরাইলের পরবর্তী বংশধরকে নিয়ে জেরুসালেম পৌঁছেন। তিনি তার বাহিনী নিয়ে বাইতুল মাকদিস অবরোধ করেন এবং সূর্যাস্তের মুহূর্তে বিজয় সন্নিকট হওয়ায় আল্লাহর কাছে বিজয় না হওয়া পর্যন্ত সূর্যকে আটকিয়ে রাখার জিকির">দোয়া করেন।
আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন। [তাফসীর ইবনে কাসীর, ১ম খণ্ড, ৩৮ পৃষ্ঠা।] তিনি নিজ বাহিনী নিয়ে বাইতুল মাকদিসে বিজয়ীর বেশে প্রবেশ করেন এবং সাখরার স্থানে ‘গম্বুজে মূসা’ নির্মাণ করেন। তারা সেই গম্বুজের দিকে মুখ করে নামায পড়তেন। তারপর তারা তার পরিবর্তে সাখরার দিকে মুখ করে নামায পড়া শুরু করেন। শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যন্ত তা সবার কিবলা ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আমলে ১৭ মাস পর্যন্ত মুসলমানগণ মদীনায় বাইতুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায আদায় করেন। তারপর আল্লাহর ইচ্ছায় কাবা শরীফের দিকে কিবলাহ পরিবর্তন হয়ে যায়।
আল্লাহ তাঁর দোয়া কবুল করেন। [তাফসীর ইবনে কাসীর, ১ম খণ্ড, ৩৮ পৃষ্ঠা।] তিনি নিজ বাহিনী নিয়ে বাইতুল মাকদিসে বিজয়ীর বেশে প্রবেশ করেন এবং সাখরার স্থানে ‘গম্বুজে মূসা’ নির্মাণ করেন। তারা সেই গম্বুজের দিকে মুখ করে নামায পড়তেন। তারপর তারা তার পরিবর্তে সাখরার দিকে মুখ করে নামায পড়া শুরু করেন। শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যন্ত তা সবার কিবলা ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আমলে ১৭ মাস পর্যন্ত মুসলমানগণ মদীনায় বাইতুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামায আদায় করেন। তারপর আল্লাহর ইচ্ছায় কাবা শরীফের দিকে কিবলাহ পরিবর্তন হয়ে যায়।