১
আল আকসা মসজিদের ইতিকথা
লেখকঃ এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
৯. ইসরাইল ও ইয়াহুদা সাম্রাজ্যের অবসান এবং মা’বাদে সুলাইমান ধ্বংস
ইসরাইল ও ইয়াহুদার মধ্যে বিরোধ ও সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় খৃস্টপূর্ব ৯৭০ সালে মিসরের ফেরআউন শাইশাক জেরুসালেমসহ ইয়াহুদা সাম্রাজ্য দখল করে। ফেরাউন মা’বাদে সুলাইমানীতে সংরক্ষিত মূল্যবান জিনিসপত্র এই বলে আত্মসাত করে যে, এগুলো হযরত সুলাইমানের মিসরীয় স্ত্রী তথা রাণীর সম্পত্তি।
খৃস্টপূর্ব ৭২১ সালে আশুরীয় বাদশাহ সারজন ইসরাইল দখল করে সর্বশেষ ইসরাইলী রাজাকে আটক করে, রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে তাড়িয়ে দেয় এবং সেখানে নিজের গভর্নর নিযুক্ত করে। পরে মিসরের ফেরআউন শাইশাক আশুরীয় বাদশাহর কবল থেকে ইসরাইল দখল করে।
এই সকল রাজনৈতিক উত্থান-পতনের ফলে ব্যাবিলনের বাদশাহ বখতেনসর উত্তেজিত হয়ে পড়েন। কেননা, দাজলা উপত্যকার আশুরীয় শাসক ব্যাবিলনের রাজার প্রভাব বলয়ে ছিলেন। তিনি মিসরীয় ফেরআউনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে ইয়াহুদা ও ইসরাইল দখল করেন এবং মিসরের ফেরআউন শাইশাককে পরাজিত করেন। তিনি খৃস্টপূর্ব ৫৮৭ সালে মসজিদে আকসা ধ্বংস করেন। বহু বনি ইসরাইলকে ব্যাবিলনে বন্দী করে নিয়ে যান। কিছুসংখ্যক বনি ইসরাইল মিসরসহ অন্যান্য দেশের দিকে পালিয়ে যায়। ইতিহাসে এটাকে ‘ব্যাবিলনের বন্দী’ যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কোরআন মজীদে এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বর্ণিত হয়েছে।
وَقَضَيْنَا إِلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ فِي الْكِتَابِ لَتُفْسِدُنَّ فِي الْأَرْضِ مَرَّتَيْنِ وَلَتَعْلُنَّ عُلُوًّا كَبِيرًا، فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ أُولَاهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادًا لَنَا أُولِي بَأْسٍ شَدِيدٍ فَجَاسُوا خِلَالَ الدِّيَارِ ۚ وَكَانَ وَعْدًا مَفْعُولًا
অর্থঃ “আমরা কিতাবের মধ্যে বনি ইসরাইলকে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম, তোমরা যমীনে দুইবার বিশৃংখলা ও ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং বড় ধরনের বাড়াবাড়ি করবে। যখন ঐ দুই ফেতনার প্রথমটার সময়-কাল উপস্থিত হবে তখন আমরা তোমাদের উপর আমাদের এমন জঙ্গী শক্তিশালী লোককে বিজয়ী করবো, যারা তোমাদের ঘরে ঢুকে পড়বে। এটা এমন এক ওয়াদা ও ভবিষ্যদ্বাণী যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।” (সূরা ইসরাঃ ৪-৫)
খৃস্টপূর্ব ৭২১ সালে আশুরীয় বাদশাহ সারজন ইসরাইল দখল করে সর্বশেষ ইসরাইলী রাজাকে আটক করে, রাষ্ট্রের নাগরিকদেরকে তাড়িয়ে দেয় এবং সেখানে নিজের গভর্নর নিযুক্ত করে। পরে মিসরের ফেরআউন শাইশাক আশুরীয় বাদশাহর কবল থেকে ইসরাইল দখল করে।
এই সকল রাজনৈতিক উত্থান-পতনের ফলে ব্যাবিলনের বাদশাহ বখতেনসর উত্তেজিত হয়ে পড়েন। কেননা, দাজলা উপত্যকার আশুরীয় শাসক ব্যাবিলনের রাজার প্রভাব বলয়ে ছিলেন। তিনি মিসরীয় ফেরআউনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী পাঠিয়ে ইয়াহুদা ও ইসরাইল দখল করেন এবং মিসরের ফেরআউন শাইশাককে পরাজিত করেন। তিনি খৃস্টপূর্ব ৫৮৭ সালে মসজিদে আকসা ধ্বংস করেন। বহু বনি ইসরাইলকে ব্যাবিলনে বন্দী করে নিয়ে যান। কিছুসংখ্যক বনি ইসরাইল মিসরসহ অন্যান্য দেশের দিকে পালিয়ে যায়। ইতিহাসে এটাকে ‘ব্যাবিলনের বন্দী’ যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কোরআন মজীদে এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বর্ণিত হয়েছে।
وَقَضَيْنَا إِلَىٰ بَنِي إِسْرَائِيلَ فِي الْكِتَابِ لَتُفْسِدُنَّ فِي الْأَرْضِ مَرَّتَيْنِ وَلَتَعْلُنَّ عُلُوًّا كَبِيرًا، فَإِذَا جَاءَ وَعْدُ أُولَاهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادًا لَنَا أُولِي بَأْسٍ شَدِيدٍ فَجَاسُوا خِلَالَ الدِّيَارِ ۚ وَكَانَ وَعْدًا مَفْعُولًا
অর্থঃ “আমরা কিতাবের মধ্যে বনি ইসরাইলকে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলাম, তোমরা যমীনে দুইবার বিশৃংখলা ও ফেতনা ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং বড় ধরনের বাড়াবাড়ি করবে। যখন ঐ দুই ফেতনার প্রথমটার সময়-কাল উপস্থিত হবে তখন আমরা তোমাদের উপর আমাদের এমন জঙ্গী শক্তিশালী লোককে বিজয়ী করবো, যারা তোমাদের ঘরে ঢুকে পড়বে। এটা এমন এক ওয়াদা ও ভবিষ্যদ্বাণী যা অবশ্যই সংঘটিত হবে।” (সূরা ইসরাঃ ৪-৫)