১
আল আকসা মসজিদের ইতিকথা
লেখকঃ এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
ইহুদী চিন্তার আলোকে পবিত্র স্থান ও হাইকাল
ইহুদীরা হাইকালে মুসলিম উত্তরাধিকার স্বীকার করে না। তারা হাইকালকে ইহুদী ধর্মের আলোকে পুনঃ নির্মাণ করতে চায়। তাদের ধারণা ইসলামের পূর্বে হাইকালকে ২ বার ভাঙ্গা হয়েছে। তাই এখন তাদের ৩য় হাইকাল নির্মাণ করতে হবে। তাদের আরো ধারণা, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের হাতে পড়ে হাইকালের বহু বিকৃতি ঘটেছে, সে বিকৃতি দূর করা প্রয়োজন।
বিন গুরিয়ন ও মানাচেম বেগিন বলেছেন, জেরুসালেম ছাড়া ইসরাইলের কোন মূল্য নেই এবং হাইকাল ছাড়া জেরুসালেমের কোন অর্থ নেই। এটা এখন ইসরাইলের জাতীয় শ্লোগান হিসেবে পরিণত হয়েছে। বর্তমান যুগের ইহুদীরা ইসরাইলের জাতীয় পতাকায় হাইকালকে ছয় তারকা বিশিষ্ট প্রতিকের মর্যাদা দিয়েছে। এটা তাদের কাছে দাউদ তারকা নামে পরিচিত। ইসরাইলী পতাকার মাঝখানে ঐ প্রতীক অবস্থান করছে। তাদের গাড়ী, বিমান ট্যাংক ও ক্ষেপনাস্ত্রের মধ্যে ঐ প্রতীক বিরাজ করছে। তাদের মতে হযরত দাউদ (আঃ) হচ্ছেন ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা। অথচ তারা এর আগে ইয়াকুব (আঃ)-কে ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেছিল।
ইসরাইলের লিখিত কোন সংবিধান নেই। তাদের সর্বোচ্চ সংবিধান হচ্ছে তাওরাত। এই দৃষ্টিতে তাদের রাষ্ট্রটি হচ্ছে একটি ধর্মীয় রাষ্ট্র। আরো বেশি আরব মুসলিম রাষ্ট্র গ্রাস করার লক্ষ্যে তারা এখন পর্যন্ত ইসরাইল রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সীমানা ঘোষণা করেনি। তারা তাওরাতের বর্ণিত বৃহত্তর ভূ-খণ্ডকেই নিজেদের রাষ্ট্রের সীমানা মনে করে। ইহুদীরা তাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই কথা বলছে। যদিও তাদের মধ্যে উন্নত চারিত্রিক গুণ নেই। বাতিল ও বিকৃত ধর্মে সেরূপ চারিত্রিক গুণাবলী কিভাবে আসতে পারে? এখন আমরা হাইকাল সম্পর্কে ইহুদীদের অতীত ও বর্তমান চিন্তার উৎসসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করবো।
বিন গুরিয়ন ও মানাচেম বেগিন বলেছেন, জেরুসালেম ছাড়া ইসরাইলের কোন মূল্য নেই এবং হাইকাল ছাড়া জেরুসালেমের কোন অর্থ নেই। এটা এখন ইসরাইলের জাতীয় শ্লোগান হিসেবে পরিণত হয়েছে। বর্তমান যুগের ইহুদীরা ইসরাইলের জাতীয় পতাকায় হাইকালকে ছয় তারকা বিশিষ্ট প্রতিকের মর্যাদা দিয়েছে। এটা তাদের কাছে দাউদ তারকা নামে পরিচিত। ইসরাইলী পতাকার মাঝখানে ঐ প্রতীক অবস্থান করছে। তাদের গাড়ী, বিমান ট্যাংক ও ক্ষেপনাস্ত্রের মধ্যে ঐ প্রতীক বিরাজ করছে। তাদের মতে হযরত দাউদ (আঃ) হচ্ছেন ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা। অথচ তারা এর আগে ইয়াকুব (আঃ)-কে ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেছিল।
ইসরাইলের লিখিত কোন সংবিধান নেই। তাদের সর্বোচ্চ সংবিধান হচ্ছে তাওরাত। এই দৃষ্টিতে তাদের রাষ্ট্রটি হচ্ছে একটি ধর্মীয় রাষ্ট্র। আরো বেশি আরব মুসলিম রাষ্ট্র গ্রাস করার লক্ষ্যে তারা এখন পর্যন্ত ইসরাইল রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সীমানা ঘোষণা করেনি। তারা তাওরাতের বর্ণিত বৃহত্তর ভূ-খণ্ডকেই নিজেদের রাষ্ট্রের সীমানা মনে করে। ইহুদীরা তাদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই কথা বলছে। যদিও তাদের মধ্যে উন্নত চারিত্রিক গুণ নেই। বাতিল ও বিকৃত ধর্মে সেরূপ চারিত্রিক গুণাবলী কিভাবে আসতে পারে? এখন আমরা হাইকাল সম্পর্কে ইহুদীদের অতীত ও বর্তমান চিন্তার উৎসসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করবো।