১
আল আকসা মসজিদের ইতিকথা
লেখকঃ এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
৩. হাইকাল এবং ইহুদী পণ্ডিতদের তৈরি প্রটোকল
ইহুদীদের এই প্রটোকলটি এমন একটি বই যা বিশ্ব ইহুদী রাষ্ট্রের কল্পিত সীমানা অংকন করেছে। এই বই অনুযায়ী জেরুসালেম থেকে হযরত দাউদ (আঃ)-এর বংশধরগণ, গোটা বিশ্ব শাসন করবে। ১৮৯৭ খৃঃ সুইজারল্যান্ডের বেল শহরে আধুনিক যায়নবাদের প্রবক্তা থিওডোর হারজালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক ইহুদী সম্মেলনে ইহুদী নেতৃবৃন্দ ২৪টি প্রটোকল তৈরি করে। ঐ সম্মেলনে ৫০টি ইহুদী সংগঠনের বিরাট সংখ্যক ইহুদী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক অংশ নেয়। তখন থেকে তারা প্রতিবছর ১ বার আন্তর্জাতিক ইহুদী সম্মেলন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যা আজ পর্যন্ত অব্যাহত আছে।
ইহুদী প্রটোকলটি তাদের কাছে আধুনিক ইহুদী চিন্তাধারার উৎস বলে বিবেচিত হয়। তৃতীয় প্রটোকলে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমাদের উদ্দেশ্যের পথে যে কোন অন্তরায়কে আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবো। আমরা আম্বিয়ায়ে কেরামের শরীয়তে দেখতে পাই যে, আল্লাহ আমাদেরকে তার যমীনে শাসন করার জন্য বাছাই করেছেন এবং তিনি আমাদেরকে সেই যোগ্যতা ও প্রজ্ঞা দান করেছেন। আমরা যখন সক্ষম হব, তখন গোটা বিশ্ব শাসন করবো এবং তখন আমাদের ধর্ম ছাড়া আর কোন ধর্মকে সহ্য করবো না।” তাওরাত ও তালমুদ অনুযায়ী হাইকাল তৈরির পর তারা জেরুসালেম থেকে গোটা বিশ্বকে শাসন করার জন্য একজন শাসকের অপেক্ষা করছে।
ইহুদী প্রটোকলটি তাদের কাছে আধুনিক ইহুদী চিন্তাধারার উৎস বলে বিবেচিত হয়। তৃতীয় প্রটোকলে উল্লেখ করা হয়েছে, “আমাদের উদ্দেশ্যের পথে যে কোন অন্তরায়কে আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবো। আমরা আম্বিয়ায়ে কেরামের শরীয়তে দেখতে পাই যে, আল্লাহ আমাদেরকে তার যমীনে শাসন করার জন্য বাছাই করেছেন এবং তিনি আমাদেরকে সেই যোগ্যতা ও প্রজ্ঞা দান করেছেন। আমরা যখন সক্ষম হব, তখন গোটা বিশ্ব শাসন করবো এবং তখন আমাদের ধর্ম ছাড়া আর কোন ধর্মকে সহ্য করবো না।” তাওরাত ও তালমুদ অনুযায়ী হাইকাল তৈরির পর তারা জেরুসালেম থেকে গোটা বিশ্বকে শাসন করার জন্য একজন শাসকের অপেক্ষা করছে।