১
আল আকসা মসজিদের ইতিকথা
লেখকঃ এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
৪. যায়নবাদ ও হাইকাল
ইহুদী প্রটোকল অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে কার্যকর আন্দোলন গড়ে উঠেছে, তাকে আধুনিক যায়নবাদ আন্দোলন বলা হয়। এই আন্দোলনটি জেরুসালেম ও হাইকাল পুনঃনির্মাণ সম্পর্কে কর্মসূচী দিয়ে থাকে। যায়নবাদের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে, এটি ইহুদীদের একটি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
ইহুদী বিশ্বকোষে যায়নবাদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইহুদীরা নিজেদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা, জেরুসালেমে আগমন, শত্রুদের উপর বিজয়, মসজিদে আকসার বদলে হাইকাল নির্মাণ এবং সেখানে উপাসনা করতে চায়।
ইতিমধ্যে ইহুদীরা যায়নবাদী আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্যসমূহের কয়েকটি অর্জন করতে সফল হয়েছে। তারা ফিলিস্তিনে ফিরে এসেছে ও সেখানে ইসরাইল নামক ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে এবং জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করেছে। এখন তারা তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ইহুদী কিবলা বা ৩য় হাইকাল নির্মাণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
সেজন্য তাদের সামনে মুসলমানদের ১ম কিবলা মসজিদে আকসা ভাংগার অপেক্ষা ছাড়া আর কিছু বাকী নেই।
প্রথম ইহুদী প্রধানমন্ত্রী বিন গুরিয়ন বলেছেন, ‘আমরা সাময়িকভাবে তলোয়ার খাপবদ্ধ রেখেছি। আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা বিপন্ন হলে আমরা অবশ্যই তলোয়ার ধারণ করবো। ইহুদী জাতি নীলনদ থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত বিস্তৃত নিজ বাপ-দাদার ভূমিতে বসতি স্থাপন করবে।’ [হায়াত বিন গুরিয়ন, ৩২ পৃঃ।]
ইহুদী বিশ্বকোষে যায়নবাদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ইহুদীরা নিজেদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা, জেরুসালেমে আগমন, শত্রুদের উপর বিজয়, মসজিদে আকসার বদলে হাইকাল নির্মাণ এবং সেখানে উপাসনা করতে চায়।
ইতিমধ্যে ইহুদীরা যায়নবাদী আন্দোলনের ঘোষিত লক্ষ্যসমূহের কয়েকটি অর্জন করতে সফল হয়েছে। তারা ফিলিস্তিনে ফিরে এসেছে ও সেখানে ইসরাইল নামক ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে এবং জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করেছে। এখন তারা তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ ইহুদী কিবলা বা ৩য় হাইকাল নির্মাণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।
সেজন্য তাদের সামনে মুসলমানদের ১ম কিবলা মসজিদে আকসা ভাংগার অপেক্ষা ছাড়া আর কিছু বাকী নেই।
প্রথম ইহুদী প্রধানমন্ত্রী বিন গুরিয়ন বলেছেন, ‘আমরা সাময়িকভাবে তলোয়ার খাপবদ্ধ রেখেছি। আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা বিপন্ন হলে আমরা অবশ্যই তলোয়ার ধারণ করবো। ইহুদী জাতি নীলনদ থেকে ফোরাত নদী পর্যন্ত বিস্তৃত নিজ বাপ-দাদার ভূমিতে বসতি স্থাপন করবে।’ [হায়াত বিন গুরিয়ন, ৩২ পৃঃ।]