১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
রমাযানের রোযার গুরম্নত্ব
আলস্নাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের উপর যে কয়টি ইবাদাত ফরয করেছেন তার মধ্যে রোযা অন্যতম এবং ইসলামের মূল ভিত্তিসমূহের একটি।
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بُنِىَ الْإِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُولُه وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
আবদুলস্নাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত : ১. এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আলস্নাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম আলস্নাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
২. নামায কায়েম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. হজ্জ পালন করা। ৫. রমাযান মাসে রোযা রাখা। (সহীহ বুখারী, হা/৮; সহীহ মুসলিম, হা/১২২)
যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেয়েও এ মাসে ইবাদাত-বন্দেগী করে আলস্নাহকে রাজি খুশি করতে পারল না তার মত হতভাগা আর নেই। জিবরাঈল ফেরেশতা এবং নবী মুহাম্মাদ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বদ্দু‘আ করেছেন ঐ ব্যক্তিকে যে রমাযান মাস পেলো অথচ তার গোনাহ ক্ষমা হওয়ার আগে রমাযান বিদায় হয়ে গেল।
যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমাযানের রোযা রাখে না সে ব্যক্তির দু’টি কারণ হতে পারে : হয় সে রোযাকে একটি ফরয ইবাদাত বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে না, আর না হয় সে অলসতা করে রোযা রাখছে না।
যদি কেউ রোযা ফরয হওয়াকে অস্বীকার করে ও বলে যে, রোযা শরীয়তে ফরয নয়, তাহলে সে কাফির ও মুরতাদ। কারণ সে ইসলামের সর্বসম্মত একটি রম্নকন অস্বীকার করছে। তার এই মুরতাদ হওয়ার ফলে একজন মুরতাদের মাল ও পরিবারের ব্যাপারে যে বিধান আছে তা কার্যকর হবে। সরকারের কাছে সে হত্যাযোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে। তার গোসল-কাফন ও জানাযা হবে না এবং মুসলিমদের গোরস্থানে তাকে দাফনও করা যাবে না। অবশ্য যদি কেউ নওমুসলিম হওয়ার ফলে অথবা ইসলামী পরিবেশ ও উলামা থেকে দূরে থাকার ফলে না জেনে এ ধরনের কথা বলে থাকে তাহলে তার কথা ভিন্ন।
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بُنِىَ الْإِسْلَامُ عَلٰى خَمْسٍ شَهَادَةِ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُولُه وَإِقَامِ الصَّلَاةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَحَجِّ الْبَيْتِ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
আবদুলস্নাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত : ১. এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আলস্নাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম আলস্নাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল।
২. নামায কায়েম করা। ৩. যাকাত আদায় করা। ৪. হজ্জ পালন করা। ৫. রমাযান মাসে রোযা রাখা। (সহীহ বুখারী, হা/৮; সহীহ মুসলিম, হা/১২২)
যে ব্যক্তি রমাযান মাস পেয়েও এ মাসে ইবাদাত-বন্দেগী করে আলস্নাহকে রাজি খুশি করতে পারল না তার মত হতভাগা আর নেই। জিবরাঈল ফেরেশতা এবং নবী মুহাম্মাদ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বদ্দু‘আ করেছেন ঐ ব্যক্তিকে যে রমাযান মাস পেলো অথচ তার গোনাহ ক্ষমা হওয়ার আগে রমাযান বিদায় হয়ে গেল।
যে ব্যক্তি বিনা ওজরে রমাযানের রোযা রাখে না সে ব্যক্তির দু’টি কারণ হতে পারে : হয় সে রোযাকে একটি ফরয ইবাদাত বলে স্বীকৃতি দিচ্ছে না, আর না হয় সে অলসতা করে রোযা রাখছে না।
যদি কেউ রোযা ফরয হওয়াকে অস্বীকার করে ও বলে যে, রোযা শরীয়তে ফরয নয়, তাহলে সে কাফির ও মুরতাদ। কারণ সে ইসলামের সর্বসম্মত একটি রম্নকন অস্বীকার করছে। তার এই মুরতাদ হওয়ার ফলে একজন মুরতাদের মাল ও পরিবারের ব্যাপারে যে বিধান আছে তা কার্যকর হবে। সরকারের কাছে সে হত্যাযোগ্য অপরাধী বলে গণ্য হবে। তার গোসল-কাফন ও জানাযা হবে না এবং মুসলিমদের গোরস্থানে তাকে দাফনও করা যাবে না। অবশ্য যদি কেউ নওমুসলিম হওয়ার ফলে অথবা ইসলামী পরিবেশ ও উলামা থেকে দূরে থাকার ফলে না জেনে এ ধরনের কথা বলে থাকে তাহলে তার কথা ভিন্ন।