১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৯
যবানের রোযা
মু’মিনের যবানও রোযা রাখবে। অর্থাৎ প্রত্যেক নোংরা কথা, পরচর্চা বা গীবত, চুগলখোরী, গান-বাজনা, অশস্নীল ও মিথ্যা কথা থেকে সে বিরত থাকবে।
যবানকে হেফাযত করার গুরম্নত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে মহানবী বলেন :
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ
‘‘যে আলস্নাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নিরবতা পালন করে।’’ (মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৬০; সহীহ বুখারী, হা/৬১৩৬)
مَنْ يَّضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি আমার জন্য তার যবান ও লজ্জাস্থানের হেফাযত করার জামীন হবে, আমি (মুহাম্মাদ) তার জন্য জান্নাতের জামীন হব।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৬৪৭৪; বায়হাকী, হা/১৬৪৪৮)
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّوْرِ وَالْعَمَلَ بِه فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِيْ أَنْ يَّدَعَ طَعَامَه وَشَرَابَه
‘‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ছাড়তে পারল না তার শুধু খানা-পিনা পরিত্যাগ করাতে আলস্নাহর কোন প্রয়োজন নেই।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৬০৫৭; আবু দাউদ, হা/২৩৬৪)
এ হাদীসে খুব কঠিন ভাষায় একথাই বুঝানো হয়েছে যে, রোযাদার ব্যক্তি কখনো মিথ্যা বলতে পারে না। সে একদিকে রোযা রাখবে অপরদিকে মিথ্যা কথা ও অশস্নীল কার্যকলাপ করবে এটা তারপক্ষে শোভা পায় না বরং তার আলস্নাহকে ভয় করা উচিত এবং এসব পাপকাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এতদূর পর্যমত্ম বলেছেন যে, ‘‘রোযা রেখে কারো গীবত করলে সেই রোযার কাযা করতে হবে।’’
(মিশকাত- ১৯১৭ নং হাদীসের ব্যাখ্যা- নূর মুহাম্মাদ আজমী)
যবানকে হেফাযত করার গুরম্নত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে মহানবী বলেন :
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ
‘‘যে আলস্নাহ এবং পরকালকে বিশ্বাস করে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা নিরবতা পালন করে।’’ (মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হা/১৬৬০; সহীহ বুখারী, হা/৬১৩৬)
مَنْ يَّضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি আমার জন্য তার যবান ও লজ্জাস্থানের হেফাযত করার জামীন হবে, আমি (মুহাম্মাদ) তার জন্য জান্নাতের জামীন হব।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৬৪৭৪; বায়হাকী, হা/১৬৪৪৮)
مَنْ لَمْ يَدَعْ قَوْلَ الزُّوْرِ وَالْعَمَلَ بِه فَلَيْسَ للهِ حَاجَةٌ فِيْ أَنْ يَّدَعَ طَعَامَه وَشَرَابَه
‘‘যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা ও কাজ ছাড়তে পারল না তার শুধু খানা-পিনা পরিত্যাগ করাতে আলস্নাহর কোন প্রয়োজন নেই।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৬০৫৭; আবু দাউদ, হা/২৩৬৪)
এ হাদীসে খুব কঠিন ভাষায় একথাই বুঝানো হয়েছে যে, রোযাদার ব্যক্তি কখনো মিথ্যা বলতে পারে না। সে একদিকে রোযা রাখবে অপরদিকে মিথ্যা কথা ও অশস্নীল কার্যকলাপ করবে এটা তারপক্ষে শোভা পায় না বরং তার আলস্নাহকে ভয় করা উচিত এবং এসব পাপকাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) এতদূর পর্যমত্ম বলেছেন যে, ‘‘রোযা রেখে কারো গীবত করলে সেই রোযার কাযা করতে হবে।’’
(মিশকাত- ১৯১৭ নং হাদীসের ব্যাখ্যা- নূর মুহাম্মাদ আজমী)