hadith book logo

কাদের রোযা কবুল হয়

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২০

আশুরার রোযার ফযীলত

দশই মুহাররম অনেক ফযীলতপূর্ণ দিন। এদিন রোযা রাখার ফযীলত সম্পর্কে রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন,

أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ شَهْرُ اللهِ الْمُحَرَّمُ

‘‘রমাযানের পর সর্বোত্তম রোযা হল মুহাররম মাসের রোযা।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮১২; আবু দাউদ, হা/২৪৩১; তিরমিযী, হা/৪৩৮)

নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম আরো বলেন,

صِيَامُ يَوْمِ عَاشُرَاءَ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يَّكَفِّرَ السَّنَةَ اللَّتِىْ قَبْلَه ̒

‘‘আমি আলস্নাহর নিকট আশা রাখি যে, আশুরার রোযা বিগত একবছরের গোনাহের কাফফারাহ হয়ে যাবে।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮০৩; আবু দাউদ, হা/২৪২৭)

আশুরার রোযা আগে বা পরে একদিন মিলিয়ে দু’টি রাখা উত্তম।