১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
রমাযানের চাঁদ
يَسْأَلُوْنَكَ عَنِ الْأَهِلَّةِ قُلْ هِيَ مَوَاقِيْتُ لِلنَّاسِ وَالْحَجِّ
লোকেরা আপনাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন! তা হল মানুষ ও হজ্জের জন্য সময় নির্দেশক। (সূরা বাকারা- ১৮৯)
মহান আলস্নাহ চাঁদকে মানুষের জন্য সময় নির্দেশক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এর দ্বারা মানুষ নিজেদের ইবাদাত ও অন্যান্য বিষয়ের সময় ও তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। সুতরাং বান্দার প্রতি আলস্নাহর খাস রহমত এই যে, তিনি ফরয রোযা শুরম্ন হওয়ার বিষয়টি এমন একটি স্পষ্ট চিহ্নের উপর নির্ভরশীল করেছেন, যা সবার সামনে প্রকাশ পায়।
চাঁদ দেখে রোযা রাখতে হবে : মহানবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে ঈদ কর। কিন্তু যদি আকাশে মেঘ থাকে, তাহলে শাবানের ৩০ দিন পূর্ণ করে নাও। (সহীহ বুখারী, হা/১৯০৮; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৬৮)
সাক্ষ্য দ্বারা মাস প্রমাণ : রোযা ওয়াজিব হওয়ার জন্য প্রত্যেক মুসলিমকে চাঁদ দেখা শর্ত নয়; কিছু সংখ্যক লোক দেখলে, বরং সঠিক মতে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বসত্ম একজন ব্যক্তি দেখলেই তার দেখা মতে সেদেশের সকলের জন্য রোযা রাখা জরম্নরী হয়ে যাবে।
ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, একদা লোকেরা নতুন চাঁদ দেখতে সমবেত হল। আমি রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম-কে খবর দিলাম যে, আমি চাঁদ দেখেছি। তিনি আমার এ খবরে রোযা রাখলেন এবং লোকদেরকে রোযা রাখতে আদেশ করলেন। (আবু দাউদ, হা/২৩৪৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৪৭)
চাঁদ দেখা না গেলে রমাযান প্রবেশ হওয়া প্রমাণ করার উপায় হল, শা’বান মাসকে ৩০ দিন পূর্ণ করে নেয়া। অবশ্য এ জন্য শা’বান মাসের শুরম্নর হিসাব রাখতে হবে।
পঞ্জিকার হিসাবের উপর নির্ভর করে রোযা রাখা বা ঈদ করা যাবে না।
পূর্ব সতর্কতামূলকভাবে রমাযানের এক দিন আগে থেকে রোযা রাখা বৈধ নয়। সুতরাং এ ব্যাপারে নিজেকে ভারগ্রসত্ম করা উচিত নয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন রমাযানের আগে একটি বা দু’টি রোযা না করে। তবে তার কথা ভিন্ন, যে সেদিনে রোযা রাখায় অভ্যসত্ম। যেমন- কেউ প্রতি সোমবার রোযা রাখে, এখন রমাযানের আগের দিন সোমবার হলে সে রোযা রাখতে পারে। (সহীহ বুখারী, হা/১৭১৪; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৭০)
লোকেরা আপনাকে নতুন চাঁদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুন! তা হল মানুষ ও হজ্জের জন্য সময় নির্দেশক। (সূরা বাকারা- ১৮৯)
মহান আলস্নাহ চাঁদকে মানুষের জন্য সময় নির্দেশক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এর দ্বারা মানুষ নিজেদের ইবাদাত ও অন্যান্য বিষয়ের সময় ও তারিখ নির্ধারণ করে থাকে। সুতরাং বান্দার প্রতি আলস্নাহর খাস রহমত এই যে, তিনি ফরয রোযা শুরম্ন হওয়ার বিষয়টি এমন একটি স্পষ্ট চিহ্নের উপর নির্ভরশীল করেছেন, যা সবার সামনে প্রকাশ পায়।
চাঁদ দেখে রোযা রাখতে হবে : মহানবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখ এবং চাঁদ দেখে ঈদ কর। কিন্তু যদি আকাশে মেঘ থাকে, তাহলে শাবানের ৩০ দিন পূর্ণ করে নাও। (সহীহ বুখারী, হা/১৯০৮; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৬৮)
সাক্ষ্য দ্বারা মাস প্রমাণ : রোযা ওয়াজিব হওয়ার জন্য প্রত্যেক মুসলিমকে চাঁদ দেখা শর্ত নয়; কিছু সংখ্যক লোক দেখলে, বরং সঠিক মতে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বসত্ম একজন ব্যক্তি দেখলেই তার দেখা মতে সেদেশের সকলের জন্য রোযা রাখা জরম্নরী হয়ে যাবে।
ইবনে উমর (রাঃ) বলেন, একদা লোকেরা নতুন চাঁদ দেখতে সমবেত হল। আমি রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম-কে খবর দিলাম যে, আমি চাঁদ দেখেছি। তিনি আমার এ খবরে রোযা রাখলেন এবং লোকদেরকে রোযা রাখতে আদেশ করলেন। (আবু দাউদ, হা/২৩৪৪; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩৪৪৭)
চাঁদ দেখা না গেলে রমাযান প্রবেশ হওয়া প্রমাণ করার উপায় হল, শা’বান মাসকে ৩০ দিন পূর্ণ করে নেয়া। অবশ্য এ জন্য শা’বান মাসের শুরম্নর হিসাব রাখতে হবে।
পঞ্জিকার হিসাবের উপর নির্ভর করে রোযা রাখা বা ঈদ করা যাবে না।
পূর্ব সতর্কতামূলকভাবে রমাযানের এক দিন আগে থেকে রোযা রাখা বৈধ নয়। সুতরাং এ ব্যাপারে নিজেকে ভারগ্রসত্ম করা উচিত নয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন রমাযানের আগে একটি বা দু’টি রোযা না করে। তবে তার কথা ভিন্ন, যে সেদিনে রোযা রাখায় অভ্যসত্ম। যেমন- কেউ প্রতি সোমবার রোযা রাখে, এখন রমাযানের আগের দিন সোমবার হলে সে রোযা রাখতে পারে। (সহীহ বুখারী, হা/১৭১৪; সহীহ মুসলিম, হা/২৫৭০)