১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
আরাফার দিন রোযা রাখার ফযীলত
আরাফার দিনের অনেক ফযীলত রয়েছে। আলস্নাহ তা‘আলা আরাফার দিন মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এবং ফেরেশতাগণের সামনে গৌরব করে বলেন, আরাফার মাঠের এসকল মানুষ কী চায়? অর্থাৎ যা চায় তাই দান করা হবে।
আরাফার দিন তথা যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখের রোযার গুরম্নত্ব অপরিসীম। এ সম্পর্কে নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّيْ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِيْ قَبْلَه وَالسَّنَةَ الَّتِيْ بَعْدَهُ
‘‘আমি ধারণা করি যে, আরাফার দিনের রোযা গত বছর ও আগামী এক বছরের গোনাহের কাফফারাহ হয়ে যায়।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮০৩; তিরমিযী, হা/৭৪৯)
আরাফার দিন তথা যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখের রোযার গুরম্নত্ব অপরিসীম। এ সম্পর্কে নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন-
صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ إِنِّيْ أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِيْ قَبْلَه وَالسَّنَةَ الَّتِيْ بَعْدَهُ
‘‘আমি ধারণা করি যে, আরাফার দিনের রোযা গত বছর ও আগামী এক বছরের গোনাহের কাফফারাহ হয়ে যায়।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮০৩; তিরমিযী, হা/৭৪৯)