১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
রোযা ও জিহাদ
রমাযান যেমন কোরআন নাযিলের মাস তেমনি জিহাদ ও বিজয়ের মাস। মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের বিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য এমাসেই গুরম্নত্বপূর্ণ জিহাদগুলো সংঘঠিত হয়েছে।
রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়া সালস্নামের সময়েই রমাযান মাসে দু’টি যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটি বদরের যুদ্ধ এবং দ্বিতীয়টি মক্কা বিজয়। বদরের যুদ্ধ হয় দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ই রমাযান। বদরের যুদ্ধের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলস্নাহ তা‘আলা বলেছেন-
لِيُحِقَّ الْحَقَّ وَيُبْطِلَ الْبَاطِلَ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ
‘‘সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং বাতিলের উৎখাত করাই এ যুদ্ধের লক্ষ্য, যদিও অপরাধীরা এটা পছন্দ করে না।’’ (সূরা আনফাল- ৮)
নবীর হাতে মক্কা বিজয় হয় অষ্টম হিজরীর ২০শে রমাযান।
দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রাঃ) এর আমলে ১৫ হিজরীর ১৩ই রমাযান আমর বিন আস (রাঃ) জেরম্নজালেম জয় করেন।
মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মুকাদ্দাস এই রমাযান মাসেই জয় হয়।
পারস্য সম্রাটের প্রধান সেনাপতি রম্নসত্মম মুসলিম বাহিনীর কাছে পরাজিত ও নিহত হন ১৫ হিজরীর রমাযান মাসে এবং এতে মুসলমানদের বিজয় হয়।
তারেক বিন যিয়াদ স্পেন জয় করেন ৯২ হিজরীর রমাযান মাসে।
মুহাম্মাদ বিন কাসিমের হাতে অত্যাচারী সিন্ধু রাজা দাহির পরাজিত হয় ৯২ হিজরীর রমাযান মাসে। এই বিজয়ের ফলে ভারত উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের সূচনা হয়।
মুসলিম সেনাপতি যিয়াদ বিন আগলাবরের হাতে ইতালীর সিসিলি দ্বীপ জয় হয় ২১২ হিজরীর রমাযান মাসে।
এমাদুদ্দিন জংগীর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী উত্তর সিরিয়ার হালব শহর জয় করেন এবং খৃস্টান ক্রুসেডারদের পরাজিত করেন ৫৩২ হিজরীর রমাযান মাসে। তিনি সুয়েজ খাল অতিক্রম করে ইসরাইলী বাহিনীর উপর আক্রমণ করেন।
রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়া সালস্নামের সময়েই রমাযান মাসে দু’টি যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমটি বদরের যুদ্ধ এবং দ্বিতীয়টি মক্কা বিজয়। বদরের যুদ্ধ হয় দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ই রমাযান। বদরের যুদ্ধের উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলস্নাহ তা‘আলা বলেছেন-
لِيُحِقَّ الْحَقَّ وَيُبْطِلَ الْبَاطِلَ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُوْنَ
‘‘সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং বাতিলের উৎখাত করাই এ যুদ্ধের লক্ষ্য, যদিও অপরাধীরা এটা পছন্দ করে না।’’ (সূরা আনফাল- ৮)
নবীর হাতে মক্কা বিজয় হয় অষ্টম হিজরীর ২০শে রমাযান।
দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রাঃ) এর আমলে ১৫ হিজরীর ১৩ই রমাযান আমর বিন আস (রাঃ) জেরম্নজালেম জয় করেন।
মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্র স্থান বায়তুল মুকাদ্দাস এই রমাযান মাসেই জয় হয়।
পারস্য সম্রাটের প্রধান সেনাপতি রম্নসত্মম মুসলিম বাহিনীর কাছে পরাজিত ও নিহত হন ১৫ হিজরীর রমাযান মাসে এবং এতে মুসলমানদের বিজয় হয়।
তারেক বিন যিয়াদ স্পেন জয় করেন ৯২ হিজরীর রমাযান মাসে।
মুহাম্মাদ বিন কাসিমের হাতে অত্যাচারী সিন্ধু রাজা দাহির পরাজিত হয় ৯২ হিজরীর রমাযান মাসে। এই বিজয়ের ফলে ভারত উপমহাদেশে ইসলাম প্রচারের সূচনা হয়।
মুসলিম সেনাপতি যিয়াদ বিন আগলাবরের হাতে ইতালীর সিসিলি দ্বীপ জয় হয় ২১২ হিজরীর রমাযান মাসে।
এমাদুদ্দিন জংগীর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী উত্তর সিরিয়ার হালব শহর জয় করেন এবং খৃস্টান ক্রুসেডারদের পরাজিত করেন ৫৩২ হিজরীর রমাযান মাসে। তিনি সুয়েজ খাল অতিক্রম করে ইসরাইলী বাহিনীর উপর আক্রমণ করেন।