১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
রমাযান মাসের নামকরণ
বৎসরে বারটি মাস যায়। আলস্নাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির শুরম্ন থেকেই এ নিয়ম নির্ধারণ করেছেন। কোরআনের মধ্যে এসেছে-
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ
‘‘যেদিন আলস্নাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই আলস্নাহর নিকট মাসসমূহের সংখ্যা বারটি। এটা আলস্নাহর কিতাবে লিখিত।’’
(সূরা তাওবা- ৩৬)
চন্দ্র বৎসরের বারটি মাসের মধ্যে রমাযান মাসের নামটি অধিক পরিচিত। একমাত্র রমাযান মাসের নামটি কোরআন মাজীদে এসেছে। সুরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে উলেস্নখ আছে-
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيْ أُنْزِلَ فِيْهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدٰى وَالْفُرْقَانِ
‘‘রমাযান তো সেই মাস যে মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে, যা মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক, হিদায়াতের স্পষ্ট নিদর্শন এবং ফুরকান (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী)।’’
আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রমাযান رَمَضٌ (রামায) ধাতু হতে এসেছে।
اَلرَّمَضُ وَهُوَ شِدَّةُ اَلْحَرِّ أَوْ شِدَّةُ وَقْعِ اَلشَّمْسِ
‘রামায’ এর অর্থ হল গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরম অথবা সূর্যের অত্যাধিক উত্তাপ।
(মুফরাদাতুল কোরআন ২০৩ পৃঃ)
প্রাচীন ভাষায় এ মাসের নাম ছিল ‘নাতিক’। আরবরা পুরাতন নামগুলো পরিবর্তন করার সময় যে মাস যে ঋতুতে পড়েছিল, সে অনুযায়ী নতুনভাবে চন্দ্র মাসগুলোর নাম দিয়েছিল। পুরাতন নাতিক গ্রীষ্মের মধ্যে পড়েছিল। তাই এর নাম দেয়া হয়েছে رَمَضَانَ ‘রমাযান’। (কামুস)
অপরদিকে রমাযান মাসে মানুষের পাপসমূহ জ্বলে-পুড়ে ভষ্মীভূত হয়। এজন্য এ মাসকে রমাযান মাস বলা হয়েছে।
উলেস্নখ্য যে, মীম অক্ষর সাকিন করে ‘রম্যান’ উচ্চারণ না করে মীমের যবরসহ ‘রমাযান’ বলাই সঠিক। যেহেতু কোরআনে এভাবে এসেছে।
إِنَّ عِدَّةَ الشُّهُورِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِيْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ
‘‘যেদিন আলস্নাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই আলস্নাহর নিকট মাসসমূহের সংখ্যা বারটি। এটা আলস্নাহর কিতাবে লিখিত।’’
(সূরা তাওবা- ৩৬)
চন্দ্র বৎসরের বারটি মাসের মধ্যে রমাযান মাসের নামটি অধিক পরিচিত। একমাত্র রমাযান মাসের নামটি কোরআন মাজীদে এসেছে। সুরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে উলেস্নখ আছে-
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِيْ أُنْزِلَ فِيْهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدٰى وَالْفُرْقَانِ
‘‘রমাযান তো সেই মাস যে মাসে কোরআন নাযিল হয়েছে, যা মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক, হিদায়াতের স্পষ্ট নিদর্শন এবং ফুরকান (সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী)।’’
আভিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে রমাযান رَمَضٌ (রামায) ধাতু হতে এসেছে।
اَلرَّمَضُ وَهُوَ شِدَّةُ اَلْحَرِّ أَوْ شِدَّةُ وَقْعِ اَلشَّمْسِ
‘রামায’ এর অর্থ হল গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরম অথবা সূর্যের অত্যাধিক উত্তাপ।
(মুফরাদাতুল কোরআন ২০৩ পৃঃ)
প্রাচীন ভাষায় এ মাসের নাম ছিল ‘নাতিক’। আরবরা পুরাতন নামগুলো পরিবর্তন করার সময় যে মাস যে ঋতুতে পড়েছিল, সে অনুযায়ী নতুনভাবে চন্দ্র মাসগুলোর নাম দিয়েছিল। পুরাতন নাতিক গ্রীষ্মের মধ্যে পড়েছিল। তাই এর নাম দেয়া হয়েছে رَمَضَانَ ‘রমাযান’। (কামুস)
অপরদিকে রমাযান মাসে মানুষের পাপসমূহ জ্বলে-পুড়ে ভষ্মীভূত হয়। এজন্য এ মাসকে রমাযান মাস বলা হয়েছে।
উলেস্নখ্য যে, মীম অক্ষর সাকিন করে ‘রম্যান’ উচ্চারণ না করে মীমের যবরসহ ‘রমাযান’ বলাই সঠিক। যেহেতু কোরআনে এভাবে এসেছে।