১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
পেটের রোযা
মু’মিনের পেটও রোযা রাখে। রোযা রাখে হারাম খাদ্য খাওয়া থেকে। সুতরাং সে হারাম খাবার সাহারীতে খায় না এবং ইফতারীতেও খায় না। সুদ, ঘুষ এবং অন্যান্য হারাম উপায়ে উপার্জিত সম্পদ কখনো সে তার পেটে প্রবেশ করায় না। কেননা যে ব্যক্তি নিজ উদরে হারাম মাল প্রবেশ করায়; অর্থাৎ যার খাদ্য ও পানীয় হারাম হয় তার দু‘আ কবুল হয় না।
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا وَّإِنَّ اللهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِيْنَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِيْنَ فَقَالَ . يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوْا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوْا صَالِحًا إِنِّىْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ عَلِيْمٌ . وَقَالَ يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا كُلُوْا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيْلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ وَمَطْعَمُه ̒ حَرَامٌ وَمَشْرَبُه ̒ حَرَامٌ وَمَلْبَسُه ̒ حَرَامٌ وَغُذِىَ بِالْحَرَامِ فَأَنّٰى يُسْتَجَابُ لِذٰلِكَ
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, হে লোক সকল! নিশ্চয়ই আলস্নাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ছাড়া কোন কিছু গ্রহণ করেন না। আর আলস্নাহ তা‘আলা রাসূলদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন মু’মিনদেরকেও সেই নির্দেশ দিয়েছেন। আলস্নাহ বলেছেন, ‘‘হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র জিনিস খাও এবং নেক আমল কর। নিশ্চয়ই তোমরা যা কর সে বিষয়ে আমি অবগত আছি।’’ (সূরা মু’মিন- ৫১)
আলস্নাহ আরো বলেছেন, ‘‘হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রিযিক দান করেছি তা থেকে পবিত্র জিনিস খাও।’’ অতঃপর নবী এমন এক ব্যক্তির কথা উলেস্নখ করলেন যে দীর্ঘ সফর করে, এলোমেলো কেশবিশিষ্ট, ধূলোয় মলিন শরীর, সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, হে আমার রব! হে আমার রব! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম এবং হারামের দ্বারা সে প্রতিপালিত হয়েছে, সুতরাং কীভাবে তার দু‘আ কবুল হবে? (মুসলিম)
উপরের হাদীস থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, ইবাদাত কবুল হওয়ার জন্য হালাল রিযিক খাওয়া পূর্বশর্ত।
রাসূল সালস্নালস্নাহু ‘আলাইহি ওয়া সালস্নাম আরো বলেছেন, যে শরীর হারাম দ্বারা প্রতিপালিত তার জন্য জাহান্নামের আগুনই উপযুক্ত। (মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/৭১৬৪; জামেউস সগীর, হা/৮৬৪৮)
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا وَّإِنَّ اللهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِيْنَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسَلِيْنَ فَقَالَ . يَا أَيُّهَا الرُّسُلُ كُلُوْا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوْا صَالِحًا إِنِّىْ بِمَا تَعْمَلُوْنَ عَلِيْمٌ . وَقَالَ يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا كُلُوْا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا رَزَقْنَاكُمْ ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطِيْلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ وَمَطْعَمُه ̒ حَرَامٌ وَمَشْرَبُه ̒ حَرَامٌ وَمَلْبَسُه ̒ حَرَامٌ وَغُذِىَ بِالْحَرَامِ فَأَنّٰى يُسْتَجَابُ لِذٰلِكَ
আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, হে লোক সকল! নিশ্চয়ই আলস্নাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ছাড়া কোন কিছু গ্রহণ করেন না। আর আলস্নাহ তা‘আলা রাসূলদেরকে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন মু’মিনদেরকেও সেই নির্দেশ দিয়েছেন। আলস্নাহ বলেছেন, ‘‘হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র জিনিস খাও এবং নেক আমল কর। নিশ্চয়ই তোমরা যা কর সে বিষয়ে আমি অবগত আছি।’’ (সূরা মু’মিন- ৫১)
আলস্নাহ আরো বলেছেন, ‘‘হে ঈমানদারগণ! আমি তোমাদেরকে যে রিযিক দান করেছি তা থেকে পবিত্র জিনিস খাও।’’ অতঃপর নবী এমন এক ব্যক্তির কথা উলেস্নখ করলেন যে দীর্ঘ সফর করে, এলোমেলো কেশবিশিষ্ট, ধূলোয় মলিন শরীর, সে আকাশের দিকে হাত তুলে বলে, হে আমার রব! হে আমার রব! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম এবং হারামের দ্বারা সে প্রতিপালিত হয়েছে, সুতরাং কীভাবে তার দু‘আ কবুল হবে? (মুসলিম)
উপরের হাদীস থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, ইবাদাত কবুল হওয়ার জন্য হালাল রিযিক খাওয়া পূর্বশর্ত।
রাসূল সালস্নালস্নাহু ‘আলাইহি ওয়া সালস্নাম আরো বলেছেন, যে শরীর হারাম দ্বারা প্রতিপালিত তার জন্য জাহান্নামের আগুনই উপযুক্ত। (মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/৭১৬৪; জামেউস সগীর, হা/৮৬৪৮)