১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
শাওয়াল মাসের ছয়টি রোযার ফযীলত
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَه سِتًّا مِّنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
আবূ আইয়ূবের বর্ণিত হাদীসে রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রমাযান মাসে রোযা রাখল এবং শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোযা রাখল সে যেন সারা বছর রোযা রাখল।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮১৫; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৮৭৯)
এ হাদীসটির উপর আমল করা সকলের উচিত। একটি নেক আমলের সওয়াব সর্বনিম্ন দশ দেয়া হয়। তাই রমাযানের ত্রিশ রোযা ৩০০ দিন আর শাওয়ালে ৬টি রোযা ৬০ দিনের সমান হয়। এতে ৩৬০ দিন পূর্ণ হয়ে যায় যা একবছরের বেশি হয়, কারণ আরবী বছর ৩৫৪ দিনে হয়ে থাকে। এ রোযাগুলো পূর্ণ মাসের যেকোন সময়ে রাখা যায়, একসাথে না রেখে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও রাখা যায়।
আবূ আইয়ূবের বর্ণিত হাদীসে রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রমাযান মাসে রোযা রাখল এবং শাওয়াল মাসে আরো ছয়টি রোযা রাখল সে যেন সারা বছর রোযা রাখল।’’ (সহীহ মুসলিম, হা/২৮১৫; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/২৮৭৯)
এ হাদীসটির উপর আমল করা সকলের উচিত। একটি নেক আমলের সওয়াব সর্বনিম্ন দশ দেয়া হয়। তাই রমাযানের ত্রিশ রোযা ৩০০ দিন আর শাওয়ালে ৬টি রোযা ৬০ দিনের সমান হয়। এতে ৩৬০ দিন পূর্ণ হয়ে যায় যা একবছরের বেশি হয়, কারণ আরবী বছর ৩৫৪ দিনে হয়ে থাকে। এ রোযাগুলো পূর্ণ মাসের যেকোন সময়ে রাখা যায়, একসাথে না রেখে ভেঙ্গে ভেঙ্গেও রাখা যায়।