১
কাদের রোযা কবুল হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
রোযা না রাখার শাসিত্ম
যদি কেউ অলসতা করে রোযা না রাখে তাহলে সে কবিরা গোনাহ করল। সে ভয়ানক কঠিন শাসিত্মর সম্মুখীন হবে।
আবূ উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, আমি শুয়েছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দু’জন (ফেরেশ্তা) আসলেন। তারা আমার পার্শ্ব ধরে একটি পাহাড়ের নিকট নিয়ে গেলেন। তারা উভয়ে আমাকে বললেন, পাহাড়ে আরোহণ করম্নন। আমি বললাম, আমি এতে আরোহণ করতে পারব না। তারা বললেন, আমরা আপনার জন্য তা সহজ করে দেব। তখন আমি সেখানে আরোহণ করলাম, এমনকি আমি পাহাড়ের চূঁড়ায় পৌঁছে গেলাম। সেখানে আমি কঠিন চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম এ আওয়াজ কিসের? তারা বললেন, এ হল জাহান্নামীদের কান্না-কাটির আওয়াজ। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে সামনে চললেন, সেখানে আমি কিছু লোককে উল্টো ঝুলমত্ম অবস্থায় দেখলাম যাদের মুখ ফাটা এবং রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, আমি জিজ্ঞেস করলাম এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সব লোক যারা রোযার দিন সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে নিত। অর্থাৎ তারা যথা নিয়মে রোযা রাখত না। (সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৭৪৯১)
মুসত্মফা মুহাম্মাদ আম্মারাহ তাঁর তারগীবের টীকায় বলেন, হাদীসের ভাবার্থ এই যে, মহান আলস্নাহ তাঁর নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নামকে রোযা ভঙ্গকারীদের আযাব সম্বন্ধে অবগত করেছেন। তিনি দেখেছেন তাদের সেই দুর্দশা; তাদের আকার-আকৃতি ছিল বড়ই মর্মামিত্মক ও নিকৃষ্ট। কঠিন যন্ত্রণায় তারা কুকুর ও নেকড়ের মত চিৎকার করছে। তারা সাহায্য প্রার্থনা করছে অথচ কোন সাহায্যকারী নেই। তাদের পায়ের শেষ প্রামেত্ম জাহান্নামের রশি দিয়ে কসাইখানায় যবাই করা ছাগলের মত তাদেরকে নিম্নমুখী করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর তাদের মুখ ভরে রক্ত ঝরছে। নাঊযু বিলস্নাহি মিন যালিক!
আশা করি নাফরমান বেরোযাদার মুসলিম সম্প্রদায় এই আযাবের কথা জেনে আলস্নাহর নিকট তওবা করবে এবং আলস্নাহর সেই আযাবকে ভয় করে যথা নিয়মে রোযা পালন করবে।
আবূ উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুলস্নাহ সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, আমি শুয়েছিলাম এমতাবস্থায় আমার নিকট দু’জন (ফেরেশ্তা) আসলেন। তারা আমার পার্শ্ব ধরে একটি পাহাড়ের নিকট নিয়ে গেলেন। তারা উভয়ে আমাকে বললেন, পাহাড়ে আরোহণ করম্নন। আমি বললাম, আমি এতে আরোহণ করতে পারব না। তারা বললেন, আমরা আপনার জন্য তা সহজ করে দেব। তখন আমি সেখানে আরোহণ করলাম, এমনকি আমি পাহাড়ের চূঁড়ায় পৌঁছে গেলাম। সেখানে আমি কঠিন চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পেলাম। আমি জিজ্ঞেস করলাম এ আওয়াজ কিসের? তারা বললেন, এ হল জাহান্নামীদের কান্না-কাটির আওয়াজ। অতঃপর তারা আমাকে নিয়ে সামনে চললেন, সেখানে আমি কিছু লোককে উল্টো ঝুলমত্ম অবস্থায় দেখলাম যাদের মুখ ফাটা এবং রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, আমি জিজ্ঞেস করলাম এরা কারা? তারা বললেন, এরা ঐ সব লোক যারা রোযার দিন সময় হওয়ার আগেই ইফতার করে নিত। অর্থাৎ তারা যথা নিয়মে রোযা রাখত না। (সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯৮৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৭৪৯১)
মুসত্মফা মুহাম্মাদ আম্মারাহ তাঁর তারগীবের টীকায় বলেন, হাদীসের ভাবার্থ এই যে, মহান আলস্নাহ তাঁর নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নামকে রোযা ভঙ্গকারীদের আযাব সম্বন্ধে অবগত করেছেন। তিনি দেখেছেন তাদের সেই দুর্দশা; তাদের আকার-আকৃতি ছিল বড়ই মর্মামিত্মক ও নিকৃষ্ট। কঠিন যন্ত্রণায় তারা কুকুর ও নেকড়ের মত চিৎকার করছে। তারা সাহায্য প্রার্থনা করছে অথচ কোন সাহায্যকারী নেই। তাদের পায়ের শেষ প্রামেত্ম জাহান্নামের রশি দিয়ে কসাইখানায় যবাই করা ছাগলের মত তাদেরকে নিম্নমুখী করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আর তাদের মুখ ভরে রক্ত ঝরছে। নাঊযু বিলস্নাহি মিন যালিক!
আশা করি নাফরমান বেরোযাদার মুসলিম সম্প্রদায় এই আযাবের কথা জেনে আলস্নাহর নিকট তওবা করবে এবং আলস্নাহর সেই আযাবকে ভয় করে যথা নিয়মে রোযা পালন করবে।