hadith book logo

কাদের রোযা কবুল হয়

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৭

ইফতার প্রসঙ্গ

সূর্য ডুবার সাথে সাথেই ইফতারের সময় হয়ে যায় :

উমর (রাঃ) বলেন, নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, যখন রাত্রি এসে যাবে, দিন বিদায় নেবে, সূর্য অসত্মমিত হবে তখন রোযাদার ব্যক্তি ইফতার করবে। (সহীহ বুখারী, হা/১৯৫৪; সহীহ মুসলিম, হা/২৬১২)

তাড়াতাড়ি ইফতার করার গুরম্নত্ব :

রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, লোকেরা যতদিন তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে, কারণ ইয়াহূদীরা দেরীতে ইফতার করে থাকে। অন্য বর্ণনায় আছে, ইসলাম ততদিন প্রভাবশালী হয়ে থাকবে যতদিন লোকেরা তাড়াতাড়ি ইফতার করবে। (আবু দাউদ, হা/২৩৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৮০৯)

উক্ত হাদীস দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে, সূর্য ডুবার সাথে সাথে ইফতার করা সুন্নাত, দেরী করা সমীচীন নয়।

ইফতারের পর দু‘আ :

ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوْقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللهُ

যাহাবায যামাউ ওয়াব তালস্নাতিল উরূকু ওয়াসাবাতাল আজরম্ন ইনশাআলস্নাহ

অর্থ : পিপাসা দূর হল, শরীরের শিরাগুলো সতেজ হল এবং আলস্নাহ চান তো রোযার সওয়াব নির্ধারিত হল। (আবু দাঊদ, হা/২৩৫৯; মুসনাদুল বাযযার, হা/৫৩৯৫)

খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নাত :

রাসূল সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম তাজা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন, তাজা খেজুর না পেলে শুকনা খেজুর দিয়ে আর যদি শুকনা খেজুরও না পেতেন তবে কয়েক ঢোক পানি পান করে নিতেন। (আবু দাউদ, হা/২৩৫৮; তিরমিযী, হা/৬৯৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৬৯৮)

রোযাদারকে ইফতার করানোর ফযীলত :

مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كَانَ لَه مِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَه مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْتَقِصَ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْئًا - وَمَنْ جَهَّزَ غَازِيًا أَوْ خَلَفَه فِىْ أَهْلِه كَانَ لَه مِثْلُ أَجْرِه مِنْ غَيْرِ أَنْ يَنْتَقِصَ مِنْ أَجْرِه شَيْئًا

নবী সালস্নালস্নাহু আলাইহি ওয়াসালস্নাম বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে অথবা কোন যোদ্ধাকে জিহাদের আসবাবপত্র সংগ্রহ করে দেবে বা তার পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করবে সে রোযাদার ও মুজাহিদের সমান সওয়াব পাবে তবে রোযাদার ও মুজাহিদের সওয়াব থেকে বিন্দু মাত্র কমানো হবে না। (তিরমিযী, হা/৮০৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৪৬)