১
তাওহীদ ও আকাইদ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২০
পঞ্চমত : মাল সম্পদের সংরক্ষণ:—
সম্পদ মানব জীবনের এমন একটি প্রয়োজনীয় জিনিস যা ব্যতীত মানুষ জীবনের সার্থকতা খুঁজে পায় না, চলার গতি ঠিক থাকে না। বরং সম্পদ ব্যতীত মানুষ বাঁচতেই পারে না। সম্পদ জীবনের নার্ভ ও শিরা। আল্লাহ তাআলা বলেন:—
وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا وَارْزُقُوهُمْ فِيهَا وَاكْسُوهُمْ وَقُولُوا لَهُمْ قَوْلًا مَعْرُوفًا ﴿5﴾ ( النساء :5)
‘আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন যাত্রার অবলম্বন করেছেন তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিয়ো না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও ও পরিধেয় প্রদান কর এবং তাদের সাথে ভাল ভাল কথা বল।’ [সূরা : নিসা : ৫]
ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সব ক্ষেত্রেই সম্পদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। মাল ও সম্পদ বলতে এখানে ঐ সকল জিনিসকেই বুঝানো হয়েছে যার দ্বারা মানুষ নিজেদের প্রয়োজন পূর্ণ করে, জমা করে, সঞ্চয় করে এবং ভোগ করে। এটি দ্রব্য সামগ্রীও হতে পারে আবার অর্থ কড়ি ও হতে পারে বা এ জাতীয় অন্য কিছুও হতে পারে। শরিয়ত সম্পদকে দুই ভাবে সংরক্ষণ করেছে:
(১) ইতি বাচক পদ্ধতিতে : আর সেটি সম্পদ উপার্জন অনুমোদিত পন্থায় খরচ করার উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে।
(২) নেতিবাচক পদ্ধতিতে :
আর সেটি সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন ও বাড়া বাড়িকে হারাম, এ পন্থা রোধ এবং চোর বাটপার দুর্নীতি বাজদের শাস্তি ও দন্ডবিধান প্রবর্তনের মাধ্যমে।
শরীয়তে ইসলামিয়া অপরাধের বিপরীতে দন্ডবিধান করার ক্ষেত্রে একটি মাপকাঠি ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা রেখেছে যে, যে অপরাধের শাস্তি যতটুকু হলে অপরাধ বন্ধ হবে এবং অপরাধের মাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, ঠিক ততটুকু শাস্তিরই বিধান করা হয়েছে একটুও বাড়াবাড়ি করা হয়নি। আর হবেই বা কেন ? এ যে প্রজ্ঞাময় বিচক্ষণ, সর্বজ্ঞ আল্লাহ তাআলার প্রবর্তন।
وَلَا تُؤْتُوا السُّفَهَاءَ أَمْوَالَكُمُ الَّتِي جَعَلَ اللَّهُ لَكُمْ قِيَامًا وَارْزُقُوهُمْ فِيهَا وَاكْسُوهُمْ وَقُولُوا لَهُمْ قَوْلًا مَعْرُوفًا ﴿5﴾ ( النساء :5)
‘আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন যাত্রার অবলম্বন করেছেন তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিয়ো না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও ও পরিধেয় প্রদান কর এবং তাদের সাথে ভাল ভাল কথা বল।’ [সূরা : নিসা : ৫]
ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত সব ক্ষেত্রেই সম্পদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। মাল ও সম্পদ বলতে এখানে ঐ সকল জিনিসকেই বুঝানো হয়েছে যার দ্বারা মানুষ নিজেদের প্রয়োজন পূর্ণ করে, জমা করে, সঞ্চয় করে এবং ভোগ করে। এটি দ্রব্য সামগ্রীও হতে পারে আবার অর্থ কড়ি ও হতে পারে বা এ জাতীয় অন্য কিছুও হতে পারে। শরিয়ত সম্পদকে দুই ভাবে সংরক্ষণ করেছে:
(১) ইতি বাচক পদ্ধতিতে : আর সেটি সম্পদ উপার্জন অনুমোদিত পন্থায় খরচ করার উৎসাহ দেয়ার মাধ্যমে।
(২) নেতিবাচক পদ্ধতিতে :
আর সেটি সম্পদ উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন ও বাড়া বাড়িকে হারাম, এ পন্থা রোধ এবং চোর বাটপার দুর্নীতি বাজদের শাস্তি ও দন্ডবিধান প্রবর্তনের মাধ্যমে।
শরীয়তে ইসলামিয়া অপরাধের বিপরীতে দন্ডবিধান করার ক্ষেত্রে একটি মাপকাঠি ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা রেখেছে যে, যে অপরাধের শাস্তি যতটুকু হলে অপরাধ বন্ধ হবে এবং অপরাধের মাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে, ঠিক ততটুকু শাস্তিরই বিধান করা হয়েছে একটুও বাড়াবাড়ি করা হয়নি। আর হবেই বা কেন ? এ যে প্রজ্ঞাময় বিচক্ষণ, সর্বজ্ঞ আল্লাহ তাআলার প্রবর্তন।