১
তাওহীদ ও আকাইদ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৮
(২) আশা করা
মানুষ রাসুলের অনুসরণ করে আল্লাহর জন্য যে সব ইবাদত করবে, তাতে সে আল্লাহর কাছে সাওয়াবের আশা করবে। আল্লাহ বিশাল দান ও অগণিত অনুগ্রহে সে আনন্দিত হবে। এ অনুগ্রহ ও নেয়ামতসমূহের জন্যও সে আল্লাহর রহমত কামনা করবে। আল্লাহ বলেন,
إِنَّ الَّذِينَ آَمَنُوا وَالَّذِينَ هَاجَرُوا وَجَاهَدُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أُولَئِكَ يَرْجُونَ رَحْمَةَ اللَّهِ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿ البقرة :218﴾
‘এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে, আর আল্লাহর পথে জেহাদ করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী, করুনাময়।’ [সূরা : আলা বাক্বারা : ২১৮]
আল্লাহ তাআলা বলেন,
مَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ اللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ اللَّهِ لَآَتٍ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿ العنكبوت :5﴾
‘যে আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে (সে জেনে রাখুক) আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।’ [আনক্বাবুত : ৫]
যখন বান্দা কো্ন গুনাহ করে বসে পাপাচারে সীমা লঙ্ঘণ করে, তাকে আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হবে না এবং আল্লাহর ক্ষমা হতে হতাশ হতে পারে না। বরং তাকে দ্রুত তাওবা করতে হবে, গুনাহ হতে আল্লাহর নিকট মুক্তির আশায়। আল্লাহ বলেন-
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴿ الزمر : 53﴾
‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ [আল যুমার : ৫৩]
হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন,
أنا عند ظن عبدي بي فليظن بي ما شاء ( سنن الدارمى : 2615)
‘আমি আমার বান্দার ধারণামত হয়ে থাকি। অতএব সে আমাকে যেমন চায় ধারণা করুক।’ [দারেমি:২৬১৫]
বান্দার জন্য উচিত আল্লাহর রহমত, সাওয়াব এবং ক্ষমা কামনার সাথে সাথে শরীয়ত মত আমল করা, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধকে বাস্তবে রূপ দানে সাধনা করা। যেমনটি আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَمَنْ كَانَ يَرْجُوا لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا ﴿الكهف :110 ﴾
‘যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার ইবাদতে কাউকে শরীক না করে।’ [সূরা কাহফ : ১১০]
কারণ আমল ছাড়া বড় বড় আশা করা ধোকাবাজী ছাড়া আর কিছু নয়।
إِنَّ الَّذِينَ آَمَنُوا وَالَّذِينَ هَاجَرُوا وَجَاهَدُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أُولَئِكَ يَرْجُونَ رَحْمَةَ اللَّهِ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَحِيمٌ ﴿ البقرة :218﴾
‘এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, যারা ঈমান এনেছে এবং যারা হিজরত করেছে, আর আল্লাহর পথে জেহাদ করেছে, তারা আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ হচ্ছেন ক্ষমাকারী, করুনাময়।’ [সূরা : আলা বাক্বারা : ২১৮]
আল্লাহ তাআলা বলেন,
مَنْ كَانَ يَرْجُو لِقَاءَ اللَّهِ فَإِنَّ أَجَلَ اللَّهِ لَآَتٍ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿ العنكبوت :5﴾
‘যে আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে (সে জেনে রাখুক) আল্লাহর সেই নির্ধারিত কাল অবশ্যই আসবে। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।’ [আনক্বাবুত : ৫]
যখন বান্দা কো্ন গুনাহ করে বসে পাপাচারে সীমা লঙ্ঘণ করে, তাকে আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হবে না এবং আল্লাহর ক্ষমা হতে হতাশ হতে পারে না। বরং তাকে দ্রুত তাওবা করতে হবে, গুনাহ হতে আল্লাহর নিকট মুক্তির আশায়। আল্লাহ বলেন-
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَى أَنْفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِنْ رَحْمَةِ اللَّهِ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ﴿ الزمر : 53﴾
‘বলুন, হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল পাপ ক্ষমা করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ [আল যুমার : ৫৩]
হাদীসে কুদসীতে আল্লাহ বলেন,
أنا عند ظن عبدي بي فليظن بي ما شاء ( سنن الدارمى : 2615)
‘আমি আমার বান্দার ধারণামত হয়ে থাকি। অতএব সে আমাকে যেমন চায় ধারণা করুক।’ [দারেমি:২৬১৫]
বান্দার জন্য উচিত আল্লাহর রহমত, সাওয়াব এবং ক্ষমা কামনার সাথে সাথে শরীয়ত মত আমল করা, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজের নিষেধকে বাস্তবে রূপ দানে সাধনা করা। যেমনটি আল্লাহ তাআলা বলেন,
فَمَنْ كَانَ يَرْجُوا لِقَاءَ رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا ﴿الكهف :110 ﴾
‘যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার ইবাদতে কাউকে শরীক না করে।’ [সূরা কাহফ : ১১০]
কারণ আমল ছাড়া বড় বড় আশা করা ধোকাবাজী ছাড়া আর কিছু নয়।