১
তাওহীদ ও আকাইদ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৬
তাক্বদীরের উপর বিশ্বাসের স্তরসমূহ
তাক্বদীরে বিশ্বাসের চারটি স্তর রয়েছে :
আল-ইলম বা জানা : এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল সৃষ্টির জন্য কোন বস্ত্ত সৃষ্টির পূর্বেই তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত এবং বিস্তারিত সবকিছুর সম্পর্কেই আল্লাহ তাআলার অবগত হয়ে থাকেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا ﴿40﴾ ( الأحزاب : ৪০)
‘আল্লাহ সর্ব বিষয় জ্ঞাত’। [সূরা : আল-আহজাব, আয়াত-৪০]
আল-কিতাবাহ বা লিখন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য আকাশ এবং পৃথিবীসমূহ সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে আল্লাহ তাআলার সব কিছু লাউহে মাহফুজে লেখে রেখেছেন। দলীল, আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ ﴿22﴾.( ألحديد : ২২)
অর্থ: পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর এমন কোন বিপদ আসে না, যা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। নিশ্চয় এ আল্লাহর পক্ষে সহজ। [সূরা : আল হাদীদ, আয়াত- ২২]
আল-মাশিয়্যাত বা ইচ্ছা : এর উদ্দেশ্য আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তাই হয়, আর তিনি যা ইচ্ছে করেন না তা কখনোই হয় না। দলীল, আল্লাহর বাণী
وَرَبُّكَ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ﴿68﴾. ( القصص : ৬৮)
অর্থ: ‘আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন।’ [সূরা আল-কাসাস, আয়াত-৬৮]
আল-খালকু বা সৃষ্টি: এর উদ্দেশ্য সারা জগত তার সকল অস্তিত্ব, রূপ এবং কর্মসহ একমাত্র আল্লাহরই সৃষ্টি বা মাখলুক। দলীল, আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا ﴿2﴾. ( الفرقان : ২)
অর্থ: ‘তিনি প্রত্যেক বস্ত্ত সৃষ্টি করেছেন, অত:পর শোধিত করেছে পরিমিতভাবে।’ [সূরা : আল-ফোরকান, আয়াত- ২]
আল-ইলম বা জানা : এর দ্বারা উদ্দেশ্য হল সৃষ্টির জন্য কোন বস্ত্ত সৃষ্টির পূর্বেই তার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত এবং বিস্তারিত সবকিছুর সম্পর্কেই আল্লাহ তাআলার অবগত হয়ে থাকেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—
وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا ﴿40﴾ ( الأحزاب : ৪০)
‘আল্লাহ সর্ব বিষয় জ্ঞাত’। [সূরা : আল-আহজাব, আয়াত-৪০]
আল-কিতাবাহ বা লিখন: এর দ্বারা উদ্দেশ্য আকাশ এবং পৃথিবীসমূহ সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে আল্লাহ তাআলার সব কিছু লাউহে মাহফুজে লেখে রেখেছেন। দলীল, আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
مَا أَصَابَ مِنْ مُصِيبَةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي أَنْفُسِكُمْ إِلَّا فِي كِتَابٍ مِنْ قَبْلِ أَنْ نَبْرَأَهَا إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ ﴿22﴾.( ألحديد : ২২)
অর্থ: পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর এমন কোন বিপদ আসে না, যা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। নিশ্চয় এ আল্লাহর পক্ষে সহজ। [সূরা : আল হাদীদ, আয়াত- ২২]
আল-মাশিয়্যাত বা ইচ্ছা : এর উদ্দেশ্য আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন তাই হয়, আর তিনি যা ইচ্ছে করেন না তা কখনোই হয় না। দলীল, আল্লাহর বাণী
وَرَبُّكَ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ﴿68﴾. ( القصص : ৬৮)
অর্থ: ‘আপনার প্রভু যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন।’ [সূরা আল-কাসাস, আয়াত-৬৮]
আল-খালকু বা সৃষ্টি: এর উদ্দেশ্য সারা জগত তার সকল অস্তিত্ব, রূপ এবং কর্মসহ একমাত্র আল্লাহরই সৃষ্টি বা মাখলুক। দলীল, আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا ﴿2﴾. ( الفرقان : ২)
অর্থ: ‘তিনি প্রত্যেক বস্ত্ত সৃষ্টি করেছেন, অত:পর শোধিত করেছে পরিমিতভাবে।’ [সূরা : আল-ফোরকান, আয়াত- ২]