hadith book logo

তাওহীদ ও আকাইদ

লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৮১

সিংগায় ফুক:

ফুঁক দিবেন ফিরিশ্তা ইস্রাফিল। বিশুদ্ধ মত হচ্ছে তিনি সিংগায় ফুঁক দিবেন তিনবার।

(১) نفخة الفزع ভীত বিহবল ফুঁক।

যার বর্ণনা সূরা আন-নমলে এসেছে, আল্লাহ বলেন:

وَيَوْمَ يُنْفَخُ فِي الصُّورِ فَفَزِعَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّه ُ ( النمل : 87)

যেদিন সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে, অতঃপর আল্লাহ যাদেরকে ইচ্ছা করবেন, তারা ব্যতীত নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে যারা আছে তারা ভীতবিহবল হয়ে পড়বে। [সূরা : আন-নামল : ৮৭]

(২) সংজ্ঞাহীনতার ফুকঃ

وَنُفِخَ فِي الصُّورِ فَصَعِقَ مَنْ فِي السَّمَاوَاتِ وَمَنْ فِي الْأَرْضِ إِلَّا مَنْ شَاءَ اللَّه ُ .( الزمر : 68)

‘সিংগায় ফুঁক দেয়া হবে ফলে আসমান ও যমীনে যারা আছে সবাই বেহুশ হয়ে যাবে তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন।’ [সূরা : আযযুমার : ৬৮]

এই ফুৎকারের মাধ্যমে সব কিছু ধ্বংস ও সকল জীবের মৃত্যু হবে এক মাত্র আল্লাহ তাআলা ছাড়া।

(৩) পূণরুত্থানের ফুঁক:

এ ফুঁকে মানুষ কবর হতে উঠবে আল্লাহ বলেন-

ثُمَّ نُفِخَ فِيهِ أُخْرَى فَإِذَا هُمْ قِيَامٌ يَنْظُرُونَ ﴿ الزمر : 68 ﴾

অতঃপর আবার সিংগায় ফুঁক দেয়া হবে তৎক্ষনাৎ তারা দন্ডায়মান হয়ে দেখতে থাকবে। [সূরা : যুমার : ৬৮]

শেষ দুই ফুঁকের মধ্যে দূরত্ব সম্পর্কে রাসূলের হাদীসে বর্ণনা এসেছে: ما بين النفختين أربعون ( متفق عليه ) দুই ফুৎকারের মধ্যে ব্যবধান চল্লিশ’’ [মুত্তাফাকুন আলাইহি] তবে চল্লিশবছর মাস দিন এ রকম কোন ব্যাখ্যা তিনি দেন নাই এ বিষয় আল্লাহ ভালো জানেন।