১
তাওহীদ ও আকাইদ
লেখকঃ সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৫
ইবাদতের ভিত্তি হচ্ছে আনুগত্য :
অর্থাৎ ইবাদতের মধ্যে আসল হচ্ছে আনুগত্য। এর মানে হচ্ছে আল্লাহর কিতাব এবং তার রাসূলের সুন্নতে যে বিষয় প্রমাণিত নয় তা ইবাদত হিসাবে মনে করা কোন মাখলূকের জন্য বৈধ নয়। প্রমাণ: নবী (সা:) বলেন: من عمل عملا ليس عليه أمرنا فهو رد . ( صحيح البخاري :2499 ‘যে ব্যক্তি কোন কাজ করল অথচ ঐ কাজে আমার কোন অনুমোদন নেই, তা প্রত্যাখাত।’ [বুখারি: ২৪৯৯]
অন্য বর্ণনায় এসেছে নবী কারীম সা. বলেন: যে ব্যক্তি আমার শরীয়তে কোন নতুন আবিষ্কার করল, যা শরীয়ত সমর্থন করে না, তা প্রত্যাখ্যাত।
এজন্য আমরা দেখতে পাই এক দল সাহাবীদের কাজকে রাসূল সা. প্রত্যাখ্যান করেছেন । যারা রাসূল সা. এর ইবাদত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর নিজেদের ইবাদতকে খুবই কম মনে করল। আর বলল, যার পূর্বাপর সকল গুনাহ মাফ তিনি এতো ইবাদত করেন? একজন বলে উঠল, আমি আজীবন পুরো রাত নামাজ পড়ব। অপর জন বলল, আমি সারা বছর রোজা পালন করব, কখনো রোজা ছাড়ব না। অন্যজন বলল, আমি বিবাহ করবো না। চিরকুমার থাকব। অত:পর নবীজী আসলেন এবং বললেন, তোমরা এ ধরণের কথা বলছিলে? আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের চেয়ে অনেক বেশী আল্লাহকে ভয় করি। অথচ রোজা রাখি, রোজা ত্যাগ করি, নামাজ আদায় করি, নিদ্রা যাই, বিবাহ করি। (এসবই আমার আদর্শ) অতএব যে আমার আদর্শের বিপরিত করে সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য নয়।
এতে আমরা বুঝতে পারি যে, তারা কতবড় বিপদের মধ্যে আছে, যারা ঐ সকল ইবাদতে জড়িত যা নবী সা. করেন নাই। যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করে এবং নবী সা. এর অনুসরণ করে। যদিও তারা মনে করে থাকে তাদের ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। মূলত: আল্লাহর কাছে এ ধরণের ইবাদতের কোন মূল্য নেই। বরং নবী সা. এর শরীয়তের বিরুদ্ধাচারণ করার কারণে এটা তাদের জন্য শাস্তির কারণ হবে।
অন্য বর্ণনায় এসেছে নবী কারীম সা. বলেন: যে ব্যক্তি আমার শরীয়তে কোন নতুন আবিষ্কার করল, যা শরীয়ত সমর্থন করে না, তা প্রত্যাখ্যাত।
এজন্য আমরা দেখতে পাই এক দল সাহাবীদের কাজকে রাসূল সা. প্রত্যাখ্যান করেছেন । যারা রাসূল সা. এর ইবাদত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর নিজেদের ইবাদতকে খুবই কম মনে করল। আর বলল, যার পূর্বাপর সকল গুনাহ মাফ তিনি এতো ইবাদত করেন? একজন বলে উঠল, আমি আজীবন পুরো রাত নামাজ পড়ব। অপর জন বলল, আমি সারা বছর রোজা পালন করব, কখনো রোজা ছাড়ব না। অন্যজন বলল, আমি বিবাহ করবো না। চিরকুমার থাকব। অত:পর নবীজী আসলেন এবং বললেন, তোমরা এ ধরণের কথা বলছিলে? আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের চেয়ে অনেক বেশী আল্লাহকে ভয় করি। অথচ রোজা রাখি, রোজা ত্যাগ করি, নামাজ আদায় করি, নিদ্রা যাই, বিবাহ করি। (এসবই আমার আদর্শ) অতএব যে আমার আদর্শের বিপরিত করে সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য নয়।
এতে আমরা বুঝতে পারি যে, তারা কতবড় বিপদের মধ্যে আছে, যারা ঐ সকল ইবাদতে জড়িত যা নবী সা. করেন নাই। যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করে এবং নবী সা. এর অনুসরণ করে। যদিও তারা মনে করে থাকে তাদের ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। মূলত: আল্লাহর কাছে এ ধরণের ইবাদতের কোন মূল্য নেই। বরং নবী সা. এর শরীয়তের বিরুদ্ধাচারণ করার কারণে এটা তাদের জন্য শাস্তির কারণ হবে।