১
তাওহীদের কিশতী
লেখকঃ ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
২) আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধানের বিপরীত শাসনকার্য পরিচালনা করা:
আল্লাহ্র উপর ঈমানের দাবী হল, তাঁর শরীয়ত অনুযায়ী বিচার-ফায়সালা করা। সকল শাসক ও বিচারকের উপর আবশ্যক হল কথা-কাজ, ঝগড়া-বিবাদ.. তথা সব ধরণের অধিকার সম্বলিত বিরোধের বিচার-ফায়সালা আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী করা। আর প্রজাদের উপরও আবশ্যক হল তারা আল্লাহ্র নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী বিচার কামনা করা। কেননা ঈমান এবং গাইরুল্লাহ্র কাছে বিধান নেয়া এক ব্যক্তির মাঝে একত্রিত হতে পারে না। যেমন আল্লাহ্ বলেন:
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
দুআতোমার রবের কসম তারা ঈমানদার হতে পারবে না যে পর্যন্ত তারা পারস্পরিক মতবিরোধ পূর্ণ বিষয়ে তোমাকে ফায়সালাকারী না মানবে। অতঃপর তুমি যা ফায়সালা কর সে ব্যাপারে অন্তরে কোনরূপ সংকীর্ণতা রাখবে না এবং তার প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পন করবে । (সূরা নিসা- ৬৫) তিনি আরো বলেন:
وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُوْلَئِكَ هُمْ الْكَافِرُونَ
দুআআর আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা ফায়সালা করবে না, তারাই কাফের । (সূরা ময়েদাহ্-৪৪) সুতরাং প্রত্যেকটি বিষয়ে- বেচা-কেনা, চুরির বিচার, ব্যাভিচারের শাস্তি.. ইত্যাদি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী ফায়সালা করা আবশ্যক। শুধু বিবাহ তালাক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে আল্লাহ্ বিধান মেনে চললে হবে না.. প্রতিটি বিষয় আল্লাহ্র বিধানের কাছে সোপর্দ করতে হবে। যে ব্যক্তি মানুষের জন্য বিধান রচনা করে বলবে এখন আর আল্লাহ্র বিধানের দরকার নেই, অথবা বলবে এ বিধান আল্লাহ্র বিধানের বরাবর, অথবা বলবে এ বিধানই বর্তমান যুগের জন্য অধিক প্রযোজ্য.. তবে সে কাফের। আল্লাহ্ বলেন,
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُمْ مِنْ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنْ بِهِ اللَّهُ
দুআতাদের কি কোন শরীক দেবতা রয়েছে যারা তাদের জন্য শরীয়ত প্রণয়ন করেছে- যে ব্যাপারে আল্লাহ্ কোন অনুমতি দেননি?চ (সূরা শূরা- ২১) আল্লাহ্ আরো বলেন,
أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنْ اللَّهِ حُكْمًا لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
দুআওরা কি জাহেলী যুগের বিধান চায়? বিশ্বাসী জাতির জন্য আল্লাহ্র চাইতে কে অধিক উত্তম বিধান দিতে পারে?চ (সূরা মায়েদাহ্- ৫০) ছহীহ্ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে: আল্লাহ্ যখন নাযিল করেন:
اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ
দুআতারা তাদের আলেম ও পাদ্রীদেরকে আল্লাহ্ ব্যতীত রব হিসেবে গ্রহণ করেছে । (সূরা তাওবাহ্-৩১) তখন আদী বিন হাতেম বলেন, (তিনি তখনও মুসলমান হননি), হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা তো তাদের ইবাদত করি না? তিনি বললেন, আল্লাহ্ যা হারাম করেছেন তা কি তারা তোমাদের জন্য হারাম করে না? তখন তোমরা উহা হারাম হিসেবে গণ্য কর? আর আল্লাহ্ যা হারাম করেছেন তা কি তারা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয় না? আর তখন তোমরা উহা হারাম গণ্য কর? সে বলল, হ্যাঁ তা করে থাকি। তিনি বললেন, এটাই তো তাদের ইবাদত হল । (তিরমিযী)
فَلَا وَرَبِّكَ لَا يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لَا يَجِدُوا فِي أَنفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا
দুআতোমার রবের কসম তারা ঈমানদার হতে পারবে না যে পর্যন্ত তারা পারস্পরিক মতবিরোধ পূর্ণ বিষয়ে তোমাকে ফায়সালাকারী না মানবে। অতঃপর তুমি যা ফায়সালা কর সে ব্যাপারে অন্তরে কোনরূপ সংকীর্ণতা রাখবে না এবং তার প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পন করবে । (সূরা নিসা- ৬৫) তিনি আরো বলেন:
وَمَنْ لَمْ يَحْكُمْ بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُوْلَئِكَ هُمْ الْكَافِرُونَ
দুআআর আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা ফায়সালা করবে না, তারাই কাফের । (সূরা ময়েদাহ্-৪৪) সুতরাং প্রত্যেকটি বিষয়ে- বেচা-কেনা, চুরির বিচার, ব্যাভিচারের শাস্তি.. ইত্যাদি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী ফায়সালা করা আবশ্যক। শুধু বিবাহ তালাক ও ব্যক্তিগত বিষয়ে আল্লাহ্ বিধান মেনে চললে হবে না.. প্রতিটি বিষয় আল্লাহ্র বিধানের কাছে সোপর্দ করতে হবে। যে ব্যক্তি মানুষের জন্য বিধান রচনা করে বলবে এখন আর আল্লাহ্র বিধানের দরকার নেই, অথবা বলবে এ বিধান আল্লাহ্র বিধানের বরাবর, অথবা বলবে এ বিধানই বর্তমান যুগের জন্য অধিক প্রযোজ্য.. তবে সে কাফের। আল্লাহ্ বলেন,
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُمْ مِنْ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنْ بِهِ اللَّهُ
দুআতাদের কি কোন শরীক দেবতা রয়েছে যারা তাদের জন্য শরীয়ত প্রণয়ন করেছে- যে ব্যাপারে আল্লাহ্ কোন অনুমতি দেননি?চ (সূরা শূরা- ২১) আল্লাহ্ আরো বলেন,
أَفَحُكْمَ الْجَاهِلِيَّةِ يَبْغُونَ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنْ اللَّهِ حُكْمًا لِقَوْمٍ يُوقِنُونَ
দুআওরা কি জাহেলী যুগের বিধান চায়? বিশ্বাসী জাতির জন্য আল্লাহ্র চাইতে কে অধিক উত্তম বিধান দিতে পারে?চ (সূরা মায়েদাহ্- ৫০) ছহীহ্ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে: আল্লাহ্ যখন নাযিল করেন:
اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ
দুআতারা তাদের আলেম ও পাদ্রীদেরকে আল্লাহ্ ব্যতীত রব হিসেবে গ্রহণ করেছে । (সূরা তাওবাহ্-৩১) তখন আদী বিন হাতেম বলেন, (তিনি তখনও মুসলমান হননি), হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা তো তাদের ইবাদত করি না? তিনি বললেন, আল্লাহ্ যা হারাম করেছেন তা কি তারা তোমাদের জন্য হারাম করে না? তখন তোমরা উহা হারাম হিসেবে গণ্য কর? আর আল্লাহ্ যা হারাম করেছেন তা কি তারা তোমাদের জন্য হালাল করে দেয় না? আর তখন তোমরা উহা হারাম গণ্য কর? সে বলল, হ্যাঁ তা করে থাকি। তিনি বললেন, এটাই তো তাদের ইবাদত হল । (তিরমিযী)