১
তাওহীদের কিশতী
লেখকঃ ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
৪) ছাহাবায়ে কেরামের দোষ-ত্রুটি অম্বেষণ করা:
আল্লাহ্র নবী মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন ছাহাবীকে খাট দৃষ্টিতে দেখা বা তাদেরকে গালি-গালাজ করা বা নবী পরিবারের কোন ব্যক্তির ছিদ্রাম্বেষণ করা- ঈমান বিধ্বংশকারী বিষয়।
আমরা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর ছাহাবীদেরকে ভালবাসি। তাদেরকে ভালবাসতে গিয়ে কোন প্রকার বাড়বাড়ি করি না- না আলী (রা:)কে নিয়ে না অন্য কাউকে নিয়ে। তাদের কারো থেকে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করি না। ছাহাবীদেরকে যারা ঘৃণা করে তাদেরকে আমরা ঘৃণা করি। ছাহাবীদের বিষয়ে ভাল ছাড়া অন্য কথা বলি না। আল্লাহ্ বলেন,
وَالسَّابِقُونَ الْأَوَّلُونَ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنصَارِ وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُمْ بِإِحْسَانٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ
দুআমুহাজির এবং আনছারদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণকারীগণ এবং সঠিকভাবে যারা তাদের অনুসরণ করবে, আল্লাহ্ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহ্র উপর সন্তুষ্ট । (সূরা তাওবাহ্-১০০)
তবে ছাহাবীদের মধ্যে যে সমস্ত মতবিরোধ বা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, সে সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নীতি হল- এগুলোর বিশ্লেষণ থেকে বিরত থাকা। তাঁরা মানুষ ছিলেন এবং মুজতাহিদ (গবেষক) ছিলেন। তাঁরা ভুলও করেছেন সঠিকও করেছেন। ঐ সময় সংঘটিত ফিৎনা থেকে আল্লাহ্ যেমন আমাদের তরবারীকে বাঁচিয়েছেন, তেমনি আমরাও তাদের সমালোচনা থেকে আমাদের যবানকে হেফাযত করব। আমরা বলি, তাদের পালনকর্তা তাদেরকে ক্বিয়ামত দিবসে অবশ্যই একত্রিত করবেন এবং তাদের মাঝে হক্ব ফায়সালা ও বিচারের ন্যায়দন্ড প্রতিষ্ঠা করবেন।
আমরা বিশ্বাস করি রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর পর তাঁর প্রথম খলীফা বা প্রতিনিধি হচ্ছেন হযরত আবু বকর (রা:)। কেননা তিনি ছিলেন উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি। তারপর খলীফা হচ্ছেন হযরত ওমার বিন খাত্তাব (রা:), তারপর উছমান বিন আফ্ফান (রা:) এবং তাঁর পরে আলী বিন আবী তালিব (রা:)।
আমরা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর ছাহাবীদেরকে ভালবাসি। তাদেরকে ভালবাসতে গিয়ে কোন প্রকার বাড়বাড়ি করি না- না আলী (রা:)কে নিয়ে না অন্য কাউকে নিয়ে। তাদের কারো থেকে নিজেকে মুক্ত ঘোষণা করি না। ছাহাবীদেরকে যারা ঘৃণা করে তাদেরকে আমরা ঘৃণা করি। ছাহাবীদের বিষয়ে ভাল ছাড়া অন্য কথা বলি না। আল্লাহ্ বলেন,
وَالسَّابِقُونَ الْأَوَّلُونَ مِنْ الْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنصَارِ وَالَّذِينَ اتَّبَعُوهُمْ بِإِحْسَانٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ
দুআমুহাজির এবং আনছারদের মধ্যে প্রথম ইসলাম গ্রহণকারীগণ এবং সঠিকভাবে যারা তাদের অনুসরণ করবে, আল্লাহ্ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহ্র উপর সন্তুষ্ট । (সূরা তাওবাহ্-১০০)
তবে ছাহাবীদের মধ্যে যে সমস্ত মতবিরোধ বা যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, সে সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের নীতি হল- এগুলোর বিশ্লেষণ থেকে বিরত থাকা। তাঁরা মানুষ ছিলেন এবং মুজতাহিদ (গবেষক) ছিলেন। তাঁরা ভুলও করেছেন সঠিকও করেছেন। ঐ সময় সংঘটিত ফিৎনা থেকে আল্লাহ্ যেমন আমাদের তরবারীকে বাঁচিয়েছেন, তেমনি আমরাও তাদের সমালোচনা থেকে আমাদের যবানকে হেফাযত করব। আমরা বলি, তাদের পালনকর্তা তাদেরকে ক্বিয়ামত দিবসে অবশ্যই একত্রিত করবেন এবং তাদের মাঝে হক্ব ফায়সালা ও বিচারের ন্যায়দন্ড প্রতিষ্ঠা করবেন।
আমরা বিশ্বাস করি রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর পর তাঁর প্রথম খলীফা বা প্রতিনিধি হচ্ছেন হযরত আবু বকর (রা:)। কেননা তিনি ছিলেন উম্মতে মুহাম্মদীর মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত ব্যক্তি। তারপর খলীফা হচ্ছেন হযরত ওমার বিন খাত্তাব (রা:), তারপর উছমান বিন আফ্ফান (রা:) এবং তাঁর পরে আলী বিন আবী তালিব (রা:)।