১
তাওহীদের কিশতী
লেখকঃ ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৪
আর একটি বড় অন্যায়
যাকাত আদায় না করা। যাকাত ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেন, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
( مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلَا فِضَّةٍ لَا يُؤَدِّي مِنْهَا حَقَّهَا إِلَّا إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحَ مِنْ نَارٍ فَأُحْمِيَ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِينُهُ وَظَهْرُهُ كُلَّمَا بَرَدَتْ أُعِيدَتْ لَهُ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ الْعِبَادِ فَيَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ )
‘‘স্বর্ণ বা রৌপ্যের মালিক কোন ব্যক্তি যদি তার হক (যাকাত) আদায় না করে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে উহা জাহান্নামের আগুনে টেনে লম্বা করা হবে, তারপর তা দোজখের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে। এরপর তার ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে। যখন উহা ঠান্ডা হয়ে যাবে, আবার তা গরম করে শাস্তি দিবে। তা হবে এমন দিনে যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান- যে পর্যন্ত বান্দাদের মাঝে ফায়সালা না হয় (তার শাস্তি চলতেই থাকবে)। তারপর সে দেখতে পাবে নিজ ঠিকানা জান্নাতে অথবা জাহান্নামে ।
ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন। আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দুআআল্লাহ্ যাকে সম্পদ দিয়েছেন, সে যদি তার যাকাত আদায় না করে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে উক্ত সম্পদকে টাক বিশিষ্ট বিষধর একটি বিশাল অজগর সাপে রূপান্তরিত করা হবে, যার দুহচোখের উপর দুহটি কাল ফোটা থাকবে। ক্বিয়ামত দিবসে সে তাকে বেড় দিয়ে ধরবে, তারপর তার উভয় চোয়ালে দংশন করবে আর বলবে আমি তোমার সম্পদ, আমি তোমার সঞ্চিত ধন। অতঃপর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করেন এই আয়াত:
وَلَا يَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمْ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ هُوَ خَيْرًا لَهُمْ بَلْ هُوَ شَرٌّ لَهُمْ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
দুআআল্লাহ্ যাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে সম্পদ দিয়েছেন তারা যেন কৃপণতা করে না ভাবে যে, এটা তাদের জন্য ভাল হবে; বরং তা তাদের জন্য অমঙ্গল হবে। অচিরেই যে সম্পদে তারা কৃপণতা করেছিল তা ক্বিয়ামত দিবসে তাদেরকে বেড়ী আকারে (গলায়) পরানো হবে । (সূরা আল ইমরান- ১৮০)
( مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلَا فِضَّةٍ لَا يُؤَدِّي مِنْهَا حَقَّهَا إِلَّا إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحَ مِنْ نَارٍ فَأُحْمِيَ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِينُهُ وَظَهْرُهُ كُلَّمَا بَرَدَتْ أُعِيدَتْ لَهُ فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ الْعِبَادِ فَيَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّارِ )
‘‘স্বর্ণ বা রৌপ্যের মালিক কোন ব্যক্তি যদি তার হক (যাকাত) আদায় না করে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে উহা জাহান্নামের আগুনে টেনে লম্বা করা হবে, তারপর তা দোজখের আগুনে উত্তপ্ত করা হবে। এরপর তার ললাট, পার্শ্ব ও পৃষ্ঠদেশকে দগ্ধ করা হবে। যখন উহা ঠান্ডা হয়ে যাবে, আবার তা গরম করে শাস্তি দিবে। তা হবে এমন দিনে যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান- যে পর্যন্ত বান্দাদের মাঝে ফায়সালা না হয় (তার শাস্তি চলতেই থাকবে)। তারপর সে দেখতে পাবে নিজ ঠিকানা জান্নাতে অথবা জাহান্নামে ।
ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন। আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, দুআআল্লাহ্ যাকে সম্পদ দিয়েছেন, সে যদি তার যাকাত আদায় না করে, তবে ক্বিয়ামত দিবসে উক্ত সম্পদকে টাক বিশিষ্ট বিষধর একটি বিশাল অজগর সাপে রূপান্তরিত করা হবে, যার দুহচোখের উপর দুহটি কাল ফোটা থাকবে। ক্বিয়ামত দিবসে সে তাকে বেড় দিয়ে ধরবে, তারপর তার উভয় চোয়ালে দংশন করবে আর বলবে আমি তোমার সম্পদ, আমি তোমার সঞ্চিত ধন। অতঃপর নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিলাওয়াত করেন এই আয়াত:
وَلَا يَحْسَبَنَّ الَّذِينَ يَبْخَلُونَ بِمَا آتَاهُمْ اللَّهُ مِنْ فَضْلِهِ هُوَ خَيْرًا لَهُمْ بَلْ هُوَ شَرٌّ لَهُمْ سَيُطَوَّقُونَ مَا بَخِلُوا بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
দুআআল্লাহ্ যাদেরকে স্বীয় অনুগ্রহে সম্পদ দিয়েছেন তারা যেন কৃপণতা করে না ভাবে যে, এটা তাদের জন্য ভাল হবে; বরং তা তাদের জন্য অমঙ্গল হবে। অচিরেই যে সম্পদে তারা কৃপণতা করেছিল তা ক্বিয়ামত দিবসে তাদেরকে বেড়ী আকারে (গলায়) পরানো হবে । (সূরা আল ইমরান- ১৮০)