১
কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম
লেখকঃ মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
(ছ) উত্তম নসীহত
নবী-রাসূলগণ তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ের লোকদের কল্যাণ কামনায় ও হিতকর ব্যবস্থাপনায় নিজেদের শ্রম, মেধা, যোগ্যতা ও প্রতিভার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতেন। একজন মুসলিমের উপস্থিতি, অনুপস্থিতি সর্বাবস্থায় তার কল্যাণ কামনা করা অপরের উপর অত্যাবশ্যক। এটি পারস্পরিক হকও বটে। মূলত: দীন হচ্ছে একে অপরের কল্যাণ কামনা। এ মর্মে হাদীসে এসেছে :‘‘দীন হচ্ছে কল্যাণ কামনা। আমরা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (স.)! এটা কাদের জন্য? তখন রাসূল (স) বললেন, এটা আল্লাহ, তার রাসূল, মুসলিম নেতৃবৃন্দ, ও জনসাধারণ সকলের জন্য। [ইমাম মুসলিম, প্রগুক্ত, কিতাবুল ঈমান, হাদীস নং-৮২।]
মূসা আলাইহিস সালাম উত্তম নসীহত বা উপদেশের মাধ্যমে স্বীয় জাতিকে মুক্তির দিকে আহ্বান করেছেন। তিনি তার সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বলেন, ‘‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমাদের কি হয়েছে? আমি তোমাদেরকে ডাকি মুক্তির দিকে আর তোমরা আমাকে জাহান্নামের দিকে ডাকছ।’’ [আল-কুরআন, সূরা মুমিন: ৪১।] নসীহত বা কল্যাণ কামনার মাধ্যমে একে অপরের সাহায্যার্থে এগিয়ে তারা যায়। দীনী দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে ও পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করা সম্ভব হয়। মূসা আলাইহিস সালাম এর সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তি গোপনে তার প্রতি ঈমান এনেছিল। সে উত্তম উপদেশের মাধ্যমে মূসার দা‘ওয়াতী মিশনকে এমনি এক ক্রান্তি লগ্নে সাহায্য করেছিল যখন পাপিষ্ট ফের‘আউন এক কিবতী হত্যার অজুহাতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। পবিত্র কুরআনে এ মর্মে এসেছেঃ ‘‘এক ব্যক্তি শহরের দূর প্রান্তর হতে ছুটে এল এবং বলল, হে মূসা! ফের‘আউনের সরদারদের মধ্যে তোমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ফলে এখান হতে বের হয়ে যাও। নিশ্চয় আমি তোমার মঙ্গলাকাংখী।’’ [আল-কুরআন, সূরা আল-কাসাস : ২০।]
মূসা আলাইহিস সালাম উত্তম নসীহত বা উপদেশের মাধ্যমে স্বীয় জাতিকে মুক্তির দিকে আহ্বান করেছেন। তিনি তার সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বলেন, ‘‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমাদের কি হয়েছে? আমি তোমাদেরকে ডাকি মুক্তির দিকে আর তোমরা আমাকে জাহান্নামের দিকে ডাকছ।’’ [আল-কুরআন, সূরা মুমিন: ৪১।] নসীহত বা কল্যাণ কামনার মাধ্যমে একে অপরের সাহায্যার্থে এগিয়ে তারা যায়। দীনী দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রে ও পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করা সম্ভব হয়। মূসা আলাইহিস সালাম এর সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তি গোপনে তার প্রতি ঈমান এনেছিল। সে উত্তম উপদেশের মাধ্যমে মূসার দা‘ওয়াতী মিশনকে এমনি এক ক্রান্তি লগ্নে সাহায্য করেছিল যখন পাপিষ্ট ফের‘আউন এক কিবতী হত্যার অজুহাতে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে। পবিত্র কুরআনে এ মর্মে এসেছেঃ ‘‘এক ব্যক্তি শহরের দূর প্রান্তর হতে ছুটে এল এবং বলল, হে মূসা! ফের‘আউনের সরদারদের মধ্যে তোমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ফলে এখান হতে বের হয়ে যাও। নিশ্চয় আমি তোমার মঙ্গলাকাংখী।’’ [আল-কুরআন, সূরা আল-কাসাস : ২০।]