১
কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম
লেখকঃ মো: আবদুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
(জ) যুবকদের অগ্রাধিকার দান
ইসলামী দা‘ওয়াহর কাজ আঞ্জাম দেয়ার ক্ষেত্রে যুবকেরাই অগ্রণী ভুমিকা পালন করে থাকে। কোন সমাজ ব্যবস্থা ভাঙ্গা ও গড়ার কাজ তারাই আঞ্জাম দেয় এবং যে কোন সমাজ ব্যবস্থা ভাঙ্গা ও গড়ার শক্তি তারাই রাখে। ফলে, সমাজের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত? ব্যক্তিগণ যুবকদের সাথে আঁতাত রেখেই অপরাধ কর্ম নির্দ্বিধায় চালিয়ে যায়। আর সমাজের সে সকল যুবকরা যদি দীনের ছায়াতলে এসে সমবেত হয় তাহলে সমাজে দীন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়ে পড়ে। এ যুবকদের শক্তিকে ভাল ও কল্যাণকর কাজে ব্যয় করার জন্য মূসা আলাইহিস সালাম তাদেরকে দা‘ওয়াতের ক্ষেত্রেও প্রাধান্য দিতেন। তার দা‘ওয়াতে যুবকেরাই বেশী সাড়া দিয়েছিল। পবিত্র কুরআনে এ মর্মে এসেছে
‘‘ফের‘আউন ও তার সভাসদবৃন্দের নির্যাতনের ভয়ে তার (মূসা) সম্প্রদায়ের একদল যুবক ছাড়া কেউ তার প্রতি ঈমান আনল না’’। [আল-কুরআন, সূরা ইউনুস : ৮৩।]
এখানে ( ذرية ) বলতে তার বংশধর ও সন্তান সন্তুতি উদ্দেশ্য। প্রকৃতপক্ষে প্রথম দিকে মূসাআলাইহিস সালাম এর উপর বনী ইসরাঈলের কিছু সংখ্যক যুবক ঈমান এনেছিল। [সীরাত বিশ্বকোষ, প্রাগুক্ত, ২য় খ-, পৃ. ৪২২।] তাছাড়া আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে যুবকেরাই সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করেছিল এবং তিনিও তাদেরকে বেশী অগ্রাধিকার দিতেন। এ ক্ষেত্রে আমরা দেখি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে, যিনি বালকদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, যিনি পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম প্রহণ করেন। পরবর্তীতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর দা‘ওয়াতে মক্কার বিপুল সংখ্যক যুবক ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের ইসলাম গ্রহণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রর্থনা `করেছিলেন। হাদীসে এসেছে: ‘‘তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দো‘আ করেন এ মর্মে, হে আল্লাহ! তুমি আমার সর্বাধিক প্রিয় দু‘জন ব্যক্তিকে ইসলামের মর্যাদা দান কর, তারা হলেন আবু জাহেল অথবা উমর ইবন খাত্তাব। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের দু‘জনের মধ্যে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাছে অত্যাধিক প্রিয় ছিলেন’’ [ইমাম তিরমিযী, জামি‘ আত তিরমিযি, কিতাবুল মানাকিব, প্রাগুক্ত, হাদিস নং- ৩৬১৪।] কেননা, উমর ছিলেন টগবগে যুবক। সুতরাং সে ইসলাম গ্রহণ করলে ইসলামের বিরোধী শক্তি ভয় পাবে এবং ইসলামের সম্প্রসারণ খুব দ্রুত হবে।
‘‘ফের‘আউন ও তার সভাসদবৃন্দের নির্যাতনের ভয়ে তার (মূসা) সম্প্রদায়ের একদল যুবক ছাড়া কেউ তার প্রতি ঈমান আনল না’’। [আল-কুরআন, সূরা ইউনুস : ৮৩।]
এখানে ( ذرية ) বলতে তার বংশধর ও সন্তান সন্তুতি উদ্দেশ্য। প্রকৃতপক্ষে প্রথম দিকে মূসাআলাইহিস সালাম এর উপর বনী ইসরাঈলের কিছু সংখ্যক যুবক ঈমান এনেছিল। [সীরাত বিশ্বকোষ, প্রাগুক্ত, ২য় খ-, পৃ. ৪২২।] তাছাড়া আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে যুবকেরাই সবচেয়ে বেশী ভূমিকা পালন করেছিল এবং তিনিও তাদেরকে বেশী অগ্রাধিকার দিতেন। এ ক্ষেত্রে আমরা দেখি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে, যিনি বালকদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু, যিনি পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম ইসলাম প্রহণ করেন। পরবর্তীতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর দা‘ওয়াতে মক্কার বিপুল সংখ্যক যুবক ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের ইসলাম গ্রহণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রর্থনা `করেছিলেন। হাদীসে এসেছে: ‘‘তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দো‘আ করেন এ মর্মে, হে আল্লাহ! তুমি আমার সর্বাধিক প্রিয় দু‘জন ব্যক্তিকে ইসলামের মর্যাদা দান কর, তারা হলেন আবু জাহেল অথবা উমর ইবন খাত্তাব। বর্ণনাকারী বলেন, তাদের দু‘জনের মধ্যে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তার কাছে অত্যাধিক প্রিয় ছিলেন’’ [ইমাম তিরমিযী, জামি‘ আত তিরমিযি, কিতাবুল মানাকিব, প্রাগুক্ত, হাদিস নং- ৩৬১৪।] কেননা, উমর ছিলেন টগবগে যুবক। সুতরাং সে ইসলাম গ্রহণ করলে ইসলামের বিরোধী শক্তি ভয় পাবে এবং ইসলামের সম্প্রসারণ খুব দ্রুত হবে।