১
রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
ইফতার কালে রাসূল সা.-এর দোয়া
ইবনে উমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন :—
كان رسول الله صلي الله عليه و سلم إذا أفطر قال : ذَهَبَ الظَمَأُ، وَابْتَلَّتِ العُرُوْقُ، وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللهُ .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইফতার করতেন, (ইফতার সেরে) বলতেন—পিপাসা নিবারিত হয়েছে, নিষিক্ত হয়েছে নালিগুলো আর আল্লাহ চাহে তো পুরস্কারও নির্ধারিত হয়েছে। [আবু দাউদ : ২৩৭৫, হাদিসটি হাসান।] [ইফতারের পূর্বে অপেক্ষাকালীন সময়ে এই জিকির">দোয়া পাঠ করবে— اللّهُمَّ اِنِّيْ اَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِيْ وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِيْ হে আল্লাহ ! আমি আপনার করুণার মাধ্যমে—যে করুণা পরিব্যাপ্ত করে আছে সব কিছু—আপনার মাগফেরাত কামনা করছি। (ইবনে মাজা : খন্ড : ১, হাদিস নং ৫৫৭)ইফতার অন্যান্য খাবার গ্রহণকালীন অনুরূপ بسم الله বলে আরম্ভ করবে। যদি কারো মেহমানদারিতে উপস্থিত হয়, তবে এই দোয়া পাঠ করবে— أَفْطَرَ عِنْدَكُمْ الصَّائِمُوْنَ وَ أَكَلَ طَعَامَكُمْ الأَبْرَارُ وَ صَلَّتْ عَلَيْكُمْ المَلاَئِكَةُ তোমাদের নিকট রোজাদারগণ ইফতার করেছে, এবং তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছে সজ্জনগণ, আর ফেরেশতাগণ তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেছে।(আবু দাউদ : ৩৩৫৬)]
পক্ষান্তরে, আমাদের বর্তমান সমাজে দেখতে পাই, ইফতার কালে আহার-ভোজন অনুষ্ঠানের ফলে অধিকাংশ রোজাদারই দোয়ার বিষয়টি বিস্মৃত হন, ভুলে যান রোজা শেষে আল্লাহর দরবারে নতজানু হয়ে প্রার্থনা জানাতে। বিশেষত, নানা আয়োজনে অন্তপুরে ব্যস্ত থাকেন যে নারীরা, তাদের কথা বলাই বাহুল্য। এভাবে, রোজাদারগণ দোয়া কবুলের মহত্তম সময়গুলো হেলায় হারান।
كان رسول الله صلي الله عليه و سلم إذا أفطر قال : ذَهَبَ الظَمَأُ، وَابْتَلَّتِ العُرُوْقُ، وَثَبَتَ الأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللهُ .
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইফতার করতেন, (ইফতার সেরে) বলতেন—পিপাসা নিবারিত হয়েছে, নিষিক্ত হয়েছে নালিগুলো আর আল্লাহ চাহে তো পুরস্কারও নির্ধারিত হয়েছে। [আবু দাউদ : ২৩৭৫, হাদিসটি হাসান।] [ইফতারের পূর্বে অপেক্ষাকালীন সময়ে এই জিকির">দোয়া পাঠ করবে— اللّهُمَّ اِنِّيْ اَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِيْ وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِيْ হে আল্লাহ ! আমি আপনার করুণার মাধ্যমে—যে করুণা পরিব্যাপ্ত করে আছে সব কিছু—আপনার মাগফেরাত কামনা করছি। (ইবনে মাজা : খন্ড : ১, হাদিস নং ৫৫৭)ইফতার অন্যান্য খাবার গ্রহণকালীন অনুরূপ بسم الله বলে আরম্ভ করবে। যদি কারো মেহমানদারিতে উপস্থিত হয়, তবে এই দোয়া পাঠ করবে— أَفْطَرَ عِنْدَكُمْ الصَّائِمُوْنَ وَ أَكَلَ طَعَامَكُمْ الأَبْرَارُ وَ صَلَّتْ عَلَيْكُمْ المَلاَئِكَةُ তোমাদের নিকট রোজাদারগণ ইফতার করেছে, এবং তোমাদের খাবার গ্রহণ করেছে সজ্জনগণ, আর ফেরেশতাগণ তোমাদের জন্য রহমতের দোয়া করেছে।(আবু দাউদ : ৩৩৫৬)]
পক্ষান্তরে, আমাদের বর্তমান সমাজে দেখতে পাই, ইফতার কালে আহার-ভোজন অনুষ্ঠানের ফলে অধিকাংশ রোজাদারই দোয়ার বিষয়টি বিস্মৃত হন, ভুলে যান রোজা শেষে আল্লাহর দরবারে নতজানু হয়ে প্রার্থনা জানাতে। বিশেষত, নানা আয়োজনে অন্তপুরে ব্যস্ত থাকেন যে নারীরা, তাদের কথা বলাই বাহুল্য। এভাবে, রোজাদারগণ দোয়া কবুলের মহত্তম সময়গুলো হেলায় হারান।