১
রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
কোন কোন কাজে অন্যদের দায়িত্ব দেয়া
প্রমাণ :—
وَكَلني رسول الله صلي الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان؛ فأتاني آتٍ فجعل يحثو من الطعام؛ فأخذته فقلت : لأرفعنك إلى رسول الله صلي الله عليه وسلم ...
আবু হুরায়রা (রা:)-এর হাদিস : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমজানের জাকাত সংরক্ষণের দায়িত্ব দিলেন। তখন আমার নিকট এক আগন্তুক এসে মুঠো ভরে খাবার নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে বললাম : আমি তোমাকে রাসূল সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে যাব...। [বোখারি : ৫০১০।] এই ভাবে তিনি তার দায়িত্ব-ভার কিছুটা লাঘব করতেন।
ব্যক্তিগতভাবে একজন মানুষ সব কাজ নিজে নিজে আদায় করতে পারেন না। তাই অনিবার্য কারণবশতই দায়িত্বশীলকে অন্যকে তার প্রতিনিধী দায়িত্বশীল নিয়োগ করতে হয়। এইভাবে তিনি অনেক কাজ আঞ্জাম দিতে পারেন। তবে এই লক্ষ্য তখনই বাস্তবায়িত হওয়া সম্ভব যখন যাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তারা প্রধান দায়িত্বশীলের আস্থাভাজন ব্যক্তি হন এবং তিনি তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের জায়গাগুলো সম্পর্কে সম্মক অবগত থাকেন। যাতে তিনি সবাইকে তাদের উপযোগী কাজগুলোর দায়িত্ব দিতে পারেন। এবং তারাও দায়িত্বটি সঠিকভাবে আদায় করতে পারে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে এভাবেই কাজ করেছেন। তাদেরকে বিভিন্ন কাজের দায়িত্বশীল বানিয়েছেন। এই অনুশীলনের মধ্য দিয়ে এক সময় তারা হয়ে উঠেছিলেন আলোকিত দীপ, উম্মাহর পথপ্রদর্শক, বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্বশীল। আল্লাহ তাআলা তাদের মাধ্যমে পৃথিবীকে নতুন জীবন দান করেছেন এবং মানব ইতিহাসের আকাশকে আলোকিত করেছেন।
আজকাল দেখা যায় অনেক সালেহ, মহান ব্যক্তিগণ, সৎ কাজের প্রতি অতি আগ্রহের কারণে, নিজেই সব দায়িত্ব পালন করতে চান। ফলত কোনটাই তারা পূর্ণাঙ্গ করতে পারেন না। কিংবা এক সাথে অনেক কাজে হাত দেন, অথচ তার জন্য উপযোগী ছিল এর মাঝে প্রধান কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া। আবার অনেকে এমন ব্যক্তিদের হাতে দায়িত্ব ছেড়ে দেন যারা এই সব দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম না। নি:সন্দেহে এ এক দু:খজনক বাস্তবতা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে তার সাহাবিদের হাতে বিভিন্ন দায়িত্ব ছেড়ে দিতেন, আজ আমাদের উলামারাও তার প্রয়োজন বোধ করছেন। এই সংকট অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন অনেক তীব্র। বিশেষত রমজানে এই সংকট তীব্র হয়ে উঠে। কারণ এই সময় তারা অনেক মহান কাজের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। এই সংকট থেকে মুক্তির জন্য তাঁদের উচিত দায়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলা এবং যোগ্য দায়ি গড়ে তোলা, যাদের হাতে বিভিন্ন দায়িত্ব ছেড়ে তারা তাদেরকে উপযুক্ত করে তুলবেন এবং তাদের মূল্যবান সময়কে তুচ্ছ কাজে জড়ানো থেকে হেফাজত করতে পারবেন। ফলত তারা আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে পারবেন।
দ্বীনের জ্ঞান চর্চা এবং দ্বীনের ময়দানে দাওয়ার ক্ষেত্রে যা আমাদের জন্য কল্যাণকর, উপযোগী, যাতে ইসলাম ও মুসলমানদের সৌভাগ্য নিহিত রয়েছে, রহমান আল্লাহর নিকট আকুল প্রার্থনা আল্লাহ যেন তা করার তওফিক দান করেন।
وَكَلني رسول الله صلي الله عليه وسلم بحفظ زكاة رمضان؛ فأتاني آتٍ فجعل يحثو من الطعام؛ فأخذته فقلت : لأرفعنك إلى رسول الله صلي الله عليه وسلم ...
আবু হুরায়রা (রা:)-এর হাদিস : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রমজানের জাকাত সংরক্ষণের দায়িত্ব দিলেন। তখন আমার নিকট এক আগন্তুক এসে মুঠো ভরে খাবার নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে বললাম : আমি তোমাকে রাসূল সাললাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিয়ে যাব...। [বোখারি : ৫০১০।] এই ভাবে তিনি তার দায়িত্ব-ভার কিছুটা লাঘব করতেন।
ব্যক্তিগতভাবে একজন মানুষ সব কাজ নিজে নিজে আদায় করতে পারেন না। তাই অনিবার্য কারণবশতই দায়িত্বশীলকে অন্যকে তার প্রতিনিধী দায়িত্বশীল নিয়োগ করতে হয়। এইভাবে তিনি অনেক কাজ আঞ্জাম দিতে পারেন। তবে এই লক্ষ্য তখনই বাস্তবায়িত হওয়া সম্ভব যখন যাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে তারা প্রধান দায়িত্বশীলের আস্থাভাজন ব্যক্তি হন এবং তিনি তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব স্বভাব-বৈশিষ্ট্যের জায়গাগুলো সম্পর্কে সম্মক অবগত থাকেন। যাতে তিনি সবাইকে তাদের উপযোগী কাজগুলোর দায়িত্ব দিতে পারেন। এবং তারাও দায়িত্বটি সঠিকভাবে আদায় করতে পারে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে নিয়ে এভাবেই কাজ করেছেন। তাদেরকে বিভিন্ন কাজের দায়িত্বশীল বানিয়েছেন। এই অনুশীলনের মধ্য দিয়ে এক সময় তারা হয়ে উঠেছিলেন আলোকিত দীপ, উম্মাহর পথপ্রদর্শক, বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্বশীল। আল্লাহ তাআলা তাদের মাধ্যমে পৃথিবীকে নতুন জীবন দান করেছেন এবং মানব ইতিহাসের আকাশকে আলোকিত করেছেন।
আজকাল দেখা যায় অনেক সালেহ, মহান ব্যক্তিগণ, সৎ কাজের প্রতি অতি আগ্রহের কারণে, নিজেই সব দায়িত্ব পালন করতে চান। ফলত কোনটাই তারা পূর্ণাঙ্গ করতে পারেন না। কিংবা এক সাথে অনেক কাজে হাত দেন, অথচ তার জন্য উপযোগী ছিল এর মাঝে প্রধান কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া। আবার অনেকে এমন ব্যক্তিদের হাতে দায়িত্ব ছেড়ে দেন যারা এই সব দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম না। নি:সন্দেহে এ এক দু:খজনক বাস্তবতা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে তার সাহাবিদের হাতে বিভিন্ন দায়িত্ব ছেড়ে দিতেন, আজ আমাদের উলামারাও তার প্রয়োজন বোধ করছেন। এই সংকট অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন অনেক তীব্র। বিশেষত রমজানে এই সংকট তীব্র হয়ে উঠে। কারণ এই সময় তারা অনেক মহান কাজের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। এই সংকট থেকে মুক্তির জন্য তাঁদের উচিত দায়ি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলা এবং যোগ্য দায়ি গড়ে তোলা, যাদের হাতে বিভিন্ন দায়িত্ব ছেড়ে তারা তাদেরকে উপযুক্ত করে তুলবেন এবং তাদের মূল্যবান সময়কে তুচ্ছ কাজে জড়ানো থেকে হেফাজত করতে পারবেন। ফলত তারা আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর প্রতি মনোযোগ দিতে পারবেন।
দ্বীনের জ্ঞান চর্চা এবং দ্বীনের ময়দানে দাওয়ার ক্ষেত্রে যা আমাদের জন্য কল্যাণকর, উপযোগী, যাতে ইসলাম ও মুসলমানদের সৌভাগ্য নিহিত রয়েছে, রহমান আল্লাহর নিকট আকুল প্রার্থনা আল্লাহ যেন তা করার তওফিক দান করেন।