১
রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
রমজানের আমলে আহলে কিতাবিদের সাথে বৈপরিত্ব
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের আমলের ক্ষেত্রে আহলে কিতাবিদের সাথে বৈপরিত্য রেখেছেন। এক হাদিসে এসেছে, রাসূল বলেন :—
لا يزال الدين ظاهراً ما عجَّل الناس الفطر؛ لأن اليهود والنصارى يؤخرون .
দ্বীন বিজয়ী হবে, যে যাবৎ মানুষ দ্রুত ইফতার করবে। কারণ, ইহুদি-নাসারা তা বিলম্বে করে। [আবু দাউদ : ২৩৫৩, হাদিসটি হাসান।]
অপর এক হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন :—
لا يزال الناس بخير ما عَجَّلُوا الفطرْ . عَجِّلُوا الفطر ! فإن اليهود يؤخرون .
যে অবধি মানুষ দ্রুত ইফতার করবে (অর্থাৎ সময় হওয়া মাত্রই), ভাল থাকবে। তোমরা দ্রুত ইফতার কর, কারণ, ইহুদিরা তা বিলম্বে করে। [ইবনে মাজা : ১৬৯৭, হাদিসটি সহি।]
তিনি আরো এরশাদ করেন :—
فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر .
আমাদের ও আহলে কিতাবিদের রোজার মাঝে পার্থক্য হল সেহরি গ্রহণ। [মুসলিম : ১০৯৬।]
ইসলাম ধর্মের রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা। তার বৈশিষ্ট্যগুলো পৌত্তলিক ও বিকৃতকারী আহলে কিতাবিদের থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। রোজা ইত্যাদি ক্ষেত্রে, তাই, রাসূল ছিলেন পার্থক্য বজায় রাখার নিদর্শন ও নির্দেশক।
উম্মত আজ সাংস্কৃতিক, চেতনাগত এক ব্যাপক দৌর্বল্যে আক্রান্ত, সর্বক্ষেত্রে অন্যের পদাঙ্ক অনুসরণই হয়ে উঠেছে তার একমাত্র ভবিতব্য। কাফের ও পৌত্তলিকদের সাথে বৈসাদৃশ্য গ্রহণ, সন্দেহ নেই, তার জন্য ছিল সর্বাধিক প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। ধর্ম ও ধর্ম-চেতনার যা তাদের জন্য বৈশিষ্ট্যের মর্যাদা প্রাপ্ত, তাতে নিজেদের স্বকীয়তা প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চিন্তা ও চেতনার মৌলনীতির যা স্তম্ভের স্বীকৃতি প্রাপ্ত, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক স্বাজাত্যবোধের পরিচায়ক, তাই কেবল তাদের হারানো দিনের পুনরূপায়নের চাবিকাঠি হতে পারে, ফিরিয়ে আনতে পারে কাঙ্ক্ষিত বিজয়, আর স্বভূমি উদ্ধারের সুবাতাস।
لا يزال الدين ظاهراً ما عجَّل الناس الفطر؛ لأن اليهود والنصارى يؤخرون .
দ্বীন বিজয়ী হবে, যে যাবৎ মানুষ দ্রুত ইফতার করবে। কারণ, ইহুদি-নাসারা তা বিলম্বে করে। [আবু দাউদ : ২৩৫৩, হাদিসটি হাসান।]
অপর এক হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন :—
لا يزال الناس بخير ما عَجَّلُوا الفطرْ . عَجِّلُوا الفطر ! فإن اليهود يؤخرون .
যে অবধি মানুষ দ্রুত ইফতার করবে (অর্থাৎ সময় হওয়া মাত্রই), ভাল থাকবে। তোমরা দ্রুত ইফতার কর, কারণ, ইহুদিরা তা বিলম্বে করে। [ইবনে মাজা : ১৬৯৭, হাদিসটি সহি।]
তিনি আরো এরশাদ করেন :—
فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحر .
আমাদের ও আহলে কিতাবিদের রোজার মাঝে পার্থক্য হল সেহরি গ্রহণ। [মুসলিম : ১০৯৬।]
ইসলাম ধর্মের রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা। তার বৈশিষ্ট্যগুলো পৌত্তলিক ও বিকৃতকারী আহলে কিতাবিদের থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। রোজা ইত্যাদি ক্ষেত্রে, তাই, রাসূল ছিলেন পার্থক্য বজায় রাখার নিদর্শন ও নির্দেশক।
উম্মত আজ সাংস্কৃতিক, চেতনাগত এক ব্যাপক দৌর্বল্যে আক্রান্ত, সর্বক্ষেত্রে অন্যের পদাঙ্ক অনুসরণই হয়ে উঠেছে তার একমাত্র ভবিতব্য। কাফের ও পৌত্তলিকদের সাথে বৈসাদৃশ্য গ্রহণ, সন্দেহ নেই, তার জন্য ছিল সর্বাধিক প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। ধর্ম ও ধর্ম-চেতনার যা তাদের জন্য বৈশিষ্ট্যের মর্যাদা প্রাপ্ত, তাতে নিজেদের স্বকীয়তা প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। চিন্তা ও চেতনার মৌলনীতির যা স্তম্ভের স্বীকৃতি প্রাপ্ত, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক স্বাজাত্যবোধের পরিচায়ক, তাই কেবল তাদের হারানো দিনের পুনরূপায়নের চাবিকাঠি হতে পারে, ফিরিয়ে আনতে পারে কাঙ্ক্ষিত বিজয়, আর স্বভূমি উদ্ধারের সুবাতাস।