১
রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন
লেখকঃ ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৯
নিষিদ্ধ কর্মে বাঁধা দান
তার প্রমাণ :—
أن رسول الله صلي الله عليه و سلم خرج عام الفتح إلى مكة في رمضان، فصام حتى بلغ كراع الغميم فصام الناس، ثم دعا بقدح من ماء فرفعه حتى نظر الناس إليه ثم شرب، فقيل له بعد ذلك : إن بعض الناس قد صام، فقال : أولئك العصاة أولئك العصاة .
জাবের (রা:) এর হাদিস—আমুল ফাতাহ-বিজয়ের বছর রাসূল যখন মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, রাসূল (সা:) তখন ‘কিরাউল গামীম’ পৌঁছা পর্যন্ত রোজা রাখলেন। তার সাথে অন্যরাও রোজা রাখল। অত:পর তিনি একটি পানির পাত্র আনিয়ে, সবাই দেখতে পায় এমনভাবে উঁচু করে পান করলেন। তখন তাঁকে বলা হল, কেউ কেউ তো রোজা রেখেছে ! তিনি বললেন : ‘তারা অবাধ্য, তারা অবাধ্য’। [মুসলিম : ১১১৪।]
এই হাদিসে দেখা যাচ্ছে সফরে রোজা জায়েজ হওয়া সত্ত্বেও রাসূল তা থেকে বাধা দিচ্ছেন। এর দুটি কারণ হতে পারে : এই কাজ ছিল মানুষের জন্মজাত স্বভাব উপযোগী আদেশের বিরোধী কিংবা তখন রোজা রাখা তাদের জন্য ক্ষতিকর ও কষ্টকর হতে পারত। [দ্র : ইমাম নববী লিখিত মুসলিমের ব্যাখ্যা : খন্ড : ৭, পৃষ্ঠা : ২৩২।] এইভাবে উত্তম না হওয়ার ফলেই একটি জায়েজ আমল থেকে যখন রাসূল এইভাবে বাধা দিচ্ছেন তখন তা থেকে অতি সহজেই বুঝা যায়, প্রতি মুসলমানের কর্তব্য হচ্ছে : সাধ্য অনুসারে ভাল কাজের প্রচার-প্রসার করা এবং এই মহান মাসকে ধ্বংসাত্মক বিষয়গুলো থেকে পবিত্র রাখা, যেগুলো অনেক সময় শুধুই ব্যক্তিগত প্রবৃত্তি বা ছোট-খাটো কোন অপরাধ থাকে না। বরং পরিকল্পিত ও সচেতন ইচ্ছেজাত অপরাধ হয়ে উঠে। প্রতিটি মুসলমানকেই এই কাজটি করতে হবে। কারণ আমাদের রাসূল আদেশ করেছেন :—
من رأى منكم منكرا فليغيره بيده، فإن لم يستطع فبلسانه، ومن لم يستطع فبقلبه، وذلك أضعف الإيمان .
অর্থাৎ—তোমাদের কেউ যখন কোন অপকর্ম দেখে তখন সে যেন কর-জোর প্রয়োগ করে তাকে বদলে দেয়, যদি তা না পারে তাহলে যেন মুখের ভাষায় তার প্রতিবাদ করে। যদি তাও না পারে তাহলে মনে মনে তার প্রতিবাদ করে। [মুসলিম : ১৯।]
أن رسول الله صلي الله عليه و سلم خرج عام الفتح إلى مكة في رمضان، فصام حتى بلغ كراع الغميم فصام الناس، ثم دعا بقدح من ماء فرفعه حتى نظر الناس إليه ثم شرب، فقيل له بعد ذلك : إن بعض الناس قد صام، فقال : أولئك العصاة أولئك العصاة .
জাবের (রা:) এর হাদিস—আমুল ফাতাহ-বিজয়ের বছর রাসূল যখন মক্কার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন, রাসূল (সা:) তখন ‘কিরাউল গামীম’ পৌঁছা পর্যন্ত রোজা রাখলেন। তার সাথে অন্যরাও রোজা রাখল। অত:পর তিনি একটি পানির পাত্র আনিয়ে, সবাই দেখতে পায় এমনভাবে উঁচু করে পান করলেন। তখন তাঁকে বলা হল, কেউ কেউ তো রোজা রেখেছে ! তিনি বললেন : ‘তারা অবাধ্য, তারা অবাধ্য’। [মুসলিম : ১১১৪।]
এই হাদিসে দেখা যাচ্ছে সফরে রোজা জায়েজ হওয়া সত্ত্বেও রাসূল তা থেকে বাধা দিচ্ছেন। এর দুটি কারণ হতে পারে : এই কাজ ছিল মানুষের জন্মজাত স্বভাব উপযোগী আদেশের বিরোধী কিংবা তখন রোজা রাখা তাদের জন্য ক্ষতিকর ও কষ্টকর হতে পারত। [দ্র : ইমাম নববী লিখিত মুসলিমের ব্যাখ্যা : খন্ড : ৭, পৃষ্ঠা : ২৩২।] এইভাবে উত্তম না হওয়ার ফলেই একটি জায়েজ আমল থেকে যখন রাসূল এইভাবে বাধা দিচ্ছেন তখন তা থেকে অতি সহজেই বুঝা যায়, প্রতি মুসলমানের কর্তব্য হচ্ছে : সাধ্য অনুসারে ভাল কাজের প্রচার-প্রসার করা এবং এই মহান মাসকে ধ্বংসাত্মক বিষয়গুলো থেকে পবিত্র রাখা, যেগুলো অনেক সময় শুধুই ব্যক্তিগত প্রবৃত্তি বা ছোট-খাটো কোন অপরাধ থাকে না। বরং পরিকল্পিত ও সচেতন ইচ্ছেজাত অপরাধ হয়ে উঠে। প্রতিটি মুসলমানকেই এই কাজটি করতে হবে। কারণ আমাদের রাসূল আদেশ করেছেন :—
من رأى منكم منكرا فليغيره بيده، فإن لم يستطع فبلسانه، ومن لم يستطع فبقلبه، وذلك أضعف الإيمان .
অর্থাৎ—তোমাদের কেউ যখন কোন অপকর্ম দেখে তখন সে যেন কর-জোর প্রয়োগ করে তাকে বদলে দেয়, যদি তা না পারে তাহলে যেন মুখের ভাষায় তার প্রতিবাদ করে। যদি তাও না পারে তাহলে মনে মনে তার প্রতিবাদ করে। [মুসলিম : ১৯।]