১
জান্নাতের পথ
লেখকঃ মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
মুত্তাকীদের জন্য কুরআনে বর্ণিত বিশেষ আয়াতসমূহ
মহান আল্লাহ তা‘আলা মূলত পুরো কুরআনই মুত্তাকীদের লক্ষ্য করে নাযিল করেছেন। তার মধ্যে কিছু তাকওয়া (আল্লাহভীতি বা আল্লাহ সচেতনতা) সম্বলিত অনেক আয়াতও কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। তবে তার সংখ্যা অনেক। আর সত্যি সত্যিই মুত্তাকীদেরকে পুরো কুরআনই বুঝে বুঝে পড়তে হবে। তাই এখানে আমরা কেবল সরল কিছু আয়াত উল্লেখ করব যা কুরআনের শব্দার্থ শেখা ও আয়াত বুঝার জন্য আপনাদের অনুপ্রাণিত করবে ঃ
يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوْا رَبَّكُمُ الَّذِيْ خَلَقَكُمْ وَالَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। (সূরা ২/বাকারাঃ ২১)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়ামকে (রমযান মাসে) ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর (আল্লাহভীতি অর্জন কর)। (সূরা ২/বাকারাঃ ১৮৩)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَاۤ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা মুমিন হও। (সূরা ২/বাকারাঃ ২৭৮)
اَلَّذِيْنَ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
যারা বলে, হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন। (সূরা ৩/আলি ইমরান ঃ ১৬)
بَلٰى مَنْ اَوْفٰى بِعَهْدِه وَاتَّقٰى فَاِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِيْنَ
হ্যাঁ, অবশ্যই যে, নিজ প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন। (সূরা ৩/আলি ইমরানঃ ৭৬)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ حَقَّ تُقَاتِه وَلَا تَمُوْتُنَّ اِلَّا وَاَنْتُمْ مُّسْلِمُوْنَ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যথাযথভাবে। আর তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (সূরা ৩/আলি ইমরানঃ১০২)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَاۤٓ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً وَّاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
হে মুমিনগণ! তোমরা সুদ খাবে না বহুগুণ বৃদ্ধি করে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হও। সূরা ৩/আলি ইমরানঃ
وَكُلُوْا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللهُ حَلَالًا طَيِّبًا وَّاتَّقُوا اللهَ الَّذِيْۤ اَنْتُمْ بِه مُؤْمِنُوْنَ
আর খাও/আহার কর আল্লাহ যা তোমাদের রিযিক দিয়েছেন তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু। আর আল্লাহকে ভয় কর যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ। (সূরা ৫/মায়িদাঃ ৮৮)
قُلْ لَّا يَسْتَوِي الْخَبِيْثُ وَالطَّيِّبُ وَلَوْ اَعْجَبَكَ كَثْرَةُ الْخَبِيْثِۚ فَاتَّقُوا اللهَ يَاۤ اُولِي الْاَلْبَابِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
বল, অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের আধিক্য তোমাকে মুগ্ধ করে। অতএব হে বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা, আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সূরা ৫/মায়িদাঃ ১০০)
وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَاۤ اِلَّا لَعِبٌ وَّلَهْوٌؕ وَّلَلدَّارُ الْاٰخِرَةُ خَيْرٌ لِّلَّذِيْنَ يَتَّقُوْنَؕ اَفَلَا تَعْقِلُوْنَ
আর দুনিয়ার জীবন খেলাধুলা ও তামাশা ছাড়া কিছুই নয়। আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য আখেরাতের আবাস উত্তম। অতএব তোমরা কি বুঝবে না। (সূরা ৬/আনআমঃ৩২)
وَهٰذَا كِتَابٌ اَنْزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ فَاتَّبِعُوْهُ وَاتَّقُوْا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
আর এটি কিতাব - যা আমি নাযিল করেছি - বরকতময়। সুতরাং তোমরা তার অনুসরণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, যাতে তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হও।
(সূরা ৬/আনআমঃ১৫৬)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا قَاتِلُوا الَّذِيْنَ يَلُوْنَكُمْ مِّنَ الْكُفَّارِ وَلْيَجِدُوْا فِيْكُمْ غِلْظَةًؕ وَّاعْلَمُوْاۤ اَنَّ اللهَ مَعَ الْمُتَّقِيْنَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর এবং তারা যেন তোমাদের মধ্যে কঠোরতা দেখতে পায়। আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে আছেন। (সূরা ৯/তাওবাঃ ১২৩)
وَكَذٰلِكَ اَنْزَلْنَاهُ قُرْاٰنًا عَرَبِيًّا وَّصَرَّفْنَا فِيْهِ مِنَ الْوَعِيْدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُوْنَ اَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًا
আর এভাবেই আমি আরবি ভাষায় কুরআন নাযিল করেছি এবং তাতে বিভিন্ন সতর্কবাণী বর্ণনা করেছি, যাতে করে তারা তাকওয়াবান/আল্লাহভীরু/আল্লাহ সচেতন হতে পারে অথবা তা হয় তাদের জন্য উপদেশ।
(সূরা ২০/ত্বাহাঃ ১১৩)
তোমাদের এই দীন তো একই দীন। আর আমি তোমাদের রব, অতএব তোমরা আমাকেই ভয় কর। (সূরা ২৩/মুমিনুনঃ ৫২)
وَمَنْ يُّطِعِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَخْشَ اللهَ وَيَتَّقْهِ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الْفَآئِزُوْنَ
আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই কৃতকার্য। (সূরা ২৪/নূরঃ৫২)
تِلْكَ الدَّارُ الْاٰخِرَةُ نَجْعَلُهَا لِلَّذِيْنَ لَا يُرِيْدُوْنَ عُلُوًّا فِي الْاَرْضِ وَلَا فَسَادًا وَّالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِيْنَ
এই হচ্ছে আখিরাতের নিবাস, যা আমি তাদের জন্য নির্ধারিত করি, যারা যমীনে ঔদ্ধত্য দেখাতে চায় না এবং ফাসাদও চায় না। আর শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য। (সূরা ২৮/ক্বাসাসঃ ৮৩)
লক্ষ্য করুন ইতোমধ্যেই পবিত্র কুরআনের অনেকগুলো আয়াত আপনার শেখা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো এক-দুবার বুঝে বুঝে পড়ুন। যতটুকু শিখেছেন অন্যকে শেখান। এখন থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিদিন বুঝে বুঝে কুরআন পড়ুন।
يَاۤ اَيُّهَا النَّاسُ اعْبُدُوْا رَبَّكُمُ الَّذِيْ خَلَقَكُمْ وَالَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
হে মানবজাতি, তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের পূর্বে যারা ছিল তাদেরকে, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। (সূরা ২/বাকারাঃ ২১)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِيْنَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُوْنَ
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের উপর সিয়ামকে (রমযান মাসে) ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর (আল্লাহভীতি অর্জন কর)। (সূরা ২/বাকারাঃ ১৮৩)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوْا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبَاۤ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা মুমিন হও। (সূরা ২/বাকারাঃ ২৭৮)
اَلَّذِيْنَ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَاۤ اِنَّنَاۤ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
যারা বলে, হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা ঈমান আনলাম। অতএব আমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন। (সূরা ৩/আলি ইমরান ঃ ১৬)
بَلٰى مَنْ اَوْفٰى بِعَهْدِه وَاتَّقٰى فَاِنَّ اللهَ يُحِبُّ الْمُتَّقِيْنَ
হ্যাঁ, অবশ্যই যে, নিজ প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকীদের ভালবাসেন। (সূরা ৩/আলি ইমরানঃ ৭৬)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللهَ حَقَّ تُقَاتِه وَلَا تَمُوْتُنَّ اِلَّا وَاَنْتُمْ مُّسْلِمُوْنَ
হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর যথাযথভাবে। আর তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না। (সূরা ৩/আলি ইমরানঃ১০২)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَأْكُلُوا الرِّبَاۤٓ اَضْعَافًا مُّضَاعَفَةً وَّاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
হে মুমিনগণ! তোমরা সুদ খাবে না বহুগুণ বৃদ্ধি করে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফল হও। সূরা ৩/আলি ইমরানঃ
وَكُلُوْا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللهُ حَلَالًا طَيِّبًا وَّاتَّقُوا اللهَ الَّذِيْۤ اَنْتُمْ بِه مُؤْمِنُوْنَ
আর খাও/আহার কর আল্লাহ যা তোমাদের রিযিক দিয়েছেন তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু। আর আল্লাহকে ভয় কর যার প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ। (সূরা ৫/মায়িদাঃ ৮৮)
قُلْ لَّا يَسْتَوِي الْخَبِيْثُ وَالطَّيِّبُ وَلَوْ اَعْجَبَكَ كَثْرَةُ الْخَبِيْثِۚ فَاتَّقُوا اللهَ يَاۤ اُولِي الْاَلْبَابِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
বল, অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের আধিক্য তোমাকে মুগ্ধ করে। অতএব হে বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা, আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও। (সূরা ৫/মায়িদাঃ ১০০)
وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَاۤ اِلَّا لَعِبٌ وَّلَهْوٌؕ وَّلَلدَّارُ الْاٰخِرَةُ خَيْرٌ لِّلَّذِيْنَ يَتَّقُوْنَؕ اَفَلَا تَعْقِلُوْنَ
আর দুনিয়ার জীবন খেলাধুলা ও তামাশা ছাড়া কিছুই নয়। আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য আখেরাতের আবাস উত্তম। অতএব তোমরা কি বুঝবে না। (সূরা ৬/আনআমঃ৩২)
وَهٰذَا كِتَابٌ اَنْزَلْنَاهُ مُبَارَكٌ فَاتَّبِعُوْهُ وَاتَّقُوْا لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
আর এটি কিতাব - যা আমি নাযিল করেছি - বরকতময়। সুতরাং তোমরা তার অনুসরণ কর এবং তাকওয়া অবলম্বন কর, যাতে তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হও।
(সূরা ৬/আনআমঃ১৫৬)
يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا قَاتِلُوا الَّذِيْنَ يَلُوْنَكُمْ مِّنَ الْكُفَّارِ وَلْيَجِدُوْا فِيْكُمْ غِلْظَةًؕ وَّاعْلَمُوْاۤ اَنَّ اللهَ مَعَ الْمُتَّقِيْنَ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর এবং তারা যেন তোমাদের মধ্যে কঠোরতা দেখতে পায়। আর জেনে রাখ, আল্লাহ মুত্তাকীদের সাথে আছেন। (সূরা ৯/তাওবাঃ ১২৩)
وَكَذٰلِكَ اَنْزَلْنَاهُ قُرْاٰنًا عَرَبِيًّا وَّصَرَّفْنَا فِيْهِ مِنَ الْوَعِيْدِ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُوْنَ اَوْ يُحْدِثُ لَهُمْ ذِكْرًا
আর এভাবেই আমি আরবি ভাষায় কুরআন নাযিল করেছি এবং তাতে বিভিন্ন সতর্কবাণী বর্ণনা করেছি, যাতে করে তারা তাকওয়াবান/আল্লাহভীরু/আল্লাহ সচেতন হতে পারে অথবা তা হয় তাদের জন্য উপদেশ।
(সূরা ২০/ত্বাহাঃ ১১৩)
তোমাদের এই দীন তো একই দীন। আর আমি তোমাদের রব, অতএব তোমরা আমাকেই ভয় কর। (সূরা ২৩/মুমিনুনঃ ৫২)
وَمَنْ يُّطِعِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَخْشَ اللهَ وَيَتَّقْهِ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الْفَآئِزُوْنَ
আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই কৃতকার্য। (সূরা ২৪/নূরঃ৫২)
تِلْكَ الدَّارُ الْاٰخِرَةُ نَجْعَلُهَا لِلَّذِيْنَ لَا يُرِيْدُوْنَ عُلُوًّا فِي الْاَرْضِ وَلَا فَسَادًا وَّالْعَاقِبَةُ لِلْمُتَّقِيْنَ
এই হচ্ছে আখিরাতের নিবাস, যা আমি তাদের জন্য নির্ধারিত করি, যারা যমীনে ঔদ্ধত্য দেখাতে চায় না এবং ফাসাদও চায় না। আর শুভ পরিণাম মুত্তাকীদের জন্য। (সূরা ২৮/ক্বাসাসঃ ৮৩)
লক্ষ্য করুন ইতোমধ্যেই পবিত্র কুরআনের অনেকগুলো আয়াত আপনার শেখা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো এক-দুবার বুঝে বুঝে পড়ুন। যতটুকু শিখেছেন অন্যকে শেখান। এখন থেকে নিয়মিতভাবে প্রতিদিন বুঝে বুঝে কুরআন পড়ুন।