১
জান্নাতের পথ
লেখকঃ মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
মুত্তাকী হতে না পারলে বড়ই আফসোস করতে হবে
এই আধুনিক যুগে জন্ম নিয়ে কোন শিক্ষিত ব্যক্তি যদি মুত্তাকী হতে না পারেন তাহলে তাকে দুনিয়া ও আখেরাত দুই জায়গাতেই বড়ই আফসোস করতে হবে। কারণ একদিকে যেমন পবিত্র কুরআন অক্ষরে অক্ষরে অবিকৃত আছে, তেমনি আল্লাহ তার যোগ্য বান্দাদের মাধ্যমে তাঁর কুরআনকে পৃথিবীর সব ভাষাতেই শাব্দিক ও সরল অনুবাদ করিয়ে দিয়েছেন। যাকে লম্বা হায়াত দেয়া হয়েছে, যার শেখার সুযোগ ছিল/আছে, যে খেল-তামাশা, গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা দেখে জীবনের অনেক সময় কাটিয়ে দিয়েছে তার ব্যাপারে কোন ওজরই গ্রহণ করা হবে না।
এ ব্যাপারে সূরা নং ৩৯, সূরা যুমার এর ৫৭-৬১ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
اَوْ تَقُوْلَ لَوْ اَنَّ اللهَ هَدَانِيْ لَكُنْتُ مِنَ الْمُتَّقِيْنَ
অথবা যাতে কাউকে একথাও বলতে না হয়, আল্লাহ যদি আমাকে হিদায়াত দিতেন তাহলে আমি অবশ্যই মুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।
اَوْ تَقُوْلَ حِيْنَ تَرَى الْعَذَابَ لَوْ اَنَّ لِيْ كَرَّةً فَاَكُوْنَ مِنَ الْمُحْسِنِيْنَ
অথবা আযাব প্রত্যক্ষ করার সময় যাতে কাউকে একথাও বলতে না হয়, যদি একবার ফিরে যাওয়ার সুযোগ হত, তাহলে আমি মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
بَلٰى قَدْ جَآءَتْكَ اٰيَاتِيْ فَكَذَّبْتَ بِهَا
হ্যাঁ, অবশ্যই তোমার কাছে আমার নিদর্শনাবলী এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলোকে অস্বীকার করেছিলে
وَاسْتَكْبَرْتَ وَكُنْتَ مِنَ الْكَافِرِيْنَ
এবং তুমি অহঙ্কার করেছিলে আর তুমি কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।
وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ تَرَى الَّذِيْنَ كَذَبُوْا عَلَى اللهِ وُجُوْهُهُمْ مُّسْوَدَّةٌ
আর যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে কিয়ামতের দিন তুমি তাদের চেহারাগুলো কালো দেখতে পাবে।
اَلَيْسَ فِيْ جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْمُتَكَبِّرِيْنَ
অহঙ্কারীদের বাসস্থান জাহান্নামের মধ্যে নয় কি?
وَيُنَجِّي اللهُ الَّذِيْنَ اتَّقَوْا بِمَفَازَتِهِمْ
আর আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে তাদের সাফল্যসহ নাজাত দেবেন।
لَا يَمَسُّهُمُ السُّوْٓءُ
কোন অমঙ্গল তাদেরকে স্পর্শ করবে না।
وَلَا هُمْ يَحْزَنُوْنَ
আর তারা চিন্তিতও হবে না।
সূরা নং ৪৩, সূরা যুখরুফ এর ৩৪-৪৪ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
وَلِبُيُوْتِهِمْ اَبْوَابًا وَّسُرُرًا عَلَيْهَا يَتَّكِئُوْنَ
আর তাদেও গৃহসমূহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক, যাতে তারা হেলান দেয়।
وَزُخْرُفًا وَّاِنْ كُلُّ ذٰلِكَ لَمَّا مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا
আর তাদের জন্য স্বর্ণনির্মিত এর সবকয়টিই দুনিয়ার জীবনের ভোগ-সামগ্রী।
وَالْاٰخِرَةُ عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُتَّقِيْنَ
আর আখিরাত তো তোমার রবের কাছে মুত্তাকীদের জন্য।
وَمَنْ يَّعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمٰنِ نُقَيِّضْ لَهٗ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهٗ قَرِيْنٌ
আর যে পরম করুণাময়ের যিকির (কুরআন) থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।
وَاِنَّهُمْ لَيَصُدُّوْنَهُمْ عَنِ السَّبِيْلِ
আর নিশ্চয় তারাই (শয়তান) মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়।
وَيَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ
অথচ মানুষ মনে করে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।
حَتّٰۤى اِذَا جَآءَنَا قَالَ يَا لَيْتَ بَيْنِيْ وَبَيْنَكَ بُعْدَ الْمَشْرِقَيْنِ فَبِئْسَ الْقَرِيْنُ
অবশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে বলবে, হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত। সুতরাং কতইনা নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!
وَلَنْ يَّنْفَعَكُمُ الْيَوْمَ
আর আজ তা (তাদের সেই অনুতাপ) তোমাদের কোন উপকারেই আসবে না।
اِذْ ظَّلَمْتُمْ
যেহেতু তোমরা যুলুম করেছিলে।
اَنَّكُمْ فِي الْعَذَابِ مُشْتَرِكُوْنَ
নিশ্চয় তোমরা আযাবে পরস্পর অংশীদার হয়ে থাকবে।
اَفَاَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ اَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ
তুমি কি বধিরকে শোনাতে পারবে অথবা হিদায়াত করতে পারবে অন্ধকে এবং যে স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় রয়েছে?
فَاِمَّا نَذْهَبَنَّ بِكَ فَاِنَّا مِنْهُمْ مُّنْتَقِمُوْنَ
অতঃপর যদি আমি তোমাকে নিয়ে যাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব।
اَوْ نُرِيَنَّكَ الَّذِيْ وَعَدْنَاهُمْ فَاِنَّا عَلَيْهِمْ مُّقْتَدِرُوْنَ
অথবা আমি তাদের যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি তা যদি তোমাকে প্রত্যক্ষ করাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান থাকব।
فَاسْتَمْسِكْ بِالَّذِيْۤ اُوْحِيَ اِلَيْكَ
অতএব তোমার প্রতি যা ওহী করা হয়েছে তাকে তুমি সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর।
اِنَّكَ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
নিশ্চয় তুমি সরল পথের উপর রয়েছ।
وَاِنَّهٗ لَذِكْرٌ لَّكَ وَلِقَوْمِكَ
নিশ্চয় এ কুরআন তোমার জন্য এবং তোমার কওমের জন্য উপদেশ।
وَسَوْفَ تُسْاَلُوْنَ
আর অচিরেই তোমাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
এ ব্যাপারে সূরা নং ৩৯, সূরা যুমার এর ৫৭-৬১ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
اَوْ تَقُوْلَ لَوْ اَنَّ اللهَ هَدَانِيْ لَكُنْتُ مِنَ الْمُتَّقِيْنَ
অথবা যাতে কাউকে একথাও বলতে না হয়, আল্লাহ যদি আমাকে হিদায়াত দিতেন তাহলে আমি অবশ্যই মুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম।
اَوْ تَقُوْلَ حِيْنَ تَرَى الْعَذَابَ لَوْ اَنَّ لِيْ كَرَّةً فَاَكُوْنَ مِنَ الْمُحْسِنِيْنَ
অথবা আযাব প্রত্যক্ষ করার সময় যাতে কাউকে একথাও বলতে না হয়, যদি একবার ফিরে যাওয়ার সুযোগ হত, তাহলে আমি মুমিনদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।
بَلٰى قَدْ جَآءَتْكَ اٰيَاتِيْ فَكَذَّبْتَ بِهَا
হ্যাঁ, অবশ্যই তোমার কাছে আমার নিদর্শনাবলী এসেছিল, অতঃপর তুমি সেগুলোকে অস্বীকার করেছিলে
وَاسْتَكْبَرْتَ وَكُنْتَ مِنَ الْكَافِرِيْنَ
এবং তুমি অহঙ্কার করেছিলে আর তুমি কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।
وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ تَرَى الَّذِيْنَ كَذَبُوْا عَلَى اللهِ وُجُوْهُهُمْ مُّسْوَدَّةٌ
আর যারা আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে কিয়ামতের দিন তুমি তাদের চেহারাগুলো কালো দেখতে পাবে।
اَلَيْسَ فِيْ جَهَنَّمَ مَثْوًى لِّلْمُتَكَبِّرِيْنَ
অহঙ্কারীদের বাসস্থান জাহান্নামের মধ্যে নয় কি?
وَيُنَجِّي اللهُ الَّذِيْنَ اتَّقَوْا بِمَفَازَتِهِمْ
আর আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে তাদের সাফল্যসহ নাজাত দেবেন।
لَا يَمَسُّهُمُ السُّوْٓءُ
কোন অমঙ্গল তাদেরকে স্পর্শ করবে না।
وَلَا هُمْ يَحْزَنُوْنَ
আর তারা চিন্তিতও হবে না।
সূরা নং ৪৩, সূরা যুখরুফ এর ৩৪-৪৪ আয়াতে আল্লাহ বলেন,
وَلِبُيُوْتِهِمْ اَبْوَابًا وَّسُرُرًا عَلَيْهَا يَتَّكِئُوْنَ
আর তাদেও গৃহসমূহের জন্য দরজা ও পালঙ্ক, যাতে তারা হেলান দেয়।
وَزُخْرُفًا وَّاِنْ كُلُّ ذٰلِكَ لَمَّا مَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا
আর তাদের জন্য স্বর্ণনির্মিত এর সবকয়টিই দুনিয়ার জীবনের ভোগ-সামগ্রী।
وَالْاٰخِرَةُ عِنْدَ رَبِّكَ لِلْمُتَّقِيْنَ
আর আখিরাত তো তোমার রবের কাছে মুত্তাকীদের জন্য।
وَمَنْ يَّعْشُ عَنْ ذِكْرِ الرَّحْمٰنِ نُقَيِّضْ لَهٗ شَيْطَانًا فَهُوَ لَهٗ قَرِيْنٌ
আর যে পরম করুণাময়ের যিকির (কুরআন) থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।
وَاِنَّهُمْ لَيَصُدُّوْنَهُمْ عَنِ السَّبِيْلِ
আর নিশ্চয় তারাই (শয়তান) মানুষদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বাধা দেয়।
وَيَحْسَبُوْنَ اَنَّهُمْ مُّهْتَدُوْنَ
অথচ মানুষ মনে করে তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত।
حَتّٰۤى اِذَا جَآءَنَا قَالَ يَا لَيْتَ بَيْنِيْ وَبَيْنَكَ بُعْدَ الْمَشْرِقَيْنِ فَبِئْسَ الْقَرِيْنُ
অবশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে বলবে, হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত। সুতরাং কতইনা নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!
وَلَنْ يَّنْفَعَكُمُ الْيَوْمَ
আর আজ তা (তাদের সেই অনুতাপ) তোমাদের কোন উপকারেই আসবে না।
اِذْ ظَّلَمْتُمْ
যেহেতু তোমরা যুলুম করেছিলে।
اَنَّكُمْ فِي الْعَذَابِ مُشْتَرِكُوْنَ
নিশ্চয় তোমরা আযাবে পরস্পর অংশীদার হয়ে থাকবে।
اَفَاَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ اَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِيْ ضَلَالٍ مُّبِيْنٍ
তুমি কি বধিরকে শোনাতে পারবে অথবা হিদায়াত করতে পারবে অন্ধকে এবং যে স্পষ্ট পথভ্রষ্টতায় রয়েছে?
فَاِمَّا نَذْهَبَنَّ بِكَ فَاِنَّا مِنْهُمْ مُّنْتَقِمُوْنَ
অতঃপর যদি আমি তোমাকে নিয়ে যাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করব।
اَوْ نُرِيَنَّكَ الَّذِيْ وَعَدْنَاهُمْ فَاِنَّا عَلَيْهِمْ مُّقْتَدِرُوْنَ
অথবা আমি তাদের যে শাস্তির ওয়াদা দিয়েছি তা যদি তোমাকে প্রত্যক্ষ করাই, তবে নিশ্চয় আমি তাদের উপর পূর্ণ ক্ষমতাবান থাকব।
فَاسْتَمْسِكْ بِالَّذِيْۤ اُوْحِيَ اِلَيْكَ
অতএব তোমার প্রতি যা ওহী করা হয়েছে তাকে তুমি সুদৃঢ়ভাবে ধারণ কর।
اِنَّكَ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ
নিশ্চয় তুমি সরল পথের উপর রয়েছ।
وَاِنَّهٗ لَذِكْرٌ لَّكَ وَلِقَوْمِكَ
নিশ্চয় এ কুরআন তোমার জন্য এবং তোমার কওমের জন্য উপদেশ।
وَسَوْفَ تُسْاَلُوْنَ
আর অচিরেই তোমাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।