hadith book logo

জান্নাতের পথ

লেখকঃ মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২২

সূরা কাউসার (ঝর্ণা)

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ ‐ اِنَّاۤ اَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ ‐ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ ‐ اِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْاَبْتَرُ

শাব্দিক অর্থ : اِنَّاۤ اَعْطَيْنَاكَ (হে নবী!) আমি অবশ্যই তোমাকে দান করেছি اَلْكَوْثَرَ কাওসার। فَصَلِّ অতএব তুমি সালাত কায়েম করো لِرَبِّكَ তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে وَانْحَرْ এবং কুরবানী করো। اِنَّ شَانِئَكَ নিশ্চয় তোমার নিন্দাকারীরাই هُوَ الْاَبْتَرُ লেজকাটা (অসহায়)।

অর্থ : ১. (হে নবী!) আমি অবশ্যই তোমাকে (নিয়ামতের ভান্ডার) কাওসার দান করেছি। ২. অতএব, (আমার স্মরণের জন্য) তুমি সালাত কায়েম করো এবং (আমারই উদ্দেশ্যে) কুরবানী করো। ৩. নিশ্চয় (পরিশেষে) তোমার নিন্দাকারীরাই হবে লেজকাটা (অসহায়)।

হাশরের মাঠে যে ঝর্ণা থেকে রসুল ﷺ আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও তার নাবীর প্রিয় উম্মতদেরকে পানি পান করাবেন। যেদিন এমন পিপাসা লাগবে যে সমস্ত সাগরের পানি পান করালেও পিপাসা মিটবে না এবং কাওসার ছাড়া আর কোন ঝর্ণাও থাকবে না এবং সেখান থেকে রসুল ﷺ এর হাতে এক গ্লাস পানি পান করার পর আর কোন পিপাসা লাগবে না। তবে কাফির, মুশরিক, মুনাফিকদের সাথে বিদআতী মুসলিমদেরকেও সেই ঝর্ণা থেকে পানি পান করতে দেয়া হবে না। সুতরাং বিদআত থেকে সাবধান।