১
যা হবে মরণের পরে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৭
কিয়ামতের দিন মুমিনগণ নিরাপদে হাশরের মাঠে উপস্থিত হবেনঃ
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
يَوْمَ نَحْشُرُ الْمُتَّقِينَ إِلَى الرَّحْمَنِ وَفْدًا
অর্থঃ সেদিন দয়াময় আল্লাহর কাছে পরহেজগারদেরকে সম্মানিত অতিথিরূপে সমবেত করা হবে। (সূরা মারইয়ামঃ ৮৫)
আল্লামা ইবনে কাছীর (রঃ) এই আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ আল্লাহর যেসমস্ত পরহেজগার বান্দা দুনিয়াতে আল্লাহকে ভয় করে চলবেন, তাঁর রাসূলদের আনুগত্য করতঃ রাসূলগণ কর্তৃক প্রদত্ত সংবাদ সত্য বলে বিশ্বাস করবেন, তারা যে বিষয়ের আদেশ দিবেন তা মেনে নিবেন এবং রাসূলগণ যা থেকে নিষেধ করবেন তা থেকে বিরত থাকবেন তাদেরকে আল্লাহ তাআলা সম্মানিত অতিথি রূপে আপন দরবারে উপস্থিত করবেন। আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ
وَسِيْقَ الَّذِيْنَ اتَّقَوْا رَبَّهُمْ إِلى الْجَنَّةِ زُمَرًا حَتَّى إِذَا جَاؤُوْهَا وَفُتِحَتْ أَبْوَابُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا سَلامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوْهَا خَالِدِيْنَ “
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করতো তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা জান্নাতের নিকটস্থ হবেন এবং তাদের জন্যে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে তখন জান্নাতের রক্ষীগণ তাদেরকে বলবেনঃ তোমাদের প্রতি সালাম। তোমরা সুখে থাক। অতঃপর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা যুমারঃ ৭৩)
অত্র আয়াতে আল্লাহ সৌভাগ্যবান মুমিনদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, তাদেরকে দ্রুতগামী বাহনে করে সম্মানিত মেহমান রূপে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে। নৈকট্যশীলদেরকে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। তার পর নেককারদেরকে অতঃপর তাদের পরবর্তীদেরকে। প্রত্যেক দলকে তাদের সাথীদের সঙ্গে বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে। নবীগণকে নবীদের সাথে, সত্যবাদীগণকে সত্যবাদীদের সাথে, শহীদদেরকে তাঁদের সঙ্গীদের সাথে এবং আলেমদেরকে তাদের বন্ধুদের সাথে বেহেশতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। পুলসিরাত পার হওয়ার পর যখন তারা জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছবেন তখন জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝামাঝি একটি স্থানে তাদেরকে আটকানো হবে এবং তাদের মাঝে পারস্পরিক জুলুম থেকে প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। তাদেরকে সকল প্রকার দোষ-ত্রুটি থেকে পবিত্র করে বেহেশতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।
يَوْمَ نَحْشُرُ الْمُتَّقِينَ إِلَى الرَّحْمَنِ وَفْدًا
অর্থঃ সেদিন দয়াময় আল্লাহর কাছে পরহেজগারদেরকে সম্মানিত অতিথিরূপে সমবেত করা হবে। (সূরা মারইয়ামঃ ৮৫)
আল্লামা ইবনে কাছীর (রঃ) এই আয়াতের তাফসীরে বলেনঃ আল্লাহর যেসমস্ত পরহেজগার বান্দা দুনিয়াতে আল্লাহকে ভয় করে চলবেন, তাঁর রাসূলদের আনুগত্য করতঃ রাসূলগণ কর্তৃক প্রদত্ত সংবাদ সত্য বলে বিশ্বাস করবেন, তারা যে বিষয়ের আদেশ দিবেন তা মেনে নিবেন এবং রাসূলগণ যা থেকে নিষেধ করবেন তা থেকে বিরত থাকবেন তাদেরকে আল্লাহ তাআলা সম্মানিত অতিথি রূপে আপন দরবারে উপস্থিত করবেন। আল্লাহ তাআলা আরও বলেনঃ
وَسِيْقَ الَّذِيْنَ اتَّقَوْا رَبَّهُمْ إِلى الْجَنَّةِ زُمَرًا حَتَّى إِذَا جَاؤُوْهَا وَفُتِحَتْ أَبْوَابُهَا وَقَالَ لَهُمْ خَزَنَتُهَا سَلامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوْهَا خَالِدِيْنَ “
যারা তাদের পালনকর্তাকে ভয় করতো তাদেরকে দলে দলে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। যখন তারা জান্নাতের নিকটস্থ হবেন এবং তাদের জন্যে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে তখন জান্নাতের রক্ষীগণ তাদেরকে বলবেনঃ তোমাদের প্রতি সালাম। তোমরা সুখে থাক। অতঃপর স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা যুমারঃ ৭৩)
অত্র আয়াতে আল্লাহ সৌভাগ্যবান মুমিনদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, তাদেরকে দ্রুতগামী বাহনে করে সম্মানিত মেহমান রূপে জান্নাতে নিয়ে যাওয়া হবে। নৈকট্যশীলদেরকে সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে। তার পর নেককারদেরকে অতঃপর তাদের পরবর্তীদেরকে। প্রত্যেক দলকে তাদের সাথীদের সঙ্গে বেহেশতে প্রবেশ করানো হবে। নবীগণকে নবীদের সাথে, সত্যবাদীগণকে সত্যবাদীদের সাথে, শহীদদেরকে তাঁদের সঙ্গীদের সাথে এবং আলেমদেরকে তাদের বন্ধুদের সাথে বেহেশতের দিকে নিয়ে যাওয়া হবে। পুলসিরাত পার হওয়ার পর যখন তারা জান্নাতের দরজার কাছে পৌঁছবেন তখন জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝামাঝি একটি স্থানে তাদেরকে আটকানো হবে এবং তাদের মাঝে পারস্পরিক জুলুম থেকে প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ দেয়া হবে। তাদেরকে সকল প্রকার দোষ-ত্রুটি থেকে পবিত্র করে বেহেশতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।