১
বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)
লেখকঃ ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
(১৮) আযান ও আযানের সময় আল্লাহর যিক্র প্রসঙ্গে তাঁর আদর্শমালা [যাদুল মা‘আদ, ২/৩৫৫।]
১. রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তারজী‘য়ের সাথে আযান এবং তারজী‘য় ছাড়া আযান উভয়টি সুন্নাত করেন। [আযানে তারজী‘য় শব্দের মর্মার্থ হলো: মুয়াযযিন কর্তৃক ‘শাহাদত বাণীদ্বয়’ উচ্চঃস্বরে বলার পর দ্বিতীয় বার নিম্নস্বরে পাঠ করা।’’ অনুবাদক।] আর ইকামতের শব্দগুলো দু’বার দু’বার ও একবার একবার করে উচ্চারণ করার বিধান করেন, কিন্তু ‘ক্বাদ-ক্বামাতিস্ সালাহ্’ বাক্যটি কখনই একবার বলেননি।
২. তিনি স্বীয় উম্মতের জন্য বিধান করেন যে, আযান শ্রবণকারী ঠিক সেই বাক্যগুলির পুনারাবৃত্তি করবে যেগুলি মুয়াযযিন বলে থাকে, কিন্তু ‘হাইয়্যা আলাস্-সালাহ’ ও হাইয়্যা আলাল-ফালাহ্’ বাক্যদ্বয়ের পরিবর্তে ‘লা-হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা-বিল্লাহ্’ বলা তাঁর থেকে সহীহ্ সনদে প্রমাণিত আছে।
৩. তিনি বলেন: যে ব্যক্তি মুয়ায্যিনের আযান শুনে এ দু‘আটি পাঠ করে:
«وأنا أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمداً رسول الله رضيت بالله رباً وبمحمد رسولاً وبالإسلام ديناً»
‘আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া-আন্না মুহাম্মাদান রাসুলু্ল্লাহ্, রাযীদু বিল্লাহি রাববান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলান, ওয়া বিল-ইসলামে দ্বীনান;
“আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া সত্য কোনো মা‘বুদ নেই এবং মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রাসূল, আর আল্লাহকে রব, মুহাম্মাদকে রাসূল এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে প্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট;” তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। [মুসলিম।]
৪. তিনি আযান শ্রবণকারীর জন্যে বিধান প্রদান করেন যে, সে মুয়াযযিনের আযানের জবাবের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত-সালাম পাঠ করে এ দু‘আটি পড়বে :
«اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة آت محمداً الوسيلة والفضيلة وابعثه مقاماً محموداً الذي وعدته» .
‘আল্ল-হুম্মা রাববা হাযিহিদ দাওয়াতিত তাম্মতি, ওয়াস সালাতিল ক্বায়েমাতি,আতি-মাহ্ মুদানিল ওয়াসিলাতা, ওয়াল-ফাযীলাতা, ওয়াবআসহু মাকামাম মাহ্ মুদানিল্লাযি ওয়াআদ্তাহ,
হে আল্লাহ্ ! এই পূর্ণাঙ্গ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের প্রভু, তুমি মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উসীলা এবং ফযীলত তথা উচ্চতম মর্যাদা দান করো এবং তাঁকে তোমার ওয়াদাকৃত প্রশংসিত স্থানে পৌঁছিয়ে দাও।” [বুখারী।]
৫. তিনি আরো বলেছেন: আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দু‘আ প্রত্যাখ্যাত হয় না।” [আবু দাউদ।]
২. তিনি স্বীয় উম্মতের জন্য বিধান করেন যে, আযান শ্রবণকারী ঠিক সেই বাক্যগুলির পুনারাবৃত্তি করবে যেগুলি মুয়াযযিন বলে থাকে, কিন্তু ‘হাইয়্যা আলাস্-সালাহ’ ও হাইয়্যা আলাল-ফালাহ্’ বাক্যদ্বয়ের পরিবর্তে ‘লা-হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা-বিল্লাহ্’ বলা তাঁর থেকে সহীহ্ সনদে প্রমাণিত আছে।
৩. তিনি বলেন: যে ব্যক্তি মুয়ায্যিনের আযান শুনে এ দু‘আটি পাঠ করে:
«وأنا أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمداً رسول الله رضيت بالله رباً وبمحمد رسولاً وبالإسلام ديناً»
‘আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়া-আন্না মুহাম্মাদান রাসুলু্ল্লাহ্, রাযীদু বিল্লাহি রাববান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলান, ওয়া বিল-ইসলামে দ্বীনান;
“আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া সত্য কোনো মা‘বুদ নেই এবং মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার রাসূল, আর আল্লাহকে রব, মুহাম্মাদকে রাসূল এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে প্রহণ করে আমি সন্তুষ্ট;” তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। [মুসলিম।]
৪. তিনি আযান শ্রবণকারীর জন্যে বিধান প্রদান করেন যে, সে মুয়াযযিনের আযানের জবাবের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত-সালাম পাঠ করে এ দু‘আটি পড়বে :
«اللهم رب هذه الدعوة التامة والصلاة القائمة آت محمداً الوسيلة والفضيلة وابعثه مقاماً محموداً الذي وعدته» .
‘আল্ল-হুম্মা রাববা হাযিহিদ দাওয়াতিত তাম্মতি, ওয়াস সালাতিল ক্বায়েমাতি,আতি-মাহ্ মুদানিল ওয়াসিলাতা, ওয়াল-ফাযীলাতা, ওয়াবআসহু মাকামাম মাহ্ মুদানিল্লাযি ওয়াআদ্তাহ,
হে আল্লাহ্ ! এই পূর্ণাঙ্গ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের প্রভু, তুমি মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে উসীলা এবং ফযীলত তথা উচ্চতম মর্যাদা দান করো এবং তাঁকে তোমার ওয়াদাকৃত প্রশংসিত স্থানে পৌঁছিয়ে দাও।” [বুখারী।]
৫. তিনি আরো বলেছেন: আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দু‘আ প্রত্যাখ্যাত হয় না।” [আবু দাউদ।]