১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
মাতার অধিকার পিতার তিন গুণ
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا
আমি মানুষকে মাতা-পিতার সাথে সুন্দর আচরণের তাগিদ দিয়েছি।
তার মা অনেক কষ্টে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে এবং বহু কষ্ট করে ভূমিষ্ট করেছে। গর্ভে ধারণ করা ও দুধ পান করানোর (কঠিন কাজের) সময়কাল হলো আড়াই বছর। [২ সুরা আল-আহকাফঃ ১৫]
তিনি আরো বলেনঃ
وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَى وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ
আমি মানুষকে তার মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট স্বীকার করে গর্ভে ধারণ করেছে। আর দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছরের মধ্যে। এ নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার মাতা-পিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। [১ সুরা লুকমানঃ ১৪]
আবু হুরাইরা (র) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হয়ে জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আমার সুন্দর আচরণের সবচাইতে বেশি হকদার কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে পূনরায় জিজ্ঞেস করলো, এরপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে পূনরায় জিজ্ঞেস করলো তারপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে আবারও জিজ্ঞেস করলো এরপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা। [২সহিহ আল বুখারী, এইচ এম সাঈদ কম্পানী,আদব মঞ্জিল, করাচী, কিতাবুল আদব, ২খ, পৃ;৮৮২; সহিহ মুসলিম, প্রাগুক্ত আরো দ্রঃ ইবন মাজাহ, পৃ. ২৬০ আল মুসতাদরাক, ৪খ, পৃ. ১৫০ ফাতহুর রববানী ১৯খ , পৃ. ৩৮]
বাহ্য ইবন হাকিম তাঁর পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কার সাথে সবচাইতে বেশী ভালো ব্যবহার করব? তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। আমি পূনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কার সাথে? তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। তিনি আবারও জিজ্ঞস করলেনঃ তারপর কার সাথে? এবারও তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। আমি পূনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কার সাথে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতার সাথে। অতঃপর পর্যায়ক্রমে নিকটতম আত্মীয়- স্বজনের সাথে। [৩ আল মুস্তাদরাক, ৪খ, পৃ. ১৫০;]
মিকদাম ইবন মা’দিকারাব (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের মায়েদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন। অর্থাৎ তাদের সাথে সদাচরণ করার আদেশ দিচেছন। একথা তিনি তিনবার বললেন । নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের পিতাদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন । নিশ্চয় আল্লাহ পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তিদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন। (সদাচারের) [১ ইবন মাজাহ; পৃ. ২৬০]
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তিনি বললেনঃ তোমার মাতা-পিতা কি বেঁচে আছে? লোকটি বললো, হাঁ, বেঁচে আছেন। তিনি বললেনঃ তাদের মাঝে জিহাদ করো। [২ সহিহ মুসলিম, আবু দাউদ, প্রাগুক্ত]
অর্থাৎ তাদের সেবা-যত্ন ও খেদমতে আত্মনিয়োগ কর। এটাই জিহাদ। আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছি , হে আল্লাহর রাসুল! মহিলাদের উপর সবচাইতে বেশি অধিকার কার ? তিনি জবাব দিলেনঃ তার স্বামীর। বললাম, পুরুষের উপর সবচাইতে বেশি অধিকার কার? তিনি বললেনঃ তার মায়ের। [৩ আল মুসতাদরাক,৪খ পৃ. ১৫০]
وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا
আমি মানুষকে মাতা-পিতার সাথে সুন্দর আচরণের তাগিদ দিয়েছি।
তার মা অনেক কষ্টে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে এবং বহু কষ্ট করে ভূমিষ্ট করেছে। গর্ভে ধারণ করা ও দুধ পান করানোর (কঠিন কাজের) সময়কাল হলো আড়াই বছর। [২ সুরা আল-আহকাফঃ ১৫]
তিনি আরো বলেনঃ
وَوَصَّيْنَا الْإِنْسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهُ وَهْنًا عَلَى وَهْنٍ وَفِصَالُهُ فِي عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِي وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيرُ
আমি মানুষকে তার মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করার জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মা তাকে কষ্টের পর কষ্ট স্বীকার করে গর্ভে ধারণ করেছে। আর দুধ ছাড়ানো হয় দু’বছরের মধ্যে। এ নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার মাতা-পিতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। [১ সুরা লুকমানঃ ১৪]
আবু হুরাইরা (র) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে হাজির হয়ে জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসুলুল্লাহ ! আমার সুন্দর আচরণের সবচাইতে বেশি হকদার কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে পূনরায় জিজ্ঞেস করলো, এরপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে পূনরায় জিজ্ঞেস করলো তারপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার মা। সে আবারও জিজ্ঞেস করলো এরপর কে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতা। [২সহিহ আল বুখারী, এইচ এম সাঈদ কম্পানী,আদব মঞ্জিল, করাচী, কিতাবুল আদব, ২খ, পৃ;৮৮২; সহিহ মুসলিম, প্রাগুক্ত আরো দ্রঃ ইবন মাজাহ, পৃ. ২৬০ আল মুসতাদরাক, ৪খ, পৃ. ১৫০ ফাতহুর রববানী ১৯খ , পৃ. ৩৮]
বাহ্য ইবন হাকিম তাঁর পিতার সূত্রে তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আরয করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কার সাথে সবচাইতে বেশী ভালো ব্যবহার করব? তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। আমি পূনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কার সাথে? তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। তিনি আবারও জিজ্ঞস করলেনঃ তারপর কার সাথে? এবারও তিনি বললেনঃ তোমার মায়ের সাথে। আমি পূনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তারপর কার সাথে? তিনি বললেনঃ তোমার পিতার সাথে। অতঃপর পর্যায়ক্রমে নিকটতম আত্মীয়- স্বজনের সাথে। [৩ আল মুস্তাদরাক, ৪খ, পৃ. ১৫০;]
মিকদাম ইবন মা’দিকারাব (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের মায়েদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন। অর্থাৎ তাদের সাথে সদাচরণ করার আদেশ দিচেছন। একথা তিনি তিনবার বললেন । নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের পিতাদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন । নিশ্চয় আল্লাহ পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তিদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচেছন। (সদাচারের) [১ ইবন মাজাহ; পৃ. ২৬০]
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তিনি বললেনঃ তোমার মাতা-পিতা কি বেঁচে আছে? লোকটি বললো, হাঁ, বেঁচে আছেন। তিনি বললেনঃ তাদের মাঝে জিহাদ করো। [২ সহিহ মুসলিম, আবু দাউদ, প্রাগুক্ত]
অর্থাৎ তাদের সেবা-যত্ন ও খেদমতে আত্মনিয়োগ কর। এটাই জিহাদ। আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছি , হে আল্লাহর রাসুল! মহিলাদের উপর সবচাইতে বেশি অধিকার কার ? তিনি জবাব দিলেনঃ তার স্বামীর। বললাম, পুরুষের উপর সবচাইতে বেশি অধিকার কার? তিনি বললেনঃ তার মায়ের। [৩ আল মুসতাদরাক,৪খ পৃ. ১৫০]