১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
মাতা-পিতার বন্ধু-বান্ধবদের সাথে সদ্ব্যবহার
আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ তোমার পিতার বন্ধুদের ব্যাপারে যত্নবান হও। তাদের সাথে সর্ম্পক ছিন্ন করো না, (যদি ছিন্ন কর) তাহলে আল্লাহ তাআলা তোমার নুর বিলুপ্ত করে দেবেন। [১ নাদরাতুন নাঈম , ৩ খ পৃ.৭৭৫ হাইসামী আল মাজমা; ৮খ,পৃ.১৪৭ বরাত;]
অব্দুল্লাহ ইবন উমার(রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা বড় সৎকাজ হচ্ছে, পিতার বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। [২ সহিহ মুসলিম, বির ওয়াস সিলা, অনুঃ মাতা-পিতার বন্ধু বান্ধবদের সাথে সদাচরণ করার ফযিলত ৪খ, পৃ. ১৯৭৯, নং ১২, আরো দ্রঃ তিরমিযী, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ]
আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন এক আরব বেদুইন তাঁর সাথে মক্কার পথে মিলিত হলো। আব্দুল্লাহ (রা) তাকে সালাম দিলেন এবং তার সাওয়ারী গাধার উপর তাকে তুলে নিলেন। তিনি নিজের মাথার পাগড়ীও তাকে দিয়ে দিলেন। (তার এক সফরসঙ্গী) ইবন দীনার বলেন, আমরা তাকে(আব্দুল্লাহকে) বললাম, আল্লাহ তাআলা আপনাকে কল্যাণ দান করুন। তারা তো গ্রামবাসী। তারা অল্প কিছু পেলেই তাতে সন্তুষ্ট হয়। (দুদিরহাম দিয়ে দিলেই তো যথেষ্ট হতো) আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) বললেন, এ লোকটির পিতা উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) এর বন্ধু ছিলেন। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম সৎকাজ হচ্ছে পিতার বন্ধুদের সাথে তার সুসম্পর্ক বজায় রাখা। [৩ নাদরাতুন নাঈম ৩খ, পৃ. ৭৭৪]
আবু দারদা (রা) বলেন, আমি মদিনায় আসলে আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) আমার নিকট উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলেন, আবু দারদা। তোমার নিকট কেন এসেছি তা কি তুমি জান?
আবু দারদা (রা) বললেন, আমি তো তা জানি না । আব্দুল্লাহ (রা) বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কবরে অবস্থিত নিজের পিতার সাথে সুন্দর আচরণ করতে চায় , তার উচিত, পিতার মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু- বান্ধবদের সাথে সুন্দর আচরণ করা। এরপর তিনি বললেন, ভাই! আমার পিতা উমার (রা)-এর সাথে আপনার পিতার ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আমি সেই বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক তার হক আদায় করতে চাই। [১ আলাউদ্দীন আলী ইবন বালবান, আল-ইহসান বা- তরতিবে সহিহ ইন হাববান, দারূল কুতুবুল ইলমিয়া, বৈরুত, ১ম সং, ১৮০৭ হি . ১৯৮৭ সন, ১খ,পৃ. ৩২৯]
অব্দুল্লাহ ইবন উমার(রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির সর্বাপেক্ষা বড় সৎকাজ হচ্ছে, পিতার বন্ধুদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। [২ সহিহ মুসলিম, বির ওয়াস সিলা, অনুঃ মাতা-পিতার বন্ধু বান্ধবদের সাথে সদাচরণ করার ফযিলত ৪খ, পৃ. ১৯৭৯, নং ১২, আরো দ্রঃ তিরমিযী, আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ]
আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন এক আরব বেদুইন তাঁর সাথে মক্কার পথে মিলিত হলো। আব্দুল্লাহ (রা) তাকে সালাম দিলেন এবং তার সাওয়ারী গাধার উপর তাকে তুলে নিলেন। তিনি নিজের মাথার পাগড়ীও তাকে দিয়ে দিলেন। (তার এক সফরসঙ্গী) ইবন দীনার বলেন, আমরা তাকে(আব্দুল্লাহকে) বললাম, আল্লাহ তাআলা আপনাকে কল্যাণ দান করুন। তারা তো গ্রামবাসী। তারা অল্প কিছু পেলেই তাতে সন্তুষ্ট হয়। (দুদিরহাম দিয়ে দিলেই তো যথেষ্ট হতো) আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) বললেন, এ লোকটির পিতা উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) এর বন্ধু ছিলেন। আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম সৎকাজ হচ্ছে পিতার বন্ধুদের সাথে তার সুসম্পর্ক বজায় রাখা। [৩ নাদরাতুন নাঈম ৩খ, পৃ. ৭৭৪]
আবু দারদা (রা) বলেন, আমি মদিনায় আসলে আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) আমার নিকট উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলেন, আবু দারদা। তোমার নিকট কেন এসেছি তা কি তুমি জান?
আবু দারদা (রা) বললেন, আমি তো তা জানি না । আব্দুল্লাহ (রা) বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কবরে অবস্থিত নিজের পিতার সাথে সুন্দর আচরণ করতে চায় , তার উচিত, পিতার মৃত্যুর পর তাঁর বন্ধু- বান্ধবদের সাথে সুন্দর আচরণ করা। এরপর তিনি বললেন, ভাই! আমার পিতা উমার (রা)-এর সাথে আপনার পিতার ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। আমি সেই বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনপূর্বক তার হক আদায় করতে চাই। [১ আলাউদ্দীন আলী ইবন বালবান, আল-ইহসান বা- তরতিবে সহিহ ইন হাববান, দারূল কুতুবুল ইলমিয়া, বৈরুত, ১ম সং, ১৮০৭ হি . ১৯৮৭ সন, ১খ,পৃ. ৩২৯]