১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভুমিকা
আল্লাহ তাআলা মানব জাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত(সৃষ্টির সেরা জীব) হিসাবে সৃষ্টি করেছেন । তিনি তাদের প্রতিপালক ও হায়াত-মওতের মালিক। মহাবিশ্বের আর সবকিছু তিনি তাদেরই কল্যাণে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁরই কাছে আবার মানুষকে ফিরে যেতে হবে। হিসাব দিতে হবে, জীবনের সকল কর্মকান্ডের। হিসাবে যারা সফলকাম হবে, তারা প্রবেশ করবে অফুরন্ত নিআ’মতে পরিপূর্ণ জান্নাতে। আর যারা ব্যর্থ হবে, তারা নিক্ষিপ্ত হবে কঠিন ও ভয়ানক শাস্তির নিবাস জাহান্নামে।
ইহজগতে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ জীবন মানবতার একান্ত কাম্য । পরিবার হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তিমূল এবং তার অন্যতম অঙ্গ। পরিবারের শান্তি- শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার উপর কার্যত নির্ভর করে সামাজিক শান্তি, সমৃদ্ধি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা। মাতা-পিতা হচ্ছেন পরিবারের কর্ণধার, সন্তানের জন্মদাতা ও লালন- পালনকারী ।
যে কোন ব্যক্তির জন্য মাতা-পিতাই হচ্ছেন আল্লাহ তা’আলার সবচাইতে বড় নি’আমত। সন্তানের অস্তিত্ব, জন্ম ও লালন-পালন ইত্যাকার বিষয়ে আল্লাহর পরেই মাতা-পিতার অবদান সবচাইতে বেশী । এ কারণে সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার অধিকারও অনেক বেশী। তাই আল্লাহ তা’আলা মানব জাতির প্রতি তাঁর ইবাদত-বন্দেগী করার পরই মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার আদায়ের প্রতি সমধিক গুরুত্ব প্রদান করেছেন।
আল্লাহর ইবাদত- বন্দেগী করলে এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার আদায় করলে, তাদের নাফারমানী করা থেকে দুরে থাকলে একদিকে যেমন সুখী ও সমৃদ্ধশালী পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে মানুষের ইহজীবন শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বাচ্ছন্দে ভরপুর হয়ে উঠবে, অপরদিকে পরকালীন অনন্ত জীবনে তদ্রুপ তারা লাভ করবে আল্লাহর অফুরন্ত নি’আমতে ভরা জান্নাত। সেখানে রয়েছে সীমাহীন শান্তি ও অনাবিল সুখ- সম্ভোগ।
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থা অনেকাংশেই ইসলামী নয়। বিধায় সন্তানের প্রতি মাথা-পিতার কি কি অধিকার রয়েছে এবং মাথা-পিতার ব্যপারে কি করণীয় তা আমাদের অনেকেরই অজানা। বরং এ ব্যপারে আমরা খুবই অসচেতন ও গাফেল । অথচ একটি সুন্দর জীবন, একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী সমাজ গড়ে তোলার জন্য মাতা-পিতার অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা নিতান্ত প্রয়োজন। এই প্রয়োজন উপলব্ধি করেই এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস । পুস্তিকা পাঠ করে কেউ উপকৃত হলে এবং মাতা-পিতার অধিকারের প্রতি লোকেরা সচেতন ও যত্নবান হলে আমার প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো।
এ কাজে যারা আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতঞ্জতা প্রকাশ করছি, বিশেষ করে মুহতারাম মুহাম্মদ সানোয়ার হোসেন ভাইয়ের প্রতি। পুস্তিকাটি লিখার কাজে তিনিই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং তাঁর তত্তাবধানেই পুস্তিকাটির প্রথম প্রকাশ সম্পন্ন হয়। বইটিতে কোন ভুলত্রুটি কারো দৃষ্টিগোচর হলে এবং তা আমাদের জানালে কৃতঞ্জার সাথে গ্রহণ করা হবে । ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক আমাদের এ নগণ্য প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমীন।
বিনয়াবনত
মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
ইহজগতে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ জীবন মানবতার একান্ত কাম্য । পরিবার হচ্ছে সমাজ ও রাষ্ট্রের ভিত্তিমূল এবং তার অন্যতম অঙ্গ। পরিবারের শান্তি- শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার উপর কার্যত নির্ভর করে সামাজিক শান্তি, সমৃদ্ধি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা। মাতা-পিতা হচ্ছেন পরিবারের কর্ণধার, সন্তানের জন্মদাতা ও লালন- পালনকারী ।
যে কোন ব্যক্তির জন্য মাতা-পিতাই হচ্ছেন আল্লাহ তা’আলার সবচাইতে বড় নি’আমত। সন্তানের অস্তিত্ব, জন্ম ও লালন-পালন ইত্যাকার বিষয়ে আল্লাহর পরেই মাতা-পিতার অবদান সবচাইতে বেশী । এ কারণে সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার অধিকারও অনেক বেশী। তাই আল্লাহ তা’আলা মানব জাতির প্রতি তাঁর ইবাদত-বন্দেগী করার পরই মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার আদায়ের প্রতি সমধিক গুরুত্ব প্রদান করেছেন।
আল্লাহর ইবাদত- বন্দেগী করলে এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার আদায় করলে, তাদের নাফারমানী করা থেকে দুরে থাকলে একদিকে যেমন সুখী ও সমৃদ্ধশালী পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে মানুষের ইহজীবন শান্তি, সমৃদ্ধি ও স্বাচ্ছন্দে ভরপুর হয়ে উঠবে, অপরদিকে পরকালীন অনন্ত জীবনে তদ্রুপ তারা লাভ করবে আল্লাহর অফুরন্ত নি’আমতে ভরা জান্নাত। সেখানে রয়েছে সীমাহীন শান্তি ও অনাবিল সুখ- সম্ভোগ।
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ও সমাজ ব্যবস্থা অনেকাংশেই ইসলামী নয়। বিধায় সন্তানের প্রতি মাথা-পিতার কি কি অধিকার রয়েছে এবং মাথা-পিতার ব্যপারে কি করণীয় তা আমাদের অনেকেরই অজানা। বরং এ ব্যপারে আমরা খুবই অসচেতন ও গাফেল । অথচ একটি সুন্দর জীবন, একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী সমাজ গড়ে তোলার জন্য মাতা-পিতার অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে সচেতন থাকা নিতান্ত প্রয়োজন। এই প্রয়োজন উপলব্ধি করেই এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস । পুস্তিকা পাঠ করে কেউ উপকৃত হলে এবং মাতা-পিতার অধিকারের প্রতি লোকেরা সচেতন ও যত্নবান হলে আমার প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো।
এ কাজে যারা আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতঞ্জতা প্রকাশ করছি, বিশেষ করে মুহতারাম মুহাম্মদ সানোয়ার হোসেন ভাইয়ের প্রতি। পুস্তিকাটি লিখার কাজে তিনিই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং তাঁর তত্তাবধানেই পুস্তিকাটির প্রথম প্রকাশ সম্পন্ন হয়। বইটিতে কোন ভুলত্রুটি কারো দৃষ্টিগোচর হলে এবং তা আমাদের জানালে কৃতঞ্জার সাথে গ্রহণ করা হবে । ইনশাআল্লাহ আল্লাহ পাক আমাদের এ নগণ্য প্রচেষ্টা কবুল করুন। আমীন।
বিনয়াবনত
মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান