১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
মাকবুল দু‘আ
সাহাবী আবূ হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন ব্যক্তির জিকির">দু’আ কবুল হয়। এতে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। একঃ মাজলুমের দুআ, দুইঃ মুসাফিরের দুআ, তিনঃ সন্তানের বেলায় মাতা- পিতার দুআ।৫
ব্যাখ্যাঃ মাতা-পিতার সন্তুষ্টি ও তাঁদের মমতাপূর্ণ অন্তরের দুআ সন্তানের জন্য সবচাইতে বড় সৌভাগ্যের বিষয়। পক্ষান্তরে সন্তানের জীবনের সবচাইতে বড় দুর্ভাগ্য হলো, সন্তানের প্রতি মাতা- পিতার দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ের বদ দুআ। মাতা- পিতার অধিকার আদায়, তাঁদের সেবা- যত্ন ও সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে তাঁদের দু’আ নেয়া এবং তাঁদের মনে কষ্ট দেয়া ও তাঁদের বদদু’আ থেকে বেঁচে থাকা সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। তাঁরা দু’আ বা বদদু’আ থেকে বেঁচে থাকা সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। তাঁরা দু’আ বা বদদু’য়া যাই করেন, সন্তানের বেলায় তা নিঃসন্দেহে কবুল হয়।
ব্যাখ্যাঃ মাতা-পিতার সন্তুষ্টি ও তাঁদের মমতাপূর্ণ অন্তরের দুআ সন্তানের জন্য সবচাইতে বড় সৌভাগ্যের বিষয়। পক্ষান্তরে সন্তানের জীবনের সবচাইতে বড় দুর্ভাগ্য হলো, সন্তানের প্রতি মাতা- পিতার দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ের বদ দুআ। মাতা- পিতার অধিকার আদায়, তাঁদের সেবা- যত্ন ও সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যমে তাঁদের দু’আ নেয়া এবং তাঁদের মনে কষ্ট দেয়া ও তাঁদের বদদু’আ থেকে বেঁচে থাকা সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। তাঁরা দু’আ বা বদদু’আ থেকে বেঁচে থাকা সন্তানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য। তাঁরা দু’আ বা বদদু’য়া যাই করেন, সন্তানের বেলায় তা নিঃসন্দেহে কবুল হয়।