১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
মাতা-পিতার জন্য দুআ করা
আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ জান্নাতে মানুষের মর্যাদা অবশ্যই বৃদ্ধি করা হবে । সে বলবে , এট (মর্যাদা বৃদ্ধি কিভাবে হলো? বলা হবে তোমার জন্য তোমার সন্তানের ক্ষমা প্রার্থনার বদৌলতে। [২ ইবন মাজাহ ,আদব অধ্যায়, অনুঃ , মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার;]
আবু হুরাউরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ মারা যাওয়ার পর তার সমস্ত নেক আমল বনদ্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি নেক আমল যা তার মৃত্যুর পরও চালু থাকে। এক. সদকায়ে জারিয়া। [৩ মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যাণমূলক কাজ প্রভৃতি।] দুই. তাঁর রেখে যাওয়া জ্ঞান ভান্ডার যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়। তিন. তার সৎ সন্তান যারা তার জন্য দুআ করতে থাকে। [১ সহিহ মুসলিম, আল ওসিয়্যাহ, অনুঃ মৃত্যুর পর মানুষের যে সওয়াব যোগ হয়, ৩খ, পৃ. ১২৫৫ নং ১৬৩১]
আনাস (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কারো মাতা-পিতা উভয়ে অথবা একজন এমতাবস্থায় ইন্তিকাল করল যে, সে তাঁদের অবাধ্য ছিল। কিন্তু তাঁদের মৃত্যুর পর সে তাঁদের জন্য সর্বদা দুআ ও ইস্তিগফার করতে থাকে এবং তাঁদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাকে নেককার লোকদের মধ্যে শামিল করে নেন। [৬২ওয়ালীউদ্দিন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আত তিবরিযী; মিশকাতুল মাসাবীহ, আদব, অনুঃ মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার, পৃ. ৪২১; (বায়হাকী) বরাত;]
আবু হুরাউরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ মারা যাওয়ার পর তার সমস্ত নেক আমল বনদ্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি নেক আমল যা তার মৃত্যুর পরও চালু থাকে। এক. সদকায়ে জারিয়া। [৩ মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যাণমূলক কাজ প্রভৃতি।] দুই. তাঁর রেখে যাওয়া জ্ঞান ভান্ডার যা দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়। তিন. তার সৎ সন্তান যারা তার জন্য দুআ করতে থাকে। [১ সহিহ মুসলিম, আল ওসিয়্যাহ, অনুঃ মৃত্যুর পর মানুষের যে সওয়াব যোগ হয়, ৩খ, পৃ. ১২৫৫ নং ১৬৩১]
আনাস (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ কারো মাতা-পিতা উভয়ে অথবা একজন এমতাবস্থায় ইন্তিকাল করল যে, সে তাঁদের অবাধ্য ছিল। কিন্তু তাঁদের মৃত্যুর পর সে তাঁদের জন্য সর্বদা দুআ ও ইস্তিগফার করতে থাকে এবং তাঁদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। অবশেষে আল্লাহ তাআলা তাকে নেককার লোকদের মধ্যে শামিল করে নেন। [৬২ওয়ালীউদ্দিন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আত তিবরিযী; মিশকাতুল মাসাবীহ, আদব, অনুঃ মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার, পৃ. ৪২১; (বায়হাকী) বরাত;]