১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
আল্লাহর পরই মাতা-পিতার হক
আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ
وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
আপনার প্রতিপালক ফায়সালা করে দিয়েছেন যে তোমরা আল্লাহ ছাড়া আর আর কারো ইবাদত করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। [সুরা বানী ইসরাঈল:২৩]
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ لَا تَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
আমি বনী ইসরাঈলের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো উপাসনা করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। [সুরা আল-বাকারা :৮৩]:
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
তোমরা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী করো, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সুরা আন-নিসা:৩৬]
তিনি অন্য এক আয়াতে বলেনঃ
وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلى أَنْ تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا
তোমার মাতা-পিতা যদি আমার সাথে এমন সব বিষয়কে শরীক করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে। [সুরা লুকমান : ১৫]
উপরোক্ত আয়াতসমুহে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী করার ও তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নি©র্দশের পাশাপাশি মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অতএব, আল্লাহর হকের পরেই বড় হক হচ্ছে, মাতা-পিতার হক।
وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
আপনার প্রতিপালক ফায়সালা করে দিয়েছেন যে তোমরা আল্লাহ ছাড়া আর আর কারো ইবাদত করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। [সুরা বানী ইসরাঈল:২৩]
আল্লাহ তাআলা বলেনঃ
وَإِذْ أَخَذْنَا مِيثَاقَ بَنِي إِسْرَائِيلَ لَا تَعْبُدُونَ إِلَّا اللَّهَ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
আমি বনী ইসরাঈলের নিকট থেকে অঙ্গীকার নিয়েছি যে, তোমরা আল্লাহ ছাড়া আর কারো উপাসনা করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। [সুরা আল-বাকারা :৮৩]:
وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا
তোমরা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী করো, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করো না মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করো। [সুরা আন-নিসা:৩৬]
তিনি অন্য এক আয়াতে বলেনঃ
وَإِنْ جَاهَدَاكَ عَلى أَنْ تُشْرِكَ بِي مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ فَلَا تُطِعْهُمَا وَصَاحِبْهُمَا فِي الدُّنْيَا مَعْرُوفًا
তোমার মাতা-পিতা যদি আমার সাথে এমন সব বিষয়কে শরীক করতে পীড়াপীড়ি করে, যার জ্ঞান তোমার নেই; তবে তুমি তাদের কথা মানবে না এবং দুনিয়াতে তাদের সাথে সদ্ভাবে সহঅবস্থান করবে। [সুরা লুকমান : ১৫]
উপরোক্ত আয়াতসমুহে আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগী করার ও তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করার নি©র্দশের পাশাপাশি মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অতএব, আল্লাহর হকের পরেই বড় হক হচ্ছে, মাতা-পিতার হক।