১
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য
লেখকঃ মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহারের প্রতিদান জান্নাত
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম, অতঃপর সেখানে কুরআন তিলাওয়াত শুনতে পেলাম। জিজ্ঞেস করলাম, এই ব্যক্তি (তিলাওয়াতকারী) কে? ফেরেশতাগণ বললেন, হারিসা ইবন নুমান (রা)।( রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে লক্ষ্য করে বললেনঃ) পুণ্যের প্রতিদান এরূপই। সে ছিল তার মায়ের সাথে সর্বাপেক্ষা সদাচরণকারী। [ইমাম আবু আব্দুল্লাহ, হাকিম নিশাপুরী, আল মুস্তাদরাক, দারুল কিতাবিল আরাবি, বৈরূত,৪ খ,প.১১৫;]
ইয়ামেনে উওয়াইস করনী নামে একজন মুসলমান বাস করতেন। মায়ের খেদমতে মশগুল তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষৎ করতে পারেননি। কিন্তু মায়ের খেদমতের বদৌলতে আল্লাহর দরবারে তাঁর মর্যাদা ছিল অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি ছিলেন মুসতাজাবুদ দাওয়াত। অর্থাৎ তাঁর দুআ কবুল করা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমার (রা) এর উদ্দেশ্যে বলেন, সম্ভব হলে তাকে তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অবেদন করবে। উমার (রা)- এর যুগে ইয়ামেনের একটি সাহায্যকারী দলের সাথে তিনি খলিফার দরবারে আসেন। উমার (রা) তাঁর নিকট দুআ চাইলে তিনি তাঁর জন্য দুআ করেন। [এ বর্ণনা তিনটি হাদিসের সার-সংক্ষেপ। দেখুন, সহিহ মুসলিম, কিতাবু ফাযায়িলিস সাহাবা। হাদিস নং২২৩,২২৪,২২৫]
মায়ের খেদমতের সুবাদেই তিনি এ মর্যাদা লাভ করেন।
ইয়ামেনে উওয়াইস করনী নামে একজন মুসলমান বাস করতেন। মায়ের খেদমতে মশগুল তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সাক্ষৎ করতে পারেননি। কিন্তু মায়ের খেদমতের বদৌলতে আল্লাহর দরবারে তাঁর মর্যাদা ছিল অনেক ঊর্ধ্বে। তিনি ছিলেন মুসতাজাবুদ দাওয়াত। অর্থাৎ তাঁর দুআ কবুল করা হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উমার (রা) এর উদ্দেশ্যে বলেন, সম্ভব হলে তাকে তোমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অবেদন করবে। উমার (রা)- এর যুগে ইয়ামেনের একটি সাহায্যকারী দলের সাথে তিনি খলিফার দরবারে আসেন। উমার (রা) তাঁর নিকট দুআ চাইলে তিনি তাঁর জন্য দুআ করেন। [এ বর্ণনা তিনটি হাদিসের সার-সংক্ষেপ। দেখুন, সহিহ মুসলিম, কিতাবু ফাযায়িলিস সাহাবা। হাদিস নং২২৩,২২৪,২২৫]
মায়ের খেদমতের সুবাদেই তিনি এ মর্যাদা লাভ করেন।