১
জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্হাব রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪
২। অনৈক্য করা ছিল জাহেলী যুগের লোকদের রীতি-নীতি
জাহেলী যুগে আরবের লোকেরা তাদের দ্বীনের ব্যপারে অনৈক্যে লিপ্ত ছিল। যেমন আল্লাহ বলেন,
﴿كُلُّ حِزۡبِۢ بِمَا لَدَيۡهِمۡ فَرِحُونَ ٣٢ ﴾ [ الروم : ٣٢ ]
“প্রত্যেক দলই তাদের কাছে যা আছে তা নিয়ে আত্মপ্রসাদে লিপ্ত”। [সূরা আর-রূম:৩২]
অনুরূপভাবে তারা তাদের দুনিয়ার ব্যাপারেও ছিল চরম অনৈক্যে। আর তারা এটাকেই সঠিক মত ও পথ মনে করত। তখন আল্লাহ তাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ থাকার আদেশ দিলেন। তিনি বলেন,
﴿ ۞شَرَعَ لَكُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِۦ نُوحٗا وَٱلَّذِيٓ أَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡكَ وَمَا وَصَّيۡنَا بِهِۦٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰٓۖ أَنۡ أَقِيمُواْ ٱلدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُواْ فِيهِۚ﴾ [ الشورى : ١٣ ]
“তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন দ্বীন, যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি নূহকে, আর যা আমরা ওহী করেছি আপনাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মূসা ও ‘ঈসাকে, এ বলে যে, তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে বিভেদ সৃষ্টি কর না।”।
তিনি আরও বলেন,
﴿ إِنَّ ٱلَّذِينَ فَرَّقُواْ دِينَهُمۡ وَكَانُواْ شِيَعٗا لَّسۡتَ مِنۡهُمۡ فِي شَيۡءٍۚ ﴾ [ الانعام : ١٥٩ ]
“নিশ্চয় যারা তাদের দ্বীনকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের কোন দায়িত্ব আপনার নয়”। আর আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে কাফের-মুশরিকদের মত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,
﴿وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُواْ وَٱخۡتَلَفُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ﴾ [ ال عمران : ١٠٥ ]
“তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে”।
আর তিনি আমাদেরকে দুনিয়ার ব্যাপারেও অনৈক্য করা থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,
﴿ وَٱعۡتَصِمُواْ بِحَبۡلِ ٱللَّهِ جَمِيعٗا وَلَا تَفَرَّقُواْۚ ﴾ [ ال عمران : ١٠٣ ]
“আর তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে আঁকড়ে ধরো। পরস্পর বিভক্ত হয়ো না।” [সূরা আলে ইমরান: ১০৩]
﴿كُلُّ حِزۡبِۢ بِمَا لَدَيۡهِمۡ فَرِحُونَ ٣٢ ﴾ [ الروم : ٣٢ ]
“প্রত্যেক দলই তাদের কাছে যা আছে তা নিয়ে আত্মপ্রসাদে লিপ্ত”। [সূরা আর-রূম:৩২]
অনুরূপভাবে তারা তাদের দুনিয়ার ব্যাপারেও ছিল চরম অনৈক্যে। আর তারা এটাকেই সঠিক মত ও পথ মনে করত। তখন আল্লাহ তাদেরকে দ্বীনের ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ থাকার আদেশ দিলেন। তিনি বলেন,
﴿ ۞شَرَعَ لَكُم مِّنَ ٱلدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِۦ نُوحٗا وَٱلَّذِيٓ أَوۡحَيۡنَآ إِلَيۡكَ وَمَا وَصَّيۡنَا بِهِۦٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰٓۖ أَنۡ أَقِيمُواْ ٱلدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُواْ فِيهِۚ﴾ [ الشورى : ١٣ ]
“তিনি তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করেছেন দ্বীন, যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি নূহকে, আর যা আমরা ওহী করেছি আপনাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইব্রাহীম, মূসা ও ‘ঈসাকে, এ বলে যে, তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং তাতে বিভেদ সৃষ্টি কর না।”।
তিনি আরও বলেন,
﴿ إِنَّ ٱلَّذِينَ فَرَّقُواْ دِينَهُمۡ وَكَانُواْ شِيَعٗا لَّسۡتَ مِنۡهُمۡ فِي شَيۡءٍۚ ﴾ [ الانعام : ١٥٩ ]
“নিশ্চয় যারা তাদের দ্বীনকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের কোন দায়িত্ব আপনার নয়”। আর আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে কাফের-মুশরিকদের মত হতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,
﴿وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ تَفَرَّقُواْ وَٱخۡتَلَفُواْ مِنۢ بَعۡدِ مَا جَآءَهُمُ ٱلۡبَيِّنَٰتُۚ﴾ [ ال عمران : ١٠٥ ]
“তোমরা তাদের মত হয়ো না, যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শনসমূহ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মধ্যে মতান্তর সৃষ্টি করেছে”।
আর তিনি আমাদেরকে দুনিয়ার ব্যাপারেও অনৈক্য করা থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন,
﴿ وَٱعۡتَصِمُواْ بِحَبۡلِ ٱللَّهِ جَمِيعٗا وَلَا تَفَرَّقُواْۚ ﴾ [ ال عمران : ١٠٣ ]
“আর তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে আঁকড়ে ধরো। পরস্পর বিভক্ত হয়ো না।” [সূরা আলে ইমরান: ১০৩]