১
জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্হাব রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
৪। তাকলীদ বা অন্ধ অনুকরণ
জাহেলী আরবদের দ্বীন যে কয়টি মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল, তন্মধ্যে সেরাটি হচ্ছে ‘তাকলীদ’ তথা অন্ধ অনুকরণ। বস্তুত এটিই হচ্ছে মানব সৃষ্টির সেই প্রাচীন যুগ থেকে এ যাবৎ সকল কাফির, মুশরিকদের লালিত বড় মূলনীতি। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَكَذَٰلِكَ مَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ فِي قَرۡيَةٖ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتۡرَفُوهَآ إِنَّا وَجَدۡنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٖ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّقۡتَدُونَ ٢٣ ﴾ [ الزخرف : ٢٣ ]
“এমনিভাবে আপনার পূর্বে আমরা যখনই কোনো জনপদে ভয় প্রদর্শনকারী পাঠিয়েছি সেখানকার বড়লোক বা মাতব্বর শ্রেণীর লোকেরা বলেছে, আমরা আমাদের বাপ- দাদাদেরকে একটি জীবনাদর্শে পেয়েছি অতএব আমরা তাদেরই পথ-পন্থা অনুসরণ-অনুকরণ করবো।” [সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩: আয়াত ২৩]
মহান আল্লাহ আরও বলেন,
﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّبِعُواْ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ قَالُواْ بَلۡ نَتَّبِعُ مَا وَجَدۡنَا عَلَيۡهِ ءَابَآءَنَآۚ أَوَلَوۡ كَانَ ٱلشَّيۡطَٰنُ يَدۡعُوهُمۡ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ ٢١ ﴾ [ لقمان : ٢١ ]
“আর তাদেরকে যখন বলা হয়, ‘আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তোমরা তা অনুসরণ কর।’ তারা বলে, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যাতে পেয়েছি তারই অনুসরণ করব।’ শয়তান যদি তাদেরকে জ্বলন্ত আগুনের দিকে ডাকে, তবুও কি? (তারা পিতৃপুরুষদের অনুসরণ করবে?)”। [সূরা লুকমান: ২১]
কাফিরদের উপরোক্ত কথার জওয়াবে আল্লাহ তা‘আলা নিম্নোক্ত আয়াত প্রদান করলেন,
﴿ ۞قُلۡ إِنَّمَآ أَعِظُكُم بِوَٰحِدَةٍۖ أَن تَقُومُواْ لِلَّهِ مَثۡنَىٰ وَفُرَٰدَىٰ ثُمَّ تَتَفَكَّرُواْۚ مَا بِصَاحِبِكُم مِّن جِنَّةٍۚ﴾ [ سبا : ٤٦ ]
“বলুন, ‘আমি তোমাদেরকে কেবল একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছিঃ তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু-দুজন অথবা এক-একজন করে দাঁড়াও, তারপর তোমরা চিন্তা করে দেখ---তোমাদের সাথীর মধ্যে কোন উন্মাদনা নেই।”। [সূরা সাবা: ৪৬]
আরও প্রদান করলেন,
﴿ ٱتَّبِعُواْ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكُم مِّن رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَۗ قَلِيلٗا مَّا تَذَكَّرُونَ ٣ ﴾ [ الاعراف : ٣ ]
“তোমাদের রবের কাছ থেকে যা কিছু পাঠানো হয়েছে, তোমরা কেবল তারই অনুসরণ করো। তাকে ছেড়ে অন্য কোন আউলিয়া বা বন্ধুদের অনুসরণ করো না। তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করে থাকো।’ [সূরা আল-আ‘রাফ ৭: আয়াত ৩]
﴿ وَكَذَٰلِكَ مَآ أَرۡسَلۡنَا مِن قَبۡلِكَ فِي قَرۡيَةٖ مِّن نَّذِيرٍ إِلَّا قَالَ مُتۡرَفُوهَآ إِنَّا وَجَدۡنَآ ءَابَآءَنَا عَلَىٰٓ أُمَّةٖ وَإِنَّا عَلَىٰٓ ءَاثَٰرِهِم مُّقۡتَدُونَ ٢٣ ﴾ [ الزخرف : ٢٣ ]
“এমনিভাবে আপনার পূর্বে আমরা যখনই কোনো জনপদে ভয় প্রদর্শনকারী পাঠিয়েছি সেখানকার বড়লোক বা মাতব্বর শ্রেণীর লোকেরা বলেছে, আমরা আমাদের বাপ- দাদাদেরকে একটি জীবনাদর্শে পেয়েছি অতএব আমরা তাদেরই পথ-পন্থা অনুসরণ-অনুকরণ করবো।” [সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩: আয়াত ২৩]
মহান আল্লাহ আরও বলেন,
﴿وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ ٱتَّبِعُواْ مَآ أَنزَلَ ٱللَّهُ قَالُواْ بَلۡ نَتَّبِعُ مَا وَجَدۡنَا عَلَيۡهِ ءَابَآءَنَآۚ أَوَلَوۡ كَانَ ٱلشَّيۡطَٰنُ يَدۡعُوهُمۡ إِلَىٰ عَذَابِ ٱلسَّعِيرِ ٢١ ﴾ [ لقمان : ٢١ ]
“আর তাদেরকে যখন বলা হয়, ‘আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তোমরা তা অনুসরণ কর।’ তারা বলে, ‘বরং আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদেরকে যাতে পেয়েছি তারই অনুসরণ করব।’ শয়তান যদি তাদেরকে জ্বলন্ত আগুনের দিকে ডাকে, তবুও কি? (তারা পিতৃপুরুষদের অনুসরণ করবে?)”। [সূরা লুকমান: ২১]
কাফিরদের উপরোক্ত কথার জওয়াবে আল্লাহ তা‘আলা নিম্নোক্ত আয়াত প্রদান করলেন,
﴿ ۞قُلۡ إِنَّمَآ أَعِظُكُم بِوَٰحِدَةٍۖ أَن تَقُومُواْ لِلَّهِ مَثۡنَىٰ وَفُرَٰدَىٰ ثُمَّ تَتَفَكَّرُواْۚ مَا بِصَاحِبِكُم مِّن جِنَّةٍۚ﴾ [ سبا : ٤٦ ]
“বলুন, ‘আমি তোমাদেরকে কেবল একটি বিষয়ে উপদেশ দিচ্ছিঃ তোমরা আল্লাহর উদ্দেশ্যে দু-দুজন অথবা এক-একজন করে দাঁড়াও, তারপর তোমরা চিন্তা করে দেখ---তোমাদের সাথীর মধ্যে কোন উন্মাদনা নেই।”। [সূরা সাবা: ৪৬]
আরও প্রদান করলেন,
﴿ ٱتَّبِعُواْ مَآ أُنزِلَ إِلَيۡكُم مِّن رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُواْ مِن دُونِهِۦٓ أَوۡلِيَآءَۗ قَلِيلٗا مَّا تَذَكَّرُونَ ٣ ﴾ [ الاعراف : ٣ ]
“তোমাদের রবের কাছ থেকে যা কিছু পাঠানো হয়েছে, তোমরা কেবল তারই অনুসরণ করো। তাকে ছেড়ে অন্য কোন আউলিয়া বা বন্ধুদের অনুসরণ করো না। তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ করে থাকো।’ [সূরা আল-আ‘রাফ ৭: আয়াত ৩]