১
মুসলমানদের পতন অতীত বর্তমান (সালাহউদ্দীন আইউবীর আবির্ভাব পূর্ব ইসলামি বিশ্ব ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা)
লেখকঃ মুহাম্মদ আল আবদাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
৫. শিয়াদের পৃষ্ঠপোষকতা বর্জন এবং সুন্নাহর পুনরুত্থানে জনতার আনন্দ- উল্লাস
শিয়াদের অধিকার থেকে কোন কোন অঞ্চলের মুক্তি এবং সুন্নাহর প্রত্যাবর্তনে মানুষের আনন্দ। এটা আল্লাহরই বিধান যে, সত্য আর মিথ্যার মধ্যে সংঘাত ঘটে এবং শেষ পর্যন্ত সত্য বিজয় লাভ করে। বাতেনীদের পতন এবং শক্তিশালী সুন্নীণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর কোন কোন অঞ্চল শিয়াদের পৃষ্ঠপোষকতা ত্যাগ করে এবং খেলাফতের ছায়া তলে ফিরে আসে।
হিজরী ৪৬৮ সনে আমির (উকসীস) দামেশকের শাসন কর্তৃত্ব লাভ করে ফাতেমীদের হাত থেকে তা মুক্ত করেন। তিনি আববাসীয় খলিফা আল-মুকতাদী বিআমরিল্লাহর নামে খুতবা পাঠ করেন এবং ‘হাইয়্যা আলা খাইরিল আমাল’ তথা ভালো কাজের দিকে এসো বলে আজান দেওয়া বন্ধ করে দেন। ফলে দামেশকবাসী ভীষণ আনন্দিত হয়।1 ঐতিহাসিক ইবনু কাসীর এ সম্পর্কে বলেন . তিনি ছিলেন অন্যতম উত্তম বাদশাহ। তিনি দামেশকে দুর্গ স্থাপন করেন, যা ছিল শাম দেশে ইসলামের আশ্রয় কেন্দ্র।2
ইতিপূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি যে, মক্কার শাসন কর্তার দূত মুহাম্মদ ইবনে আবু হাশেম সুলতান আলাপ আরসালান এর নিকট শুভ সংবাদ নিয়ে আগমন করেন যে, মক্কার শাসক খলিফা কায়েম বি-আমরিল্লাহ এবং সুলতানের পক্ষে খুতবা পাঠ করত: মিসরে ফাতেমী শাসকদের পক্ষে খুতবা পাঠ বন্ধ করেছেন এবং ‘হাইয়্যা আলা খাইরিল আমাল’ অর্থাৎ ‘ভালো কাজের দিকে এসো’ বলে আজান দেওয়া বন্ধ করেছেন।3 হিজরী ৪৩৫ সনে আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় শাসনকর্তা আবু তাযীম আববাসীয় খলিফার পক্ষে খুতবা পাঠ করেন, ফাতেমীদের পক্ষে খুতবা বন্ধ করেন এবং ফাতেমী পতাকায় অগ্নি সংযোগ করেন।4
হিজরী ৪৬৮ সনে আমির (উকসীস) দামেশকের শাসন কর্তৃত্ব লাভ করে ফাতেমীদের হাত থেকে তা মুক্ত করেন। তিনি আববাসীয় খলিফা আল-মুকতাদী বিআমরিল্লাহর নামে খুতবা পাঠ করেন এবং ‘হাইয়্যা আলা খাইরিল আমাল’ তথা ভালো কাজের দিকে এসো বলে আজান দেওয়া বন্ধ করে দেন। ফলে দামেশকবাসী ভীষণ আনন্দিত হয়।1 ঐতিহাসিক ইবনু কাসীর এ সম্পর্কে বলেন . তিনি ছিলেন অন্যতম উত্তম বাদশাহ। তিনি দামেশকে দুর্গ স্থাপন করেন, যা ছিল শাম দেশে ইসলামের আশ্রয় কেন্দ্র।2
ইতিপূর্বে আমরা উল্লেখ করেছি যে, মক্কার শাসন কর্তার দূত মুহাম্মদ ইবনে আবু হাশেম সুলতান আলাপ আরসালান এর নিকট শুভ সংবাদ নিয়ে আগমন করেন যে, মক্কার শাসক খলিফা কায়েম বি-আমরিল্লাহ এবং সুলতানের পক্ষে খুতবা পাঠ করত: মিসরে ফাতেমী শাসকদের পক্ষে খুতবা পাঠ বন্ধ করেছেন এবং ‘হাইয়্যা আলা খাইরিল আমাল’ অর্থাৎ ‘ভালো কাজের দিকে এসো’ বলে আজান দেওয়া বন্ধ করেছেন।3 হিজরী ৪৩৫ সনে আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় শাসনকর্তা আবু তাযীম আববাসীয় খলিফার পক্ষে খুতবা পাঠ করেন, ফাতেমীদের পক্ষে খুতবা বন্ধ করেন এবং ফাতেমী পতাকায় অগ্নি সংযোগ করেন।4