১
যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
তাওহীদের মর্মকথা
তাওহীদের মূল বাণী হচ্ছে, لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তথা আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। এ কালিমায় দুটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশ لَا اِلٰهَ (লা-ইলাহ) যার অর্থ হলো, কোন ইলাহ নেই। আর দ্বিতীয় অংশ اِلَّا اللهُ (ইল্লাল্লাহ) যার অর্থ হলো, আল্লাহ ব্যতীত বা আল্লাহ ছাড়া। এর মর্মার্থ হলো :
১. ‘লা-ইলাহা’ অর্থ সকল গায়রুল্লাহ থেকে নিজেকে মুক্ত করা। আর ‘ইল্লাল্লাহ’ অর্থ শুধু আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা।
৩. ‘লা-ইলাহা’ মানে সকল বাতিল ইলাহকে বর্জন করা, আর ‘ইল্লাল্লাহ’ মানে শুধু আল্লাহকে গ্রহণ করা।
অন্তরের সকল ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-চেতনা মুছে ফেলে অন্তরটাকে খালি করে সেখানে কেবল তাওহীদের ধারণা ও বিশ্বাস স্থাপন করাই তওহীদের মূলকথা। একজন তাওহীদবাদী মুসলিম আল্লাহর সাথে অন্য কোন বস্তুকে ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে না। তাওহীদের এ কালিমাকে স্বীকার করার অর্থ হচ্ছে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলোকে মেনে নেয়া :
১. আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় বলে বিশ্বাস করা।
২. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা, জীবন-মৃত্যুর মালিক এবং রক্ষাকারীরূপে বিশ্বাস না করা।
৩. একমাত্র আল্লাহকেই সর্বজ্ঞানী ও সর্বশক্তিমান বলে বিশ্বাস করা।
৪. একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাকেই গায়েব তথা অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী মনে করা।
৫. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপকার-অপকার ও লাভ-ক্ষতির মালিক মনে না করা।
৬. আল্লাহ তা‘আলাকেই একমাত্র সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক বলে বিশ্বাস করা।
৭. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে রব, আইনদাতা বা বিধানদাতা বলে বিশ্বাস না করা।
৮. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো দাস বা বান্দা হয়ে না থাকা।
৯. জীবনের প্রত্যেক ব্যাপারে আল্লাহর বিধানকে একমাত্র ভিত্তি বলে মানা এবং সে অনুযায়ী প্রত্যেকটি কাজ করা।
১০. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট দু‘আ এবং সাহায্য প্রার্থনা না করা।
১১ . আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপর নির্ভর না করা।
১২. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট আশা পোষণ না করা।
১৩. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় না করা।
১৪. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে বেশি প্রিয় না জানা।
১৫. কোন মানুষ, দল, সমাজ বা শাসন কর্তৃপক্ষকে আল্লাহর আইন পরিবর্তন বা সংশোধনের অধিকারী বলে স্বীকার না করা।
১৬. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সকল প্রয়োজন পূরণকারী হিসেবে মনে না করা।
১৭. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ক্ষমার অধিকারী এবং হেদায়াত দানকারীরূপে বিশ্বাস না করা।
১৮. নবী-রাসূল, জিন-ফেরেশতা, ওলী-আওলিয়া, পীর-বুযুর্গ ও সাধু-স্বজনকে ইলাহী ব্যবস্থাপনার মধ্যে পরিবর্তন ও সংযোজন করার অধিকারী বলে বিশ্বাস না করা।
১৬. কাউকে আল্লাহর সন্তান, আত্মীয়, অংশীদার বা শরীক হিসেবে বিশ্বাস না করা।
মোটকথা, ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন- সর্বক্ষেত্রে এক আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং তাঁর বিধিবিধান মেনে নেয়াই হচ্ছে لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) এর মর্মকথা।
১. ‘লা-ইলাহা’ অর্থ সকল গায়রুল্লাহ থেকে নিজেকে মুক্ত করা। আর ‘ইল্লাল্লাহ’ অর্থ শুধু আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা।
৩. ‘লা-ইলাহা’ মানে সকল বাতিল ইলাহকে বর্জন করা, আর ‘ইল্লাল্লাহ’ মানে শুধু আল্লাহকে গ্রহণ করা।
অন্তরের সকল ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-চেতনা মুছে ফেলে অন্তরটাকে খালি করে সেখানে কেবল তাওহীদের ধারণা ও বিশ্বাস স্থাপন করাই তওহীদের মূলকথা। একজন তাওহীদবাদী মুসলিম আল্লাহর সাথে অন্য কোন বস্তুকে ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে না। তাওহীদের এ কালিমাকে স্বীকার করার অর্থ হচ্ছে নিম্ন বর্ণিত বিষয়গুলোকে মেনে নেয়া :
১. আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় বলে বিশ্বাস করা।
২. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিযিকদাতা, জীবন-মৃত্যুর মালিক এবং রক্ষাকারীরূপে বিশ্বাস না করা।
৩. একমাত্র আল্লাহকেই সর্বজ্ঞানী ও সর্বশক্তিমান বলে বিশ্বাস করা।
৪. একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাকেই গায়েব তথা অদৃশ্য জ্ঞানের অধিকারী মনে করা।
৫. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উপকার-অপকার ও লাভ-ক্ষতির মালিক মনে না করা।
৬. আল্লাহ তা‘আলাকেই একমাত্র সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক বলে বিশ্বাস করা।
৭. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে রব, আইনদাতা বা বিধানদাতা বলে বিশ্বাস না করা।
৮. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো দাস বা বান্দা হয়ে না থাকা।
৯. জীবনের প্রত্যেক ব্যাপারে আল্লাহর বিধানকে একমাত্র ভিত্তি বলে মানা এবং সে অনুযায়ী প্রত্যেকটি কাজ করা।
১০. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট দু‘আ এবং সাহায্য প্রার্থনা না করা।
১১ . আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপর নির্ভর না করা।
১২. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নিকট আশা পোষণ না করা।
১৩. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় না করা।
১৪. আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে বেশি প্রিয় না জানা।
১৫. কোন মানুষ, দল, সমাজ বা শাসন কর্তৃপক্ষকে আল্লাহর আইন পরিবর্তন বা সংশোধনের অধিকারী বলে স্বীকার না করা।
১৬. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে সকল প্রয়োজন পূরণকারী হিসেবে মনে না করা।
১৭. আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ক্ষমার অধিকারী এবং হেদায়াত দানকারীরূপে বিশ্বাস না করা।
১৮. নবী-রাসূল, জিন-ফেরেশতা, ওলী-আওলিয়া, পীর-বুযুর্গ ও সাধু-স্বজনকে ইলাহী ব্যবস্থাপনার মধ্যে পরিবর্তন ও সংযোজন করার অধিকারী বলে বিশ্বাস না করা।
১৬. কাউকে আল্লাহর সন্তান, আত্মীয়, অংশীদার বা শরীক হিসেবে বিশ্বাস না করা।
মোটকথা, ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন- সর্বক্ষেত্রে এক আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং তাঁর বিধিবিধান মেনে নেয়াই হচ্ছে لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) এর মর্মকথা।