১
যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
যেসব কাজের মাধ্যমে ঈমান বৃদ্ধি পায়
যেসব কাজের মাধ্যমে ঈমান বৃদ্ধি পায় তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হলো :
১. ইলমে দ্বীন অর্জন করা। কেননা যে ব্যক্তি ইলমে দ্বীন অর্জন করল সে ঈমান বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উপকরণ লাভ করল।
২. আল্লাহ তা‘আলার গুণবাচক নামের পরিচয় জানা। কেননা আল্লাহ তা‘আলার নামের মধ্যে আল্লাহর পরিচয় নিহিত আছে, যা অর্থসহ অনুধাবন করলে ব্যক্তির ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৩. কুরআন পাঠ করা এবং গবেষণা করা। আর এটা হলো ঈমান বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উপকরণ। কারণ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং কুরআন নিয়ে গবেষণা করে সে এমন জ্ঞান লাভ করে, যা ঈমানকে বৃদ্ধি করে। কুরআনের জ্ঞান ছাড়া এটা কখনো সম্ভব হয় না।
৪. নবী ﷺ এর জীবনী নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। কেননা তিনি ছিলেন সবচেয়ে উনণত চরিত্রের অধিকারী। যে ব্যক্তি যতবেশি নবী ﷺ এর সুন্নাতের অনুসরণ করবে তার ঈমান ততবেশি বৃদ্ধি পাবে।
৫. আল্লাহর নিদর্শন ও তাঁর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। কেননা আসমান ও জমিন সৃষ্টি, মানুষ সৃষ্টি এবং আল্লাহ তা‘আলার এমন অনেক আশ্চর্য ধরণের সৃষ্টি রয়েছে, যা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে আল্লাহ তা‘আলার কুদরত বা ক্ষমতা সম্পর্কে জানা যায় এবং ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৬. অধিক হারে আল্লাহর যিকির করা এবং দু‘আ করা। কেননা যিকির এবং দু‘আ হচ্ছে আল্লাহ তা‘আলার নৈকট্য লাভের একটি বড় মাধ্যম। আল্লাহর যিকির মুমিনের ঈমানকে সতেজ করে।
৭. অধিক হারে নফল ইবাদাত করা। কেননা নফল ইবাদাতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে, যা ঈমান বৃদ্ধির সহায়ক।
৮. সত্যবাদী মুমিনদের চরিত্র অনুসরণ করা এবং তাদের জীবনী থেকে শিক্ষা নেয়া। কেননা আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদের জীবনী চর্চা করলে অন্তর নরম হয় এবং ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৯. মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করা, সৎকাজের আদেশ দেয়া এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।
১০. যাবতীয় কুফর, শিরক, বিদ‘আত এবং কবীরা গোনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। কেননা যে ব্যক্তি গোনাহে লিপ্ত হয় তার অন্তরে মরিচা পড়ে যায়, যা ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।
১. ইলমে দ্বীন অর্জন করা। কেননা যে ব্যক্তি ইলমে দ্বীন অর্জন করল সে ঈমান বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উপকরণ লাভ করল।
২. আল্লাহ তা‘আলার গুণবাচক নামের পরিচয় জানা। কেননা আল্লাহ তা‘আলার নামের মধ্যে আল্লাহর পরিচয় নিহিত আছে, যা অর্থসহ অনুধাবন করলে ব্যক্তির ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৩. কুরআন পাঠ করা এবং গবেষণা করা। আর এটা হলো ঈমান বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উপকরণ। কারণ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং কুরআন নিয়ে গবেষণা করে সে এমন জ্ঞান লাভ করে, যা ঈমানকে বৃদ্ধি করে। কুরআনের জ্ঞান ছাড়া এটা কখনো সম্ভব হয় না।
৪. নবী ﷺ এর জীবনী নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। কেননা তিনি ছিলেন সবচেয়ে উনণত চরিত্রের অধিকারী। যে ব্যক্তি যতবেশি নবী ﷺ এর সুন্নাতের অনুসরণ করবে তার ঈমান ততবেশি বৃদ্ধি পাবে।
৫. আল্লাহর নিদর্শন ও তাঁর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা। কেননা আসমান ও জমিন সৃষ্টি, মানুষ সৃষ্টি এবং আল্লাহ তা‘আলার এমন অনেক আশ্চর্য ধরণের সৃষ্টি রয়েছে, যা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলে আল্লাহ তা‘আলার কুদরত বা ক্ষমতা সম্পর্কে জানা যায় এবং ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৬. অধিক হারে আল্লাহর যিকির করা এবং দু‘আ করা। কেননা যিকির এবং দু‘আ হচ্ছে আল্লাহ তা‘আলার নৈকট্য লাভের একটি বড় মাধ্যম। আল্লাহর যিকির মুমিনের ঈমানকে সতেজ করে।
৭. অধিক হারে নফল ইবাদাত করা। কেননা নফল ইবাদাতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে, যা ঈমান বৃদ্ধির সহায়ক।
৮. সত্যবাদী মুমিনদের চরিত্র অনুসরণ করা এবং তাদের জীবনী থেকে শিক্ষা নেয়া। কেননা আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত বান্দাদের জীবনী চর্চা করলে অন্তর নরম হয় এবং ঈমান বৃদ্ধি পায়।
৯. মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করা, সৎকাজের আদেশ দেয়া এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।
১০. যাবতীয় কুফর, শিরক, বিদ‘আত এবং কবীরা গোনাহ থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। কেননা যে ব্যক্তি গোনাহে লিপ্ত হয় তার অন্তরে মরিচা পড়ে যায়, যা ঈমানকে দুর্বল করে দেয়।