১
শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)
লেখকঃ আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬
ছালাতের হুকুম আহকাম প্রথমত: পবিত্রতা
ছালাত আরম্ভ করার পূর্বেই মুসলিমের জন্য পবিত্রতা অপরিহার্য। সুতরাং প্রথমে বহির্গমন রাস্তা দিয়ে যদি প্রস্রাব-পায়খানার কিছু বের হয় তা পরিষ্কার করে পরে ওযু করতে হবে।
আর ওযু করতে হবে, মনে মনে পবিত্রতার নিয়ত করে, তবে মুখে নিয়ত উচ্চারণ করা যাবে না। কেননা আল্লাহ সেটা ভালোভাবেই জানেন, আর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওযুর জন্য মুখে নিয়ত উচ্চারণ করেন নি। আর বিসমিল্লাহ বলবে, অতঃপর কুলি করতে হবে। নাকের মধ্যে পানি প্রবেশ করিয়ে তা ঝেড়ে ফেলতে হবে। পরে সম্পূর্ণ চেহারা ধৌত করতে হবে। অতঃপর ডান থেকে শুরু করে দুই হাত দুই বাহুসহ কনুই পর্যন্ত ধৌত করতে হবে। এরপর সম্পূর্ণ মাথা ও দুই কান দুই হাত দ্বারা মাসেহ করতে (হাত বুলিয়ে নিতে) হবে। অতঃপর ডান থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত পা ধৌত করতে হবে।
আর যদি পবিত্রতা অর্জনের পরে প্রস্রাব অথবা পায়খানা অথবা বাতাস বের হয় অথবা ঘুম বা অজ্ঞান হওয়ার কারণে জ্ঞান লোপ পায়, তাহলে ছালাত আদায় করতে চাইলে পুনরায় পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। মুসলিম পুরুষ বা মহিলার যৌন উত্তেজনা বশত যদি বীর্যপাত হয়, ঘুমন্ত অবস্থায় হলেও পবিত্রতার জন্য সম্পর্ণ শরীর পানি দ্বারা ধৌত করতে হবে। মহিলা যখন হায়িয অথবা নিফাস থেকে পবিত্র হবেন, তার সমস্ত শরীর ধৌত করে পবিত্র হতে হবে, কেননা হায়িযগ্রস্তা ও নিফাসগ্রস্তার নামায ঠিক নয়। পবিত্র না হওা পর্যন্ত তার উপর ছালাত ওয়াজিব নয়। আল্লাহ হায়িয ও নিফায অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া ছালাত কাযার ব্যবস্থা না রেখে তাদের উপরে সহজ করেছেন। ছালাত ছাড়া অন্য যা কিছু এ অবস্থায় তারা করতে সক্ষম হন নি, পুরুষের মত তা কাযা ওয়াজিব।
পানির অবর্তমানে অথবা পানি ব্যবহারে রোগাক্রান্ত হতে পারে, এমন রোগাক্রান্ত অবস্থায় তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। তায়াম্মুমের পদ্ধতি হচ্ছে, মনে মনে পবিত্রতার নিয়ত করে পরে দুই হাত মাটিতে রাখতে হবে ও তাদ্বারা মুখমণ্ডল মাসেহ করতে হবে। অতঃপর ডান হাতের পিঠ বাম হাতের পেট ও বাম হাতের পিঠ ডান হাতের পেট দ্বারা মাসেহ করতে হবে। পানি না থাকা বা পানি ব্যবহারে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে, হায়িয ও নিফাসগ্রস্তা ও অপবিত্র যারা অজু করতে চায়, এভাবেই তায়াম্মুমের দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবেন।
আর ওযু করতে হবে, মনে মনে পবিত্রতার নিয়ত করে, তবে মুখে নিয়ত উচ্চারণ করা যাবে না। কেননা আল্লাহ সেটা ভালোভাবেই জানেন, আর রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওযুর জন্য মুখে নিয়ত উচ্চারণ করেন নি। আর বিসমিল্লাহ বলবে, অতঃপর কুলি করতে হবে। নাকের মধ্যে পানি প্রবেশ করিয়ে তা ঝেড়ে ফেলতে হবে। পরে সম্পূর্ণ চেহারা ধৌত করতে হবে। অতঃপর ডান থেকে শুরু করে দুই হাত দুই বাহুসহ কনুই পর্যন্ত ধৌত করতে হবে। এরপর সম্পূর্ণ মাথা ও দুই কান দুই হাত দ্বারা মাসেহ করতে (হাত বুলিয়ে নিতে) হবে। অতঃপর ডান থেকে শুরু করে গোড়ালি পর্যন্ত পা ধৌত করতে হবে।
আর যদি পবিত্রতা অর্জনের পরে প্রস্রাব অথবা পায়খানা অথবা বাতাস বের হয় অথবা ঘুম বা অজ্ঞান হওয়ার কারণে জ্ঞান লোপ পায়, তাহলে ছালাত আদায় করতে চাইলে পুনরায় পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। মুসলিম পুরুষ বা মহিলার যৌন উত্তেজনা বশত যদি বীর্যপাত হয়, ঘুমন্ত অবস্থায় হলেও পবিত্রতার জন্য সম্পর্ণ শরীর পানি দ্বারা ধৌত করতে হবে। মহিলা যখন হায়িয অথবা নিফাস থেকে পবিত্র হবেন, তার সমস্ত শরীর ধৌত করে পবিত্র হতে হবে, কেননা হায়িযগ্রস্তা ও নিফাসগ্রস্তার নামায ঠিক নয়। পবিত্র না হওা পর্যন্ত তার উপর ছালাত ওয়াজিব নয়। আল্লাহ হায়িয ও নিফায অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া ছালাত কাযার ব্যবস্থা না রেখে তাদের উপরে সহজ করেছেন। ছালাত ছাড়া অন্য যা কিছু এ অবস্থায় তারা করতে সক্ষম হন নি, পুরুষের মত তা কাযা ওয়াজিব।
পানির অবর্তমানে অথবা পানি ব্যবহারে রোগাক্রান্ত হতে পারে, এমন রোগাক্রান্ত অবস্থায় তায়াম্মুমের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। তায়াম্মুমের পদ্ধতি হচ্ছে, মনে মনে পবিত্রতার নিয়ত করে পরে দুই হাত মাটিতে রাখতে হবে ও তাদ্বারা মুখমণ্ডল মাসেহ করতে হবে। অতঃপর ডান হাতের পিঠ বাম হাতের পেট ও বাম হাতের পিঠ ডান হাতের পেট দ্বারা মাসেহ করতে হবে। পানি না থাকা বা পানি ব্যবহারে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে, হায়িয ও নিফাসগ্রস্তা ও অপবিত্র যারা অজু করতে চায়, এভাবেই তায়াম্মুমের দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করবেন।