hadith book logo

শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)

লেখকঃ আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২১

হজ্জ এবং ওমরায় করণীয় বিষয়াদি:

প্রথমত: হাজ্জী সাহেব পবিত্র ও হালাল খরচাদি সংগ্রহ করবেন। মুসলিম সকল অবস্থার মত হজ্জে সর্বদাই হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকবেন। কেননা হারাম খরচাদি হজ্জকে হজ্জ সম্পাদনকারীর দিকে ও দো‘আকে দো‘আকারীর দিকে ফিরিয়ে দেয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসে এসেছে,

«كل لحم نبت من سحت فالنار أولى به»

“যে গোশত হারাম খেয়ে উৎপন্ন হয়েছে, তার জন্য জাহান্নামই সবচেয়ে উত্তম স্থান।”

হাজী সাহেব ঈমানদার তাওহীদ পন্থী ও সৎ সংগীদের সাথী হবেন।

মীক্বাতসমূহ:

গাড়ী বা অনুরূপ কিছুতে থাকলে মীকাতে পৌঁছলে সেখান হতে ইহরাম বাঁধবেন। আর যখন বিমানে থাকে তখন মীকাতের কাছাকাছি পৌঁছলে তা অতিক্রম করার পূর্বেই ইহরাম বাঁধবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে মীক্বাতগুলো থেকে মানুষদেরকে ইহরাম বাঁধার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন তা হচ্ছে পাঁচটি। সেগুলো হচ্ছে:

১. মদীনা বাসীদের জন্য যুলহুলাইফা, (আবয়ারে আলী)

২. সিরিয়া, মিশর ও মরক্কোর অধিবাসীদের জন্য জুহফাহ (রাবেগের নিকটবর্তী,

৩. নাজদ এবং তায়েফবাসী ও তাদের দিক থেকে আগতদের জন্য কারনুল মানাযিল (আস-সাইল অথবা মাহরাম উপত্যাকা)

৪. ইরাকবাসীদের জন্য যাতু ইরক

৫. ইয়ামনবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম।

যাদের জন্য এ সমস্ত স্থান নির্ধারিত, তারা ব্যতীত অন্যরাও যারা এ পথে আসবেন তাদের সেখান থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে। মক্কার অধিবাসীগণ (হজ্জের জন্য) ও মীকাতের অভ্যন্তর ভাগের লোকগণ (হজ্জ ও উমরা উভয়টির জন্য) নিজেদের ঘর হতেই ইহরাম বাঁধবেন।