১
ইসলামে মানবাধিকার
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০
জাতিসঙ্ঘ ঘোষিত মানবাধিকারের মৌলিক দিক সমূহ:
বর্তমানে জাতিসংঘ এবং পশ্চাত্যের দেশগুলো যে ‘হিউম্যান রাইটস’ বলে হাঁকডাক চালাচ্ছে তাতে মূলত: দুটি দিক রয়েছে। যথা:
১. স্বাধীনতা
২. নারী-পুরুষের সমধিকার
এর মধ্যে আরও যে সব বিধিবিধান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল, সকল প্রকার দাসত্বপ্রথার বিলুপ্তি। দাসত্বপ্রথা একটি অন্যায় কাজ। এটি চালু রাখা অবৈধ। এরপর তারা স্বাধীনতাকে বিভিন্নভাবে শ্রেণী বিন্যাস করেছে। যেমন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সমঅধিকার, বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, অধিকার ও নাগরিকত্ব।
নারী-পুরুষের মাঝে সমতা সহ বর্ণ ও দেশের ভিন্নতা সত্বেও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সমতা থাকবে। মানুষ যে দেশে ইচ্ছা সে দেশে বসবাস করতে পারবে...ইত্যাদি। এসব কিছুর মূলে রয়েছে, উপরোক্ত দুটি নীতি: ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সব মানুষের সমান অধিকার।
উক্ত সনদে যে সব ধারা বর্ণিত হয়েছে সেগুলো মধ্যে অন্যতম হল, মানুষের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে নির্ধারিত কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে এবং কিছু বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
এই ধারাটির মাধ্যমে জাতিসঙ্ঘ এবং পশ্চাত্যের দেশগুলো অনেক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরিণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং তাদের উপর বেশ কিছু আইন চাপিয়ে দিয়েছে। এমন কি যে সব রাষ্ট্র এই সব অধিকার বাস্তবায়ন করছে না তারা তাদের নামও ঘোষণা করেছে। তারা কখনো কখনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরিণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার থেকে বড় বড় বিষয়েও হস্তক্ষেপ করেছে।
অনেক সময় তারা ব্যক্তি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করেছে যে, তোমরা এ সব স্বাধীনতা কতটুকু বাস্তবায়ন করেছো?
অনুরূপভাবে তারা রাজনৈতিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়ে বলেছে, জানগণ নিজেরাই নিজেদের শাষণ প্রতিষ্ঠা করবে! এভাবে তারা পশ্চাত্যের দেশগুলোর আদলে নির্বাচন পরিচালনা ও পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠার জন্য তৎপরতা চালিয়েছে।
স্বভাবতই যে সব জাতি নিজেরা সচেতন নয় তাদের মধ্যে এই সব মূলনীতি ও আদর্শ ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা সহজ। এসব দেশে এমন ব্যক্তিকে ক্ষমতার মসনদে বসানো হয় যে হবে পশ্চাত্বের অনুগামী। বিশেষ করে তারা সে সব দেশের উপর তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে সব দেশে স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে; যারা কোন প্রকার সম্রাজ্যবাদকে মেনে নেয় নি। ‘হিউম্যান রাইটস’ ঘোষণার প্রেক্ষাপট ও কিছু কারণ রয়েছে। আর রয়েছে এমন কিছু উদ্দেশ্য যেগুলোকে সম্রাজ্যবাদী বৃহৎ শক্তিগুলো তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে।
১. স্বাধীনতা
২. নারী-পুরুষের সমধিকার
এর মধ্যে আরও যে সব বিধিবিধান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল, সকল প্রকার দাসত্বপ্রথার বিলুপ্তি। দাসত্বপ্রথা একটি অন্যায় কাজ। এটি চালু রাখা অবৈধ। এরপর তারা স্বাধীনতাকে বিভিন্নভাবে শ্রেণী বিন্যাস করেছে। যেমন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, সমঅধিকার, বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা, অধিকার ও নাগরিকত্ব।
নারী-পুরুষের মাঝে সমতা সহ বর্ণ ও দেশের ভিন্নতা সত্বেও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে সমতা থাকবে। মানুষ যে দেশে ইচ্ছা সে দেশে বসবাস করতে পারবে...ইত্যাদি। এসব কিছুর মূলে রয়েছে, উপরোক্ত দুটি নীতি: ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সব মানুষের সমান অধিকার।
উক্ত সনদে যে সব ধারা বর্ণিত হয়েছে সেগুলো মধ্যে অন্যতম হল, মানুষের সাথে আচরণের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে নির্ধারিত কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে এবং কিছু বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
এই ধারাটির মাধ্যমে জাতিসঙ্ঘ এবং পশ্চাত্যের দেশগুলো অনেক রাষ্ট্রের অভ্যন্তরিণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে এবং তাদের উপর বেশ কিছু আইন চাপিয়ে দিয়েছে। এমন কি যে সব রাষ্ট্র এই সব অধিকার বাস্তবায়ন করছে না তারা তাদের নামও ঘোষণা করেছে। তারা কখনো কখনো রাষ্ট্রের অভ্যন্তরিণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার থেকে বড় বড় বিষয়েও হস্তক্ষেপ করেছে।
অনেক সময় তারা ব্যক্তি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করেছে যে, তোমরা এ সব স্বাধীনতা কতটুকু বাস্তবায়ন করেছো?
অনুরূপভাবে তারা রাজনৈতিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়ে বলেছে, জানগণ নিজেরাই নিজেদের শাষণ প্রতিষ্ঠা করবে! এভাবে তারা পশ্চাত্যের দেশগুলোর আদলে নির্বাচন পরিচালনা ও পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠার জন্য তৎপরতা চালিয়েছে।
স্বভাবতই যে সব জাতি নিজেরা সচেতন নয় তাদের মধ্যে এই সব মূলনীতি ও আদর্শ ঢুকিয়ে দিয়ে তাদের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা সহজ। এসব দেশে এমন ব্যক্তিকে ক্ষমতার মসনদে বসানো হয় যে হবে পশ্চাত্বের অনুগামী। বিশেষ করে তারা সে সব দেশের উপর তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে সব দেশে স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে; যারা কোন প্রকার সম্রাজ্যবাদকে মেনে নেয় নি। ‘হিউম্যান রাইটস’ ঘোষণার প্রেক্ষাপট ও কিছু কারণ রয়েছে। আর রয়েছে এমন কিছু উদ্দেশ্য যেগুলোকে সম্রাজ্যবাদী বৃহৎ শক্তিগুলো তাদের স্বার্থে ব্যবহার করে।